SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রাসাদ%' OR titleBn LIKE '%প্রাসাদ%' OR descriptionEn LIKE '%প্রাসাদ%' OR descriptionBn LIKE '%প্রাসাদ%' OR slug LIKE '%প্রাসাদ%' OR metaTag LIKE '%প্রাসাদ%' OR metaDescription LIKE '%প্রাসাদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ওহাবী, সালাফী, কওমী, জামাতী
আয়রে সবাই আয়,
ঝগড়া ফাসাদ করবো না আর
শান্তিটা কাতরায়।
করে বরবাদ উস্কানি বাত,
হিংসা আগুন দিবস রাত ॥
দেওরে তা নিভায়।
আয়রে সবাই আয় ॥
রসুল প্রেমিক আমরা এসে
এক সাথে গুজরাই,
দুশমনে রসূল ক্ষতির মূল
ইয়াক্বীন করবো তাই।
মোরা করবো না আর গন্ডগোল,
পান করবো না তাগুতি ঘোল ॥
বেহুশের মজমায়।
আয়রে সবাই আয় ॥
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের
মজবুত প্রাসাদে,
নববী মতেই কাটাই দায়িমান
নিশ্চিত নিরাপদে।
পরামর্শ করেই করি ফায়সালা
রাখবো না আর দ্বন্দ্ব জ্বালা ॥
ঐক্যের মোহনায়।
আয়রে সবাই আয় ॥
আকীদা-আমল স্বচ্ছ রাখি
সুন্নতী তরীকায়,
হà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাবধান! আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতির ন্যায়। যে তাতে আরোহন করবে, সে রক্ষা পাবে। আর যে তা হতে পশ্চাতে থাকবে সে ধ্বংস হবে।”
এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ মুবারক উনার মূলনীতি আকড়ে ধরাই মুসলিম মননে একটি লালিত স্বপ্ন। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ইতিহাসে যারাই কোশেশ করেছেন, উনারাই হয়েছেন কামিয়াব এবং চিরস্বরণীয়। বিশেষ করে মুসলিম ইতিহাসে যতগুলো সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেগুলো সবই এই মহানিয়ামতপূর্ণ নীতি মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
২০১৫ সালের কথা। তখন এক অজ্ঞাত ক্রেতা ২৩ কোটি ডলার খরচ করে একটি শ্যাটো বা আবাসিক বাড়ি কিনে বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিলো। কিন্তু সে সময় এই ক্রেতার নাম গোপন করা হয়েছিলো। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পশ্চিমে ওই বাড়িটির অবস্থান। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া বাড়ি ছিলো এটি। বছর দুয়েক পর খবরে বলা হয়েছে- ৩৪ বছর বয়সী সৌদি রাজপুত্র মোহাম্মদ বিন সালমানই কিনে নিয়েছিলো ওই বাড়ি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদকরী বা ইয়টের একটির নাম সেরিন। রাশিয়ার ভদকা ধনকুবের হিসাবে পরিচিত ইউরি শেলফারের কাছ থেকে সৌদি রাজপুত্র ২০১৫ সালে এই সুপার ইয়ট কেনà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৫. আমার হামিদকে গিয়ে বলো:
পবিত্র জুমুআর দিন শাহী মসনদে বসে আছেন উসমানী সালতানাতের ৩৪ তম সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ খান। উনার হাতে শাহী লাঠি, পরনে বাদশাহী পোশাক সামনে দাঁড়িয়ে আছেন উনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত তাহাসিন পাশা।
পবিত্র জুমুয়াবার সালতানাতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা আবেদন পত্র গুলো তাহা বাকি অংশ পড়ুন...
পিরি রইস ছিলেন উসমানীয় সালতানাতের নৌবাহিনীর এডমিরাল যার অংকিত বিশ্ব মানচিত্রই হচ্ছে তুর্কি এটলাসের সবচেয়ে পুরাতন মানচিত্র যা এক নতুন বিশ্বের সন্ধান দেয়। এই বিশ্ব মানচিত্র এখনো আমেরিকায় পুরাতন মানচিত্র হিসেবে বিদ্যমান।
তুর্কি আর্কাইভের তথ্যানুসারে জানা যায় পিরি রইসের সম্পূর্ণ নাম হাজী আহমেদ মহিউদ্দিন পিরি। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন উসমানী সালতানাতের গেলিবলুতে।
পিরি রইসের চাচা কামাল রইস ছিলেন প্রখ্যাত সমুদ্র বিশারদ। তিনি ১৪৯৫ সালে তুর্কি নৌবাহিনীর এডমিরাল হিসেবে নিয়োগ পান। চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে পিরি রইস ১৪৮১ সালে বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন ১৪৯১ সাল। গ্রানাডার মুসলিম শাসনের সূর্য অস্তমিত প্রায়। দুর্বল এবং অযোগ্য মুসলিম শাসক থাকার সুযোগে তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছে ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। এবার শেষবারের মতো অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলেন গ্রানাডার মুসলিমরা। গ্রানাডার মুসিলম যুবকরা সিদ্ধান্ত নিলেন শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তারা খ্রিষ্টানবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন।
এই যুবকদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান নামক এক যুবক। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, খ্রিষ্টান শাসক জেনে রাখুক! আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরো বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের মানচিত্রে কোনো রাজদ- নেই নেই কোনো পুরনো বাজকীয় মুকুট। তবুও পৃথিবীর দূর-দূরান্তের অনেক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলো যেন এক অলৌকিক নিয়মে এক অদৃশ্য ডাকাতের হাতে বন্দী। আধুনিক যুগের সাম্রাজ্য জয়ে আর কামান কিংবা ভারী অশ্বারোহী বাহিনীর প্রয়োজন হয় না, কয়েকটি ফাউন্টেন পেনের সোনালী নিব মসৃণ বন্ড পেপার এবং কিছু প্রহসনময় চুক্তির ধারাই যথেষ্ট। আমেরিকা বিশ্বমঞ্চে এমন এক ডাকাত যে ডাকাতির স্মারক হিসেবে সার্বভৌমত্বের হাতকড়া পরিয়ে দেয়, আর স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে রূপ নেয় তার আধুনিক করদ রাজ্যে।
এই সূক্ষম মায়াজালের বাকি অংশ পড়ুন...
ফিরোজ শাহ কোটলা বর্তমানে একদম ধ্বংসের প্রান্তে। এখানে পর্যটক খুব কম যাতায়াত করেন। কোটলার ভাঙা অংশের অদূরেই বামদিকে লম্বা লোহার পিলার। এটা শাসক অশোকের স্তম্ভ! ফিরোজ শাহ তুঘলক ১৩৫৬ সালে স্তম্ভটিকে পাঞ্জাবের আম্বালা থেকে আনিয়ে কোটলায় পুনস্থাপনা করেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী ও পর্যটকের বরাতে উল্লেখ করা হয়, স্থানটির ডানদিকে বেশ ভাঙা ভবন। সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে হয়। নিচতলায় ওজুখানার মতো লাগছে। নিচতলায় ধ্বংস হওয়া বিল্ডিংয়ের অংশবিশেষ দেখে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠা যায়। ভেতরে ঢুকে দেখা গেল পুরো উন্মুক্ত ভাঙা ছাদ। তবে সেখানে যাওয়ার আগে সবাই বাকি অংশ পড়ুন...
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর ঘোষণার পরপরই ইরানি আইনপ্রণেতা এই হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া লিখেছেন, ‘সৌদি আরবকে জানা উচিত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কাগজে-কলমের চুক্তি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না; যেমন বছরের পর বছর একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করেও তারা নিরাপত্তা পায়নি।’
রেজায়ি আরও বলেন, ‘আপনাদের নীতিতে সংস্কার আনুন, যাতে নিরা বাকি অংশ পড়ুন...
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে অনুষ্ঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে’ সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সম্মেলন শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, এ চুক্তি তিন দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গভীরতর করা এবং অঞ্চল ও এর বাইরেও শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
বিবৃতিতে বলা হয়, চুক্তির আওতায় বাহ্যিক ঠবাকি অংশ পড়ুন...












