রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী বাকি অংশ পড়ুন...
অসুস্থতার কারণে রোযা না রাখার হুকুম:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِّنْ رَّمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ وَلَا مَرَضٍ لَـمْ يَقْضِ عَنْهُ صَوْمَ الدَّهْرِ كُلَّهٗ وَاِنْ صَامَهٗ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি ওজর অথবা রোগ ব্যতীত রমাদ্বান শরীফ মাসের একটি রোযা ভঙ্গ করবে, সে যদি তার পরিবর্তে সারা বছরও রোযা রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাত ছিলো মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ একটি সালতানাত। এই সালতানাতের সব সুলতানই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অপরিসীম মুহব্বত পোষণ করতেন। পাশাপাশি, সুলতানগণ সবাই হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণ করতেন শাসনব্যবস্থায়। উসমানীয় শাসকদের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন সুলতান মুরাদ। উনার শাসনামল ন্যায়পরায়নতা এবং মুসলিম বিজয়ের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত। একটি রাতের ঘটনা তার শাসনামলে অত্যন্ত বিখ্যাত।
সুলতান মুরাদ এক রাতে বিছানায় শুয়েছিলেন, দেখেন তার দম বন্ধ হয়ে আস বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
অর্থ: যারা নিজেদেরকে বখিলতা থেকে বাঁচাতে পারলো, তারা বিরাট সফলতা লাভ করলো। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ: আয়াত শরীফ ৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
হুয়াইরিছ ইবনে নুকাইদ:
হুয়াইরিছ সে পবিত্র মক্কা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে এবং উনার শান মুবারকে সে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতো। নাঊযুবিল্লাহ!
‘শিফাউল গুরাম’ কিতাবে এসেছে- সে হচ্ছে হুয়াইরিছ ইবনে নুকাইদ; যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করেছিলো, যখন (উনার হিজরত মুবারককালে) সে এবং হযরত হাব্বার ইবনে আসওয়াদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে ধ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি ও নৈকট্য যে আমলে লাভ হয়; সে আমল হচ্ছে, হুসনুল খুলুক বা সৎ চরিত্রতা। এই আমলই সেই নৈকট্য ও সন্তুষ্টি হাছিলের শ্রেষ্ঠতম উপায় বা মাধ্যম।
একবার এক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট হাজির হয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাকে কিছু উপদেশ দান করুন। তিনি ঐ ব্যক্তিকে বললেন, আপনি যখন যেখানেই অবস্থান করুন না কেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
পারস্য শাসক কিসরা উনাকে এগিয়ে আসতে দেখেই দরবারের একজনকে ইঙ্গিত করলো চিঠি মুবারক উনার থেকে নেওয়ার জন্য।
তিনি অন্য কারো হাতে চিঠি মুবারক দিতে অস্বীকার করে বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা সরাসরি পারস্যের শাসকের হাতে দিতেই আমাকে আদেশ মুবারক করেছেন। কিসরা বললো, ‘তাহলে উনাকে আসতে দাও।’ তিনি কিসরার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সরাসরি তার হাতে চিঠি মুবারক হস্তান্তর করলেন।
এরপর কিসরা ইরাকের হীরা-অঞ্চলের একজন আরবী জানা লোককে ডেকে চিঠির বক্তব্য পারস্যভাষায় তাকে বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা।
দোয়া তো ঠিকই চাইলেন।
শুধু আপনি নয়, আপনার সরকার, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, ধর্ম উপদেষ্টা গত কিছুদিনে অনেকবার দোয়া চাইলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া,
হাদির জীবন বাঁচানোর জন্য দোয়া
তাদের মৃত্যুর পর মাগফিরাতের জন্য
চাইলেন আপনারা।
(২)
সরকারের সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা
সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা,
সর্বাধুনিক চিকিৎসা
দেশের সর্বোত্তম সেবা
অথবা
তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তি
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ ব্যাপক পুলিশ, বিজিবির উপস্থিতি
প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি
কোনো কিছুই আটকাতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
সেজন্য বলা হয়েছে, নুযূল খাছ হুকুম আম। নুযূলতো খাছ হয়েছে। বলা হচ্ছে, এটার শানে নুযূল আরো রয়েছে যেটা বলা হয় যে, কেন নাযিল হয়েছে। বলা হচ্ছিল, পুরুষদেরতো অনেক ফযীলত তাহলে মহিলাদের কতো ফযীলত? হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের অনেক ফযীলত। তাহলে অন্যান্যদের কতো ফযীলত। সেটাই বলে দেয়া হয়েছে, তারা যদি উনাদের অনুগত হয়, উনাদের আদেশ-নির্দেশ মুবারকগুলো পালন করে মুসলমান হয়, মু’মিন হয় ইত্যাদি ইত্যাদি হয় তাহলে তাদের জন্য যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অনেক বড় পুরস্কার তৈরী করে রেখেছেন। সুবহানাল্লাহ! এখানে ক বাকি অংশ পড়ুন...












