ঐতিহাসিক দিবস পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ: সম্মানিত ইয়ারমুকের জিহাদ
, ১০ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০২ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৬ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ
রোমান সৈন্যদের একদল কানাতীরের নেতৃত্বে লাজিকিয়ার পথ ধরে এগুতে আরম্ভ করলো। আরেকদল জার্জিরের নেতৃত্বে জাদাতুল উজমার ও সাওমীনের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল কাওরীনের নেতৃত্বে হালাব ও হামাতের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল দীরজানের নেতৃত্বে আওয়াসিমের পথ ধরে এগুতে থাকলো। মাহান তার নেতৃত্বাধীন সৈন্যদের নিয়ে সবার পিছনে চললো। জাবালা বিন আইহাম গসসান, লাখম, ও জুযাম গোত্রের আরব খ্রিস্টানদের নিয়ে সবার আগেই রওয়ানা হয়।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট খ্রিস্টনাদের ব্যাপক প্রস্তুতির সংবাদ প্রেরণ করা হলে, তিনি মুসলমানদের প্রধান সেনাপতি হযরত আবূ উবাইদা ইবনে র্জারাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম মুবারক-এ মর্মস্পর্শী ভাষায় একখানা পত্র মুবারক লিখলেন এবং কাসেদকে বললেন, আপনি নিজে যেয়ে সৈন্যগণ উনাদের প্রত্যেক কাতারে কাতারে আমার এই পত্র মুবারক পাঠ করে শুনাবেন এবং মুখে বলবেন, “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি আপনাদেরকে সালাম মুবারক জানিয়েছেন এবং বলেছেন- হে সম্মানিত মুসলমানগণ! আপনারা বীরবিক্রমে শত্রুদের সম্মুখীন হোন এবং সর্বশক্তি দিয়ে সম্মানিত জিহাদ করে তাদেরকে চরম শিক্ষা দিয়ে দিন। আমি সুনিশ্চিত যে আপনারাই বিজয়ী হবেন।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশ মুবারক যথাযথ পালন করা হলো। মুজাহিদগণ উনাদের মধ্যে আরো কঠিনভাবে জজবা বৃদ্ধি পেলো। সুবহানাল্লাহ!
খ্রিস্টানরা ২ লাখ সৈন্য নিয়ে জিহাদের ময়দানে উপস্থিত হলো। তারা মোট চব্বিশ সারিতে বিভক্ত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হলো। তাদের মধ্যে ৩০ হাজার সৈন্য পায়ে বেড়ী লাগিয়ে এসেছিলো, যেন পালাবার কোনো সুযোগ না থাকে। মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ছিলো মোট ৩৫ হাজার। এক বর্ণনা মতে মুসলমানদের মধ্যে এক হাজার জন ছিলেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অন্তুর্ভুক্ত এবং উনাদের মধ্যে ১০০ জন ছিলেন সরাসরি বদরী ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম। সুবহানাল্লাহ!
জিহাদ উনার শুরুতে বিশালকায় এক পাদ্রী বূহ্য হতে বের হয়ে মুসলমানদেরকে মল্লযুদ্ধের জন্য আহ্বান করলো। তখন হযরত কায়েস ইবনে হুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একটি কবিতা পাঠ করতে করতে এমন ক্ষিপ্রগতিতে পাদ্রীর দিকে অগ্রসর হলেন যে, পাদ্রী অস্ত্র পর্যন্ত ঠিক করতে পারলো না। তিনি একদম পাদ্রীর মস্তকে তরবারী দিয়ে প্রচ- আঘাত করলেন। এক আঘাতেই তার খ-িত দেহ ঘোড়ার উপর থেকে লুটিয়ে পড়লো। সঙ্গে সঙ্গে মুসলমান উনারা আকাশ-বাতাস কাপিয়ে তাকবীর মুবারক দিতে লাগলেন। সুবহানাল্লাহ! তখন সাইয়্যিদুনা হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, সূচনা উত্তমভাবে হয়েছে, এখন সম্মুখে আমাদের সুনিশ্চিত জয়।” সুবহানাল্লাহ!
জিহাদের এক পর্যায়ে হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সৈন্য উনাদেরকে একথা বললেন, ‘আপনাদের মধ্যে কে আছেন যে, সম্মানিত শাহাদাত মুবারক উনার উপর বায়াত গ্রহণ করবেন?
উনার সম্মানিত আহবান মুবারক সাড়া দিলেন উনার সম্মানিত চাচা হযরত হারিস ইবন হিশাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত দিরার ইবনে আযওয়ার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং আরো চার শত মুসলিম সৈনিক। উনারা তুমুলভাবে জিহাদ করে খ্রিস্টানদেরকে কচুকাটা করে দিলেন।
এই ইয়ারমুকের ময়দানেই ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেল হযরত হারিস ইবন হিশাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে, হযরত ‘আইয়্যাশ ইবন আবী রবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে এবং হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে।
পিপাসায় কাতর হযরত হারিস ইবনে হিশাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পানি চাইলেন। যখন উনাকে পানি দেওয়া হলো, হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তখন উনার দিকে তাকালেন। হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চাহনী দেখে হযরত হারিস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পানি পান না করে বললেন, ‘হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে পানি দিন।’ পানির পাত্রটি যখন হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছে নিয়ে যাওয়া হলো তখন হযরত ‘আইয়্যাশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দিকে তাকালেন। তা দেখে হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘হযরত আইয়্যাশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দিন।’
হযরত ‘আইয়্যাশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছে পানির পাত্রটি যখন নিয়ে যাওয়া হলো, দেখা গেল, তিনি শাহাদাত মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
তারপর পাত্রটি হাতে নিয়ে একে একে উনার অপর দুই সাথী উনাদের কাছে নেয়া হলো, ততক্ষণে উনারাও শাহাদাত মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
এক পর্যায়ে লাঞ্চিত, অপদস্থ রোমান সৈন্যরা হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সেনাবাহিনী উনাদের হাতে পরাজিত হওয়ার কথা তাদের কথিত শাসক হিরাক্লিয়াসের নিকট জানায়। খবর শুনে হিরাক্লিয়াস বলে উঠলো, লা’নত তোমাদের উপর! যাঁরা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন, উনাদের সম্পর্কে আমাকে বলো। উনারা কি তোমাদের মতো মানুষ নন?
তারা জবাব দিলো, হ্যাঁ; উনারা আমাদের মতোই মানুষ।
হিরাক্লিয়াস জিজ্ঞেস করলো, তোমাদের সংখ্যা বেশি নাকি উনাদের?
তারা উত্তরে বললো, বরং আমরা তো প্রতিটি জিহাদেই সংখ্যার দিক থেকে উনাদেরকে বহুগুণে ছাড়িয়ে গেছি।
হিরাক্লিয়াস প্রশ্ন করলো, তাহলে কেনো উনারা তোমাদেরকে পরাজিত করলেন?
তখন উচ্চপদস্থ একজন ব্যক্তি এগিয়ে এসে বললো, “কারণ উনারা রাতে জেগে উঠে ছলাত আদায় করেন, দিনের বেলায় রোযা পালন করেন, ওয়াদা পূরণ করেন, সৎ কাজে উৎসাহ দেন, মন্দ কাজে বাধা দেন এবং উনারা একে অপরের সাথে উত্তম ব্যবহার করেন। সুবহানাল্লাহ!
অন্যদিকে আমরা মদ খাই, ব্যভিচার করি, নিষিদ্ধ কাজে মত্ত হই, চুক্তি ভঙ্গ করি, অন্যায় ও অত্যাচার করি, আমাদের সৃষ্টিকর্তাকে রাগান্বিত করে এমন কাজে উৎসাহ দেই, আর যা তাকে সন্তুষ্ট করে তাতে বাধা প্রদান করি এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে বেড়াই।” নাঊযুবিল্লাহ!
হিরাক্লিয়াস বললো, “তুমি সত্য বলেছো।”
জিহাদ উনার শেষ দিন তথা পবিত্র ১০ই রজবুল হারাম শরীফ যখন মুসলমানদের এবং খ্রিস্টানদের মাঝে কঠিন যুদ্ধ চলতে থাকলো। এমতাবস্থায় মুসলমানদের পশ্চাদভাগের ভারপ্রাপ্ত সেনাপতি হযরত ক্বায়েস ইবনে হুবাইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হঠাৎ এসে খ্রিষ্টানদেরকে ভীষণভাবে আক্রমণ করে বসলেন। উনার এই অতর্কিত আক্রমণের জন্য খ্রিস্টানরা মোটেই প্রস্তুত ছিলো না; সুতরাং আক্রমণের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে পশ্চাদপসরণ করতে লাগলো। ঐদিকে বূহ্যের মধ্যভাগ হতে হযরত সা‘ঈদ ইবনে যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও হযরত ক্বায়েস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সাথে যোগ দিলেন এবং শত্রুদেরকে পশ্চাদ্ধাবন করতে লাগলেন। দেখতে দেখতে রোমীয় খ্রিস্টানদের মৃতদেহ রণভূমি পরিপূর্ণ হয়ে গেলো। মুসলমানগণ জিহাদের ময়দান সংলগ্ন খালের দিকে ধাওয়া করলেন। অল্পক্ষনের মধ্যেই খালটি মৃতদেহে ভরে গেলো। অগণিত শত্রুর দ্বারা পরিবেষ্টিত যুদ্ধক্ষেত্র অতি অল্প সময়ের মধ্যে শূন্য হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানরা বিজয়ের তাকবীর ধ্বনি দিতে থাকলেন। সুবহানাল্লাহ!
মুসলমানগণ ইয়ারমুকের জিহাদ মুবারক-এ ১ লাখের চেয়েও অধিক খ্রিস্টানদেরকে কচুকাটা করে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেন। আর মুসলমানদের মধ্যে ৩ হাজার জন শাহাদাত মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! আর উনাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আছ ছানী সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আলী আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! তিনি এই জিহাদ মুবারক-এ প্রচন্ড লড়াই করে অনেক কাফেরকে হত্যা করে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেন। অতঃপর তিনি এই সম্মানিত জিহাদ উনার শেষ দিন মহাসম্মানিত ১০ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ জিহাদের ময়দানেই মহাসম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلْاِمَامُ ابْنُ ذِى النُّوْرِ اَلْاَوَّلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عَلِىُّ بْنُ اَبِـى الْعَاصِ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ) قُتِلَ يَوْمَ الْيَـرْمُوْكِ
অর্থ: “(সিবতু রসূল আছ ছানী) হযরত ইমাম আলী আলাইহিস সালাম তিনি ইয়ারমুকের জিহাদ মুবারক-এ সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত আবূ উবাইদা ইবনে জাররাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হযরত হুযায়ফা ইবনে ইয়ামেন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল খলীফা উনার দরবারে বিজয় সংবাদ প্রদানের জন্য প্রেরণ করলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ জিহাদের খবরের জন্য খাওয়া-দাওয়া ও ঘুম ত্যাগ করে অপেক্ষা করতেছিলেন। বিজয়ের সংবাদ পাওয়া মাত্র তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সিজদা করে শুকরিয়া আদায় করলেন। সুবহানাল্লাহ!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ ইবনে ছিদ্দীক্ব।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, জান্নাতী ইমাম, সাইয়্যিদুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহনাওয়াসা আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের বছর, মাস, তারীখ, বার, ঘণ্টা, নিমিট এবং সেকেন্ডসহ বর্ণনা মুবারক
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এক নযরে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন (২) (একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা)
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ আযীমুশ শান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ- আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রগ্বাইব শরীফ
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্পর্কে সর্বোত্তম বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণ
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
খাজা আবূ ত্বালিব উনার পবিত্র বিছাল শরীফ
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল ফযীলত মুবারক
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বিবলা মুবারক পরিবর্তন
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এক নযরে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সুলত্বানুল হিন্দ, হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












