SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%নামাযের%' OR titleBn LIKE '%নামাযের%' OR descriptionEn LIKE '%নামাযের%' OR descriptionBn LIKE '%নামাযের%' OR slug LIKE '%নামাযের%' OR metaTag LIKE '%নামাযের%' OR metaDescription LIKE '%নামাযের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ত্বাহারাত কী:
ত্বাহারাত (طَهَارَةٌ) শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পবিত্রতা, পবিশুদ্ধতা। আর এর বিপরীত শব্দ হলো নাজাসাত (نَجَاسَةٌ)-এরঅর্থ হলো অপবিত্রতা। এখানে ত্বাহারাত বলতে জাহেরী, বাতেনী উভয় প্রকার পবিত্রতাকেই বুঝানো হয়েছে। কোন মুসলমানের জন্য প্রথম কাজ হলো আক্বীদা শুদ্ধ করে পরিপূর্ণভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক হুকুমের আনুগত্য প্রকাশ করা। আর এজন্য প্রয়োজন হলো হিংসা, অহংকার, মোহ, কাম-ক্রোধ ইত্যাদি বাতেনী না বাকি অংশ পড়ুন...
অসংখ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ শরীফ প্রতিষ্ঠা করেছেন। যাত্রাবাড়ীতে মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকা শরীফ প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকার পাগলা বাজারের সন্নিকটে একটি বিরাট মহল্লা তিনিই নামকরণ করেছেন “শাহী মহল্লা” হিসেবে। সেখানে তিনি সাধারণ কবরস্থান, মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এখানে মসজিদ সংলগ্ন উনার পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার মাযার শরীফও এই পারি বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ বা আত্তাহিয়্যাতু
اَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّـبَاتُ. اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ اَيُّـهَا النَّبِىُّ وَرَحْـمَةُ اللهِ وَبَـرَكَاتُهٗ. اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِـحِيْنَ. اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُـحَمَّدًا عَـبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ.
অর্থ : সমস্ত সম্মান, সর্বপ্রকার মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ইবাদত এবং সমস্ত পবিত্র বিষয় মহান আল্লাহ তায়ালা উনারই জন্য। হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার উপর শান্তি, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার বরকত বর্ষিত হোক এবং (আপনার উসীলায়) আমাদের ও মহান আ বাকি অংশ পড়ুন...
ওয়াজ নছীহত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বিভিন্ন সময় অনেক সূক্ষ¥ বিষয়ে আলোচনা করতেন। যেমন একবার তিনি উল্লেখ করেন- পবিত্র হাদীছ শরীফে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই মর্মে ইরশাদ মুবারক করেন- “তিনটি জিনিষ আমার নিকট প্রিয় করা হয়েছে- “স্ত্রীলোক, সুগন্ধী এবং নামাযের মধ্যে চোখের শীতলতা।”
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যা এভাবে করেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসস বাকি অংশ পড়ুন...
‘ছলাতুল খওফ’ উনার হুকুম আহকাম নাযিল:
পবিত্র ছলাতুল খওফ উনার হুকুম-আহকাম নাযিল হয়- মহাসম্মানিত ৫৯তম বৎসর মুবারকে। অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত এবং রিসালত মুবারক প্রকাশের ১৯তম বছর, সম্মানিত হিজরত মুবারকের ৬ষ্ঠ তম বছর। সুবহানাল্লাহ!
কাফির মুশরিক তথা শত্রুদের সামনে শহীদ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকা সত্ত্বেও পবিত্র নামায ও জামায়াত মাফ নয়। পবিত্র নামাযের এতো গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নাস শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৬
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّحِيْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ مَلِكِ النَّاسِ ۙ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ لا الْـخَنَّاسِ ۙ الَّذِىْ يُوَسْوِسُ فِىْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ مِنَ الـجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۟
ছহীহ তরজমা : আপনি বলুন, আমি মানুষের রব বা প্রতিপালক উনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। যিনি মানুষের মালিক বা অধিপতি। যিনি মানুষের ইলাহ বা মা’বূদ। খন্নাস বা শয়তানের ওয়াসওয়াসার বুরায়ী বা অনিষ্টতা থেকে। যে মানুষের ছুদূর বা অন্তরে ওয়াসওয়াসা দেয়। জিন ও ইনসান থেকে।
পবিত্র সূরা ক্বদর শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৫
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়বে না, তার নামায হবে না। বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত উক্ত হাদীছ শরীফ উনার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে কেউ কেউ বলে থাকে যে, ইমামের পিছনে মুক্তাদীকেও সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করতে হবে। ইহা কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব: (৪র্থ অংশ)
উছূল হলো: কোন হাদীছ শরীফ উনার হুকুম যদি সেই হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা নির্দিষ্ট করা না যায় তবে অন্য হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা হুকুম নির্দিষ্ট করতে হয়। আর যদি উক্ত হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনাকারী থেকে ব্যাখ্যা পাওয়া যায় তবে উক্ত ব্যাখ্যাকে গ্রহণ করতে হয়। হাদীছ শরীফ উনার উপর আমল করার উল্লেখিত দু’টি নিয়মের বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নছর শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৩
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّحِيْمِ
اِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ ۙ وَرَاَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُوْنَ فِىْ دِيْنِ اللهِ اَفْـوَاجًا ۙ فَسَبِّحْ بِـحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ ط اِنَّهٗ كَانَ تَـوَّابًا ۟
ছহীহ তরজমা : খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য এবং বিজয় যখন আসবে। এবং আপনি তখন দেখবেন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দ্বীনে মানুষ দলে দলে প্রবেশ করবে। আপনি আপনার মহান রব তায়ালা উনার প্রশংসা মুবারক করার সাথে তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা করুন অর্থাৎ করতে বলুন এবং উনার নিকট উম্মতের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয়ই বাকি অংশ পড়ুন...
আহার করার ক্ষেত্রে চাকু, ছুরি, চামচ ইত্যাদির ব্যবহার:
ছুরি/চাকু বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন: গোশত, মাছ, ফলমূল, সবজিসহ ইত্যাদি খাবার কাঁটার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেকের হয়তো জানা নেই যে, ছুরি বা চাকু ব্যবহার করাও খাছ সুন্নত মুবারক। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই মহাসম্মানিত আহার মুবারক করার ক্ষেত্রে ছুরি/চাকু ব্যবহার করেছেন।
হাতে পানাহার করা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সুন্নত মুবারক। তবে পানাহা বাকি অংশ পড়ুন...
সৌর সন বা ক্যালেন্ডার হচ্ছে- যেখানে দিন, সপ্তাহ, মাসের সমন্বয়ে একটি বছরের সকল তারিখ উল্লেখ থাকে। কিন্তু বছর গণনা করা হয় সূর্যের সাপেক্ষে পৃথিবীর ঘূর্ণন অনুযায়ী।
মুসলমানগণ পূর্ব থেকেই হিজরী সন ব্যবহার করে আসছে। আর হিজরী সন গণনা করা হয় পৃথিবীর চারপাশে চাঁদের আবর্তনের সাপেক্ষে। হিজরী সন ব্যবহার করা (অর্থাৎ চন্দ্র মাস গণনা করা) খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সৌর সন ব্যবহার করাও শরীয়তসম্মত। বর্তমানে মানুষ যেহেতু খ্রিষ্টাব্দ সনে অভ্যস্ত তাই মুসলমানদের জন্য, মুসলমান রচিত একটি সৌর সনের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। কারণ মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...












