SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%নামাযের%' OR titleBn LIKE '%নামাযের%' OR descriptionEn LIKE '%নামাযের%' OR descriptionBn LIKE '%নামাযের%' OR slug LIKE '%নামাযের%' OR metaTag LIKE '%নামাযের%' OR metaDescription LIKE '%নামাযের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রুকূ উনার সুন্নতসমূহ
১. রুকূ করার শুরু থেকে তাকবীর বলা শুরু করে পূর্ণ রুকূ’তে গিয়ে শেষ করা।
২. রুকূ অবস্থায় কমপক্ষে তিনবার “সুবহানা রব্বিইয়াল ‘আযীম: বলা। আর ইমামের জন্য কমপক্ষে পাঁচবার বলা সুন্নত।
৩. হাঁটুদ্বয়, হস্তদ্বয় দ্বারা ধরবে। পুরুষেরা অঙ্গুলিসমূহ ফাঁক করে রাখবে। আর মেয়েরা হাঁটুর উপর হাত রাখবে, কিন্তু হাঁটু ধরবে না।
৪. হাঁটুদ্বয় সোজাভাবে রাখবে।
৫. মাথা, পিঠ ও নিতম্বের পিছন পার্শ্ব সোজা করে রাখবে।
৬. রুকূ’ হতে ইমাম ও একা নামাযী “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে উঠবে এবং পুরোপুরি খাড়া হবে ও মাথা সোজা করবে।
৭. মুক্তাদী ও একা বাকি অংশ পড়ুন...
দু’জন থেকে খিলাফত লাভ:
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে বড় হুযূর কিবলা অর্থাৎ ফুরফুরা শরীফের তৎকালীন গদীনশীন পীর, কাইয়ূমে যামান, হযরত মাওলানা আবদুল হাই ছিদ্দিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও সম্মানিত খিলাফত মুবারক দিয়েছিলেন। তবে উনার প্রধান মুর্শিদ কিবলা ছিলেন হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। সেজন্যই পবিত্র শাজরা শরীফে উনার মুর্শিদ কিবলা দু’জন দেখানো হয়েছে। হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনিও উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত করতেন।
হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনি ঢাকা মিরপু বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৯ হিজরী শরীফ উনার পহেলা মুর্হারমুল হারাম শরীফ ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি কোন্ স্থান মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় শা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা:
স্বয়ং যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দায়িমী ক্বিবলা হচ্ছেন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি দায়িমীভাবে উনার প্রতি রুজু হয়ে রয়েছেন এবং উনার মুহব্বত মুবারক-এ ফানা হয়ে উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন, উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আগামী ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা তথা পবিত্র কুরবানীর ঈদ।
দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম ঈদের নামায রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ!
রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে উক্ত নামায অনুষ্ঠিত হবে। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আগামী ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা তথা পবিত্র কুরবানীর ঈদ।
দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম ঈদের নামায রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ!
রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে উক্ত নামায অনুষ্ঠিত হবে। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...












