জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের দুটি প্রতিষ্ঠান ২.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বরফ কোরের কিছু অংশ পেয়েছে। যা আটটিরও বেশি আইফেল টাওয়ার পরপর দাঁড় করালে যতটা উঁচু হয়, তার চেয়েও বেশি।
এই উপাদান বিজ্ঞানীদেরকে দশ লাখ বছরেরও বেশি আগের বাতাসের প্রবাহ, তাপমাত্রা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে। কেমব্রিজে সংরক্ষিত বরফের বাক্সগুলো সাত সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে গলানো হবে।
অ্যান্টার্কটিকায় এই বরফ কোর সংগ্রহ করতে বহু দেশের বিশাল যৌথ প্রচেষ্টা লেগেছে, যার ব্যয় হয়েছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। বরফগুলো ১ মিটার ব্লকে কেটে জাহাজে করে আনা হয়, এরপর ঠান্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় ৭৫ বছর আগে ভারত মহাসাগরের মাঝখানে একটি বিশালাকার মাধ্যাকর্ষণজাত গর্ত (গ্র্যাভিটি হোল) আবিষ্কৃত হয়েছিল। এরপর শুরু হয় এই রহস্যময় গ্র্যাভিটি হোলের সৃষ্টি ও প্রভাব নিয়ে গবেষণা। সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি সম্ভাব্য তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়। বিগ থিংক সাময়িকীতে ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রবন্ধে বলা হয়েছে, গ্র্যাভিটি হোল মূলত কোনো গর্ত নয়। বরং এটি প্রায় ৩০ লাখ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত সমুদ্রের একটি এলাকা, যেখানে মাধ্যাকর্ষণ স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে অনেক কম। এই বিশাল অঞ্চলটি গোটা ভারতের মূলভূখ-ের চেয়েও বড়। এখানকার পানির গড় উচ্চতা সমুদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমান, দ্বীন পালনের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হওয়ার আশঙ্কায় পহেলা বৈশাখে অনুষ্ঠিত তথাকথিত ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।
রিটে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা জেলা প্রশাসক, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং চ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সউদি আরবের একটি লাইব্রেরি
১০০০ বছরের পুরোনো একটি অত্যন্ত দুর্লভ পা-ুলিপি জনসম্মুখে এনেছে। ‘গরিব আল কোরআন’
শিরোনামের এই ঐতিহাসিক পা-ুলিপিটি প্রখ্যাত ভাষাবিদ আবু উবাইদাহ মামার ইবনে আল মুসান্নার
লেখা।
চতুর্থ হিজরি শতাব্দীর এই পা-ুলিপিটিতে
মোট ২৩টি পৃষ্ঠা রয়েছে। ১৭ বাই ২২ সেন্টিমিটার আকৃতির এই পা-ুলিপিটি অত্যন্ত স্পষ্ট
আন্দালুসীয় লিপিতে লেখা হয়েছে। তবে এর সূরাগুলোর নাম চমৎকার কুফিক লিপিতে অলংকৃত করা
হয়েছে। কোরআন বিজ্ঞানের ওপর লেখা এই মূল্যবান পা-ুলিপিটি এখন পর্যন্ত কোথাও প্রকাশিত
হয়নি।
বাকি অংশ পড়ুন...
কামাল আহদাব:
৭০৪ হিজরীর ঘটনা। শাম দেশের দামেশক শহরে কামাল আহদাব নামে একজন লোক ছিলো। কারও সাথে তুমুল বাকবিত-ার মাঝখানে সে এমন একটি কথা বললো, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে চরম মানহানিকর।
বিষয়টা আইনিভাবে এমন অবস্থায় রূপ নিলো যে, লোকটা তা কল্পনাও করতে পারেনি। তখন দামেশকের বিচারক ছিলেন প্রসিদ্ধ ফক্বীহ আল্লামা জামালুদ্দীন আল-মালিকী। তিনি ত্রিশ বছর ধরে দামেশকে বিচারকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক আল্লামা ইবনুল ইমাদ হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ঘটনাট বাকি অংশ পড়ুন...
নাইজারে দ্বীন ইসলামের ইতিহাস সুপ্রাচীন। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত উকবা বিন আমের রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে নাইজারে দ্বীন ইসলাম উনার আলো ছড়িয়ে পড়েছিল।
অন্যদের মতে, হযরত উকবা বিন নাফে রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে ৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে নাইজারের মানুষ দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে জানতে পেরেছিল। তিনি মরু অঞ্চলে বিজয়াভিযান শুরু করেন। ‘কাওয়ার’ শহর বিজয়ের আগ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। নাইজারের কাওয়ার শহরটি লিবিয়া সীমান্তে অবস্থিত। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় নাইজারে হিজরী প্রথম শতকেই ইসলামের আলো পৌঁছ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কর্তৃক বাংলার স্বাধীনতা বিনষ্ট হওয়ার পর মুসলিম সমাজের যে সীমাহীন দুর্দশা হয়েছিলো, তা নিম্নের আলোচনায় সুস্পষ্ট হবে।
পলাশী যুদ্ধের পূর্বে সামরিক ও বেসামরিক চাকুরীক্ষেত্রে সম্ভ্রান্ত মুসলমানদের প্রাধান্য ছিলো। কোম্পানী ক্ষমতা হস্তগত করার পর প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের প্রথম ধাপেই মুসলিম সেনাবাহিনী ভেঙে দেয়া হয়। তার ফলে কিছু উচ্চশ্রেণীর কর্মচারীই বেকার হয়ে পড়ে। ফলে, লক্ষ লক্ষ মানুষকে বেকারত্ব ও দারিদ্রের মুখে ঠেলে দেয়া হয়।
দ্বিতীয়তঃ দেশের গোটা রাজস্ব বিভাগকে ইংল্যান্ডের পদ্ধতিতে পুনর্ বাকি অংশ পড়ুন...
কালের সাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৬০০ বছরের প্রাচীন মাচাইন শাহী মসজিদ। প্রাচীনতম মসজিদটি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার মাচাইন গ্রামে অবস্থিত।
চুন, সুরকি ও সাদা সিমেন্টে নির্মিত মসজিদটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকলেও সঠিক সংরক্ষণ ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এর শৈল্পিক কারুকাজ ক্রমেই মলিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা-দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ইতিহাসের এই সম্পদ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জানা যায়, ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার শাসনামলকে বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রাখা মুসলমানদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যাবশ্যকীয় ফরজ ইবাদত। তবে যারা জরায়ু, ডিম্বাশয় বা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত এবং চিকিৎসাধীন, তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করা জরুরি।
এ বিষয়ে গাইনি, স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ এবং গাইনি ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. রুখসানা পারভীন জানিয়েছেন- ‘ক্যানসার রোগীর ক্ষেত্রে একক কোনো নিয়ম নেই। রোগের ধরণ, স্টেজ, চলমান চিকিৎসা, রোগীর শারীরিক সক্ষমতা সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।’
কারা রোযা রাখতে পারবেন, কারা নয়?
ডা. রুখসানা পারভীন জানান, যেসব রোগী কেমোথেরাপি নিচ্ছেন, রেডিওথেরাপির ম বাকি অংশ পড়ুন...
২১শে ফেব্রুয়ারিকে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য এদিন ভাষা সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলো, সেই দিনটিকেই স্মরণ করে দিবসটি উদযাপন। তবে শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারি নয়, বাংলা ভাষা নিয়ে আরেকটি দিবস আমাদের পালন করা উচিত। সেটা হচ্ছে বাংলা ভাষার স্বাধীনতা দিবস। দিবসটি হিজরী তারিখ হচ্ছে- “১৯শে রমাদ্বান শরীফ”। আসুন বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেই।
ইতিহাস স্বাক্ষী হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখে ‘এক কথ্য’ ভাষার প্রচলণ ছিলো। বাঙ্গালিরা সেই ভাষায় নিজেদের ভাব-আবেগ বিনিময় করতো। বাঙ্গালিদের মুখের সেই কথ্য ভাষা ছিলো বাকি অংশ পড়ুন...
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লোয়ার দির জেলার তিমারগারায় অবস্থিত ১২০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ। নাম তার ‘বাবা জি’। সূর্যাস্তের পরপরই শত শত মুসল্লি ভিড় করেন তারাবীহ নামাজে অংশ নিতে। হাতে খোদাই করা কাঠের কারুকাজে সজ্জিত ছাদের নিচে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ইবাদতের এ ধারা আজও অব্যাহত।
সন্ধ্যা নামতেই তিমারগারার পথে পথে দেখা যায় মানুষের স্রোত, গন্তব্য শতবর্ষী ‘বাবা জি’ মসজিদ। ইশা ও তারাবীহ নামাজ আদায়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি হয়ে ওঠে পুরো অঞ্চলের অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র।
১৮৯০-এর দশকে প্রভাবশীল পশতুন ইউসুফজাই গোত্রের ধর্মীয় ব বাকি অংশ পড়ুন...












