SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রচার-প্রসার%' OR titleBn LIKE '%প্রচার-প্রসার%' OR descriptionEn LIKE '%প্রচার-প্রসার%' OR descriptionBn LIKE '%প্রচার-প্রসার%' OR slug LIKE '%প্রচার-প্রসার%' OR metaTag LIKE '%প্রচার-প্রসার%' OR metaDescription LIKE '%প্রচার-প্রসার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৬) মহাসম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করা যায়।
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা মুবারক করলে, মহাসম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করা যায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيْعُوا اللَّهَ وَالرَّسُوْلَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
অর্থ : তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সম্মানিত ইত্তিবা মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক কর; তাহলে তোমরা অবশ্যই সম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইর বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
৫
আর এরপরে যেটা আলোচনা করা হইছে সেটা হলো- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফে খরচ করা, এখন অনেক আলোচনা করা হয়েছে। এখন এটাতো অনেক ফযীলত; অনেক হাদীছ শরীফে আছে, যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো বলেছেন,
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ الشهر رَّبِيْع الْاَوَّلِ الشريف بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
একটা হাদীছ শরীফে উনি বলছেন যে আমার বিলাদত শরীফ এই তারিখকে যে সম্মান করলো, যেটা এই সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফে উনার ১২ই শরীফ; কিভাবে? মেহমানদারি করার মাধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
এখানে বলা হচ্ছে যে আমাদের করণীয় কি? আমাদের করণীয় হচ্ছে, এই যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে এতো শিক্ষা দিলেন। সেইজন্য আমাদের করণীয় হচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুসরাত এবং তা’যীর করা। অর্থাৎ উনার খিদমত করা এবং উনার সাথে নাযিলকৃত নূর মুবারক অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুসরণ করা তাহলে আমরা সফলকাম হতে পারবো। অর্থাৎ তাহলেই হক্ব আদায় হবে। এখানে এই নুসরাত এবং তা’যীরের বিষয়টা যেটা একটা হক্ব। আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য উন বাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
৪
কাজেই যিনি খালিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার স্বরণটা সবসময় দায়েমী হইলো। তাইলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্বরণটা গেলো কোথায়? উনাকে তো স্বরণ করতে হবে। উনার স্বরণ মুবারক হচ্ছে এই সুন্নত মুবারক ইত্তেবা করার মাধ্যম দিয়ে সুবহানাল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
একদম মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত দায়েমীভাবে ২৪ ঘন্টা। এটা করতে হবে। এটা তো হায়াতের পূর্বে করে, হায়াতের পরেও করে মানুষ। একটা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার মধ্যে সমস্ত সুন্নত মুবারক জারি করা বাকি অংশ পড়ুন...
৪) কমপক্ষে একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করা যায়।
একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করলে, কমপক্ষে একশত শহীদ উনাদের সমতুল্য ছওয়াব লাভ করা যায়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِيْ عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِيْ فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيْدٍ
অর্থ: “যে ব্যক্তি ফিতনা-ফাসাদের যুগে আমার একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কায়িম করবেন, ধারণ করবেন এবং দৃঢ়তার সহিত পালন করবেন তিনি একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করবেন।” (মিশকাত শরীফ, আয যুহ্দ লিল বাইহাক্বী ১/২২১, ২০৭, আল কামিল লিইবনে ‘আদী ৪৬০, আল আমালী)
প বাকি অংশ পড়ুন...
২) দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বপ্রকার ফিতনা (আযাব-গযব থেকে) ও পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে মুক্তি লাভ করা যায়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالـٰى قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةٌ لَا تَمَسُّهُمْ فِتْنَةُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ: الْمُقِرُّ بِالْقَدَرِ، وَالَّذِي لَا يَنْظُرُ فِي النُّجُومِ، وَالْمُتَمَسِّكُ بِسُنَّتِي.
অর্থ : হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন প্রকার ব্যক্তি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
যখন তিনি এই হাদীছ শরীফ ইরশাদ মুবারক করলেন, তখন কিছু ইহুদী এবং নাছারা তারা আসলো। ইহুদী-নাছারা তারা এসে বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, এতে বুঝা যাচ্ছে- যারা ইহুদী এবং নাছারা তারাও জান্নাতী হবে। কিভাবে সেটা?
তারা তো যিনি খালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনাকে এক হিসেবে জানে তাহলে এই সম্মানিত এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী ইহুদী এবং নাছারা তারাও প্রত্যেকেই জান্নাতী হবে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবু বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মাক্বাম মুবারক সর্বোচ্চ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার গুরুত্ব-ফযীলত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত নছীহত মুবারক করার সময় প্রায় ইরশাদ মুবারক করেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত আমল যদি একপাল্লায় রাখা হয় আর মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক যদি আরেক পাল্লায় রাখা হয় তাহলে মহাসম্মানিত সুন্নত মুব বাকি অংশ পড়ুন...
আর প্রত্যেক মুসলিম অমুসলিম সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের মহাসম্মানিত জীবনী মুবারক প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উপলক্ষে মাহফিলের আঞ্জাম দেয়া।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ- বাংলাদেশে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ.
অর্থ: “লোকদের মধ্যে কিছু এরূপ আছে যে, “লাহওয়াল হাদীছ” বা সঙ্গীত বা গান-বাজনা করে, এ কারণে যে, (লোকদেরকে) বিনা ইলিমে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ হতে সরিয়ে দেয় এবং তা হাসি-ঠাট্টারূপে ব্যবহার করে। তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।” (পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬)
অনুসরণীয় হযরত মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় “গান-বা বাকি অংশ পড়ুন...












