SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পাত্র:%' OR titleBn LIKE '%পাত্র:%' OR descriptionEn LIKE '%পাত্র:%' OR descriptionBn LIKE '%পাত্র:%' OR slug LIKE '%পাত্র:%' OR metaTag LIKE '%পাত্র:%' OR metaDescription LIKE '%পাত্র:%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইরানে সেলজুক মৃৎপাত্র:
আব্বাসীয় শাসনপর্বের অষ্টম-দশম শতাব্দীতে মৃৎপাত্র ও টাইলসের বিভিন্ন প্রকারের ক্ষেত্রে যে বিকাশ ঘটেছিলো মেসোপটেমিয়া ও ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রসমূহে তা পরবর্তী যুগপর্বে ভিন্ন ভিন্ন শাখা-প্রশাখায় পল্লবিত হয়ে নান্দনিক শিল্পে এক অভাবনীয় বিপ্লব সাধন করেছিলো। আর এরই ধারাবাহিকতায় সেলজুক তুর্কিদের ইরান বিজয় ইসলামী শিল্পকলার বিকাশ ও পুষ্টকরণে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলো।
একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দীর সেলজুক সুলতানগণ শিল্প, বিশেষ করে নান্দনিক শিল্পের বিরাট পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তারা তাদের দরবারে যেমন মার্ভ, নিশাপà§ বাকি অংশ পড়ুন...
নিশাপুরের অনেক ধরনের রঞ্জিত মৃৎপাত্র সমরকন্দেও প্রচলিত আছে। লিপিমালাসহ সাদা-কালো রঙে চিত্রিত মৃৎপাত্র এই দুই প্রদেশে তৈরি করা হয়ে থাকে যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া নিশাপুর ও সমরকন্দে এমন এক জাতীয় মৃৎপাত্র ব্যবহৃত হয়ে থাকে যার অলঙ্করণ প্রক্রিয়ায় শুভ্র পটভূমির ওপর পিঙ্গল বর্ণের, জলপাই-সবুজ এবং ইট-লাল রঙের ব্যবহার করে পাত্রের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নিশাপুর ও সমরকন্দে প্রাপ্ত মৃন্ময়পাত্রের অলঙ্করণের ক্ষেত্রে আর একটি অভিনবত্ব হলো যে, বিভিন্ন রঙের যেমন হলদে, পীত অথবা ইট-লাল রঙের পটভূমিতে সরু রঞ্জিত সলাকায় অলঙ্করণ à বাকি অংশ পড়ুন...
খোদাই অলঙ্করণ ও রঙ্গিন ঔজ্জ্বল্যের মৃৎপাত্র:
প্রাথমিক ইসলামী মৃন্ময়পাত্রের অলঙ্করণ সরু কাঠির মাধ্যমে খোদাই করে স্বচ্ছ ও ঔজ্জ্বল্য তামার প্রলেপ দিয়ে মোহনীয় করে তোলা হয়েছে। এরূপভাবে অলঙ্কৃত পাত্রাদি মৃৎপাত্র হিসেবে অভিহিত করা হয় এবং এগুলোর বাণিজ্যিক সম্পূর্ণটাই সবুজ অথবা হালকা পীতবর্ণ যার ওপর ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে অন্যান্য রং। যেমন সবুজ ও পিঙ্গলবর্ণ অথবা হলদে-সবুজ এবং বেগুনে রং বিশেষ। এরূপ সহজতর খোদাই অলঙ্করণ বিভিন্ন কালপর্বে ও অনেক দেশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মৃৎপাত্র বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভাজিত হতে পারে। যার সর্বপ্রথম বিভাজঠবাকি অংশ পড়ুন...
(গত ২১ যিলহজ্জ শরীফের পর)
পদ্ধতি সম্মতভাবে উৎখননের অভাবে প্রাথমিক ইসলামী যুগের মৃৎপাত্রের শ্রেণি বিন্যাস ও তারিখ নির্ণয়করণ কষ্টসাধ্য বলে মনে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব প্রতœউপকরণ ব্যবসায়ী কর্তৃক সরবরাহ করায় প্রকৃত প্রাপ্তিস্থল অজানা রয়ে যায় এবং অনুমান ভিত্তিক প্রতœস্থল লিপিবদ্ধ করা হয়। ফলে এগুলোর সময় বা তারিখ বিভাজন সম্পর্কে প্রশ্ন ওঠে।
এগুলোকে অলঙ্করণ মটিফের সাদৃশ্য বিবেচনায় অষ্টম শতাব্দীর মৃৎপাত্র বলে মত প্রকাশ করেছেন। অথচ এগুলোর প্যাটার্ন ও মটিফ পরবর্তী যুগেও পরিদৃষ্ট হয়। এই সংক্ষিপ্ত ভূমিকার পর অষ্টম-দশম শতাব্দà বাকি অংশ পড়ুন...












