SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%প্রকারভেদ%' OR titleBn LIKE '%প্রকারভেদ%' OR descriptionEn LIKE '%প্রকারভেদ%' OR descriptionBn LIKE '%প্রকারভেদ%' OR slug LIKE '%প্রকারভেদ%' OR metaTag LIKE '%প্রকারভেদ%' OR metaDescription LIKE '%প্রকারভেদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
জমির দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে জানা জরুরি। এই বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, জমির হিসাব ও পরিচয় বোঝার জন্য প্রধান তিনটি বিষয় হলো-দাগ, খতিয়ান ও মৌজা।
দাগ নম্বর (প্লট নম্বর): ম্যাপ বা নকশায় প্রতিটি খ- জমিকে আলাদাভাবে চেনার জন্য যে নম্বর দেওয়া হয়, তাকে দাগ নম্বর বলে। একটি মৌজার অধীনে আপনার জমিটি ঠিক কোন অবস্থানে এবং এর সীমানা কতটুকু, তা এই নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।
খতিয়ান (রেকর্ড অব রাইটস-আরওআর): খতিয়ান হলো জমির স্বত্ব বা মালিকানার সংক্ষিপ্ত বিবরণী, যেখানে একজন মালিকে বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আরো প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন- মারফু, মাওকুফ, মাকতু, মুত্তাসিল, মুনকাতি, মুরসাল, মুআল্লাক, মুদাল্লাস, মুদ্বতারাব, মুদরাজ, ছহীহ, হাসান, দ্বয়ীফ, মাওদূ, মাতরূক, মুবহাম, গরীব, আযীয, মাশহূর, মুতাওয়াতির ইত্যাদি। এ সমুদয় প্রকারভেদ রাবী বা বর্ণনাকারীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার প্রকারভেদ:
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র কুদরত মুবারক দুই ভাগে বিভক্ত।
এক. হাক্বীক্বী অর্থ মুবারক: মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে স বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হওয়া ও পৃথক হওয়া:
ঝড় বৃষ্টির সময় আকাশে কিমিউলোনিমবাস মেঘের পূর্ণাঙ্গ পর্যায়ে উর্ধ্বগামী বরফ কণা এবং নিম্নগামী শিলা খন্ড থাকে।
কণাগুলির পরস্পর ঘর্ষণের কারণে বরফ কণা ধনাত্মক এবং শিলা খন্ড ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয়। মেঘের উপরের অংশে জমা হয় ধনাত্মক চার্জ এবং নিচের অংশে জমা হয় ঋণাত্মক চার্জ। এই ঋণাত্মক চার্জের ইনডাকশন বা আবেশের কারণে যমীনে ধনাত্মক চার্জ জমা হয়।
এভাবে মেঘের ঋণাত্মক এবং যমীনের ধনাত্মক চার্জের মাঝখানে বাতাস ইনসুলেটর বা অপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু দমকা বাতাসের কারণে এই ধনাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে কি ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা জরুরী?
জাওয়াব:
ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহন করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার করার সাথে সাথে পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধসমূহ যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে উনার ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করতে হবে। তাহলে ইছলাহ হাছিল করা সহজ সম্ভব হবে।
‘ফাই বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বাইয়াতের প্রকার এবং খাছ সুন্নতী তরতীবে পুরুষ ও মহিলাদের বাইয়াত হওয়ার পদ্ধতি কি?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
দ্বিতীয় পদ্ধতি: শুধুমাত্র কথার মাধ্যমে বাইয়াত; নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে এবং মহিলাদেরকে এ নিয়মে বাইয়াত করাতেন।
বর্তমান সময়ে শরীয়তসম্মত ডিজিটাল মাধ্যম তথা সিরাতুল মুস্তাকীম, ভয়েস রেকর্ড, ভয়েস আল-হিকমাহ, মাইক, সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে শুধুমাত্র কথার মাধ্যমে বাইয়াতের এই সুন্নত মুবারক আদায় করা সহজ ও সম্ভব।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
ত্বাহারাত কী:
ত্বাহারাত (طَهَارَةٌ) শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পবিত্রতা, পবিশুদ্ধতা। আর এর বিপরীত শব্দ হলো নাজাসাত (نَجَاسَةٌ)-এর অর্থ হলো অপবিত্রতা। এখানে ত্বাহারাত বলতে জাহেরী, বাতেনী উভয় প্রকার পবিত্রতাকেই বুঝানো হয়েছে। কোন মুসলমানের জন্য প্রথম কাজ হলো আক্বীদা শুদ্ধ করে পরিপূর্ণভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক হুকুমের আনুগত্য প্রকাশ করা। আর এজন্য প্রয়োজন হলো হিংসা, অহংকার, মোহ, কাম-ক্রোধ ইত্যাদি বাতেনী না বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বাইয়াতের প্রকার এবং খাছ সুন্নতী তরতীবে পুরুষ ও মহিলাদের বাইয়াত হওয়ার পদ্ধতি কি?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
হিজরী দ্বাদশ শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, তাজুল মুফাসসিরীন, ফখরুল ফুক্বাহা, হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘আল কাওলুল জামীল’ কিতাবে পাঁচ ধরণের বাইয়াতের কথা উল্লেখ করেন-
مِنْهَا بَيْعَةُ الْـخِلَافَةِ وَمِنْهَا بَيْعَةُ الْاِسْلَامِ وَمِنْهَا بَيْعَةُ التَّمَسُّكِ بِـحَبْلِ التَّقْوٰى وَمِنْهَا بَيْعَةُ الْـهِجْرَةِ وَالْـجِهَادِ وَمِنْهَا بَيْعَةُ التَّوَثُّقِ فِـى الْـجِهَادِ
১. খিলাফতের বাইয়াত। ২. বাইয়াতে ইসলাম। ৩. বাইয়াতে তা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ .
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের সময় আমার একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে রাখবেন, তিনি একশত শহীদের ফযীলত মুবারক লাভ করবেন।” সুবহা বাকি অংশ পড়ুন...
ছিফতের দিক দিয়ে তালাক দুই প্রকার:
১. সুন্নী তালাক। ২. বিদয়ী তালাক।
আবার সুন্নী তালাক দুই প্রকার: (ক) احسن (আহসান তালাক) (খ) حسن (হাসান তালাক)
(ক) আহসান তালাক : এমন তালাককে বলা হয়, যে নিজের স্ত্রীকে এমন তহুরে এক রাজঈ তালাক দিবে, যে তহূরে তার সাথে অতী করেনি। তারপর তাকে এই অবস্থার উপরই ছেড়ে দিবে এবং তার ইদ্দত শেষ হবে তথা তিন স্বাভাবিক মাজুরতা শেষ হয়ে যাবে। আর হামেলা হলে সন্তান জন্মগ্রহন করবে। ইদ্দত অতিবাহিত হলে সে আপনা আপনিই বায়িন হয়ে যাবে।
(খ) হাসান তালাক : স্ত্রীকে এমন তহূরে তালাক দিবে যে তহূরে তার সাথে অতী করেনি। প্রথম তহূরে তাকে এক তালাক দিব বাকি অংশ পড়ুন...
তাছাড়া মুখে তালাক উচ্চারণ না করলেও এমন কতিপয় গোনাহের কাজ রয়েছে, মু’মিন-মু’মিনাগণ যদি তা হালাল বা জায়িয মনে করে তাহলে তাদের অজান্তেই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তখন স্বীয় স্ত্রীর সাথে অবস্থান করা জায়িয থাকে না। সেক্ষেত্রে সে প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে কবীরা গুনাহে লিপ্ত হয়। সন্তান হলে সে সন্তানের বৈধতা থাকবে না। এরূপ সন্তানই পিতা-মাতার অবাধ্য হয়। মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নাফরমানী করে। বিরূদ্ধাচরণ করে। নাউযুবিল্লাহ!
তারাই বেদ্বীন-বদদ্বীন, বাকি অংশ পড়ুন...












