নিজস্ব সংবাদদাতা:
কয়েক সপ্তাহ কম দাম থাকার পরে গত সপ্তাহ ধরে বাজারে মুরগির দাম বাড়ছে। এদিকে, এ সপ্তাহে রোজার আগে লেবুর দামে দেখা গেছে বড় পরিবর্তন।
গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি হালি লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও, এই লেবুর দাম সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। আর ছোট আকারের লেবুর হালি ২০ টাকা ছিল, যা এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, শসার দাম আরও আগেই বেড়েছে। প্রতি কেজি শসা কিনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। কোথাও কোথাও অবশ্য ৮০ টাকাতেও বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর বেগুন বিক্রি বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِىْ لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنْذِرِيْنَ (٣) فِيْهَا يُفْرَقُ كُلُّ اَمْرٍ حَكِيْمٍ (٤) اَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا اِنَّا كُنَّا مُرْسِلِيْنَ (٥)
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (পবিত্র শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই সতর্ককারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ হতে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। নিশ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সম্মানিত মাস সমূহের মাঝে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাত হচ্ছেন ‘পবিত্র শবে বরাত’। এ রাতের ফযীলত, নাযাত ও বরকতের কথা, দোয়া কবুলের বা দোয়া দ্বারা স্বীয় তাক্বদীর পরিবর্তন করার কথা প্রায় সকলেই অবগত।
বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ববিখ্যাত ‘নুযহাতুল মাজালিস’ কিতাবে উল্লেখ আছে-
عن النبي صلى الله عليه وسلم من صام من شعبان يوما حرم الله جسده على النار وكان الرفيق وحضرت يوسف عليه السلام في الجنان واعطاه الله ثواب حضرت ايوب عليه السلام وحضرت داؤد عليه السلام فان اتم الشهور كله هون الله عليه سكرات الموت ودفع عنه ظلمة القبر وهول منكر ونكير وستر الله عورته يوم القيامة.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে মাত্র একটি রোযা রাখবে তার শরীরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি দোযখের জন্য হারাম করে দিবেন এবং বেহেশতের মাঝে সে ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ইউসুফ আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে আখেরী উম্মত তথা আমাদেরকে অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া করেছেন। আর সেই অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত মুবারক উনাদের মধ্যে বিশেষ একখানা নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন- পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যরাত্রি মুবারক যা আমাদের এই অঞ্চলে পবিত্র শবে বরাত নামেই মশহূর। যাকে পবিত্র কুরআন শরীফে ‘লাইলাতুম মুবারকাহ’ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফে ‘লাইলাতুন নিছফে মিন শা’বান’ বলে নামকরণ করা হয়েছে। আমাদের এই বাকি অংশ পড়ুন...
এখন আরশে ইস্তাওয়ার অর্থ অনেকে লিখেছেন- উপবেশন করা, বরাবর হওয়া ইত্যাদি। মহান আল্লাহ পাক উনার ক্ষেত্রে এ অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ মহান আল্লাহ পাক উনার ক্ষেত্রে উপরোক্ত অর্থ গ্রহণ করলে এটাই সাব্যস্ত হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার ছূরত বা আকার-আকৃতি রয়েছে বা তিনি বসা, শোয়া ও দাঁড়ানোর মুহতাজ। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ মকতুবাত শরীফ-এ লেখা হয়েছে- “মহান আল্লাহ পাক তিনি “আল্লাহ” শব্দ মুবারক থেকেও পবিত্র।”
তাহলে তিনি বসা ও উপবেশন করার মুহতাজ হন কিভাবে? মহান আল্লাহ পাক তিনি তো বলেই দিয়েছেন যে-
اَللهُ الصَّمَدُ
অর্থাৎ, মহান আল্লাহ পাক তিনি (বসা, উপবেশন করা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লাইলাতুর রগাইব শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত:
১ম মাস- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রজবুল হারাম শরীফ:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লাইলাতুর রাগাইব শরীফ:
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাত্রি মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন, সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রাত্র মুবারকেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে কুদরতীভাবে সাইয়্যিদাতুনা হয বাকি অংশ পড়ুন...
মুস্তাহাব গোসল:
১. কাফির পাক শরীরে মুসলমান হলে গোসল করা।
২. বালক কিংবা বালিকা ১৫ বৎসর বয়সের মধ্যে বালেগ হওয়ার চিহ্ন না পাওয়া গেলেও গোসল করা।
৩. পাগলের সুস্থ হওয়ার পর গোসল করা।
৪. পীড়া অথবা আঘাতবশতঃ বেহুশ হয়ে হুশ ফেরার পর গোসল করা।
৫. নেশাখোরের নেশা হতে মুক্ত হওয়ার পর গোসল করা।
৬. শরীরে শিঙ্গা লাগানোর পর গোসল করা।
৭. মৃতকে গোসল দেয়ার পরে গোসল করা।
৮. পবিত্র বরাতের (শা’বানের ১৫ই রাতে) রাতে গোসল করা।
৯. পবিত্র আরাফার (৯ই যিলহজ্জ) রাতে গোসল করা।
১০. সম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে প্রবেশ করার সময় গোসল করা।
১১. পবিত্র ১০ই যিলহজ্জ শরীফ অত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকের বেজোড় সংখ্যক রাতে পবিত্র ক্বদর শরীফ তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক। মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক।
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত জুময়াবার দিবাগত রাত ছিলো পবিত্র শবে বরাত। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের দ্বীনদার ঈমানদার মুসলমানগণ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পবিত্র শবে বরাত উদযাপন করেছেন। সরকারী দায়িত্বশীলগণও এ উপলক্ষে বিবৃতি দিয়েছিলেন। বিভিন্ন কোম্পানীর তরফ থেকে পত্র পত্রিকায় পবিত্র শবে বরাতের মুবারকবাদ জানিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ঐতিহ্যবাহী হালুয়া রুটির ব্যাপক পসরা সাজানো হয়। অনেক মসজিদ, মাজার শরীফ ও সরকারী স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ অসংখ্য মসজিদ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনি একবার সফর করছিলেন। সফর করতে করতে এক এলাকায় গেলেন। বিরাট একটা ময়দান! সেখানে যেয়ে বললেন যে, বারে এলাহী! এখানে এই যে অনেক বড় একটা ময়দান, এখানে আপনার কোনো নিদর্শন মুবারক আছে কি দেখার মতো? তখন যিনি খ¦ালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন যে, হ্যাঁ; আছে। হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি জিজ্ঞাসা করলে, কোথায়? মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনি সামনে সোজা হাঁটতে থাকেন। উনি সোজা হাঁটতে থাকলেন। হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূর আসলেন। আসার পরে দেখলেন, সামনে বিরাট একটা গ বাকি অংশ পড়ুন...












