মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَـلَنْ تَـجِدَ لِسُنَّتِ اللهِ تَـبْدِيْلًا ۖ وَلَنْ تَـجِدَ لِسُنَّتِ اللهِ تَحْوِيلًا
অর্থ: “আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বা হুকুম মুবারক উনার কখনও পরিবর্তন পাবেন না এবং মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বা হুকুম মুবারকে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৩)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনারও কোন পরিবর্তন, কোন রকম বিচ্যুতি পাওয়া যাবে না। কারণ তিনি পবিত্র ওহ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে নিজেকে চিনেছে সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে চিনেছে। নিজেকে সে তখনই চিনবে যখন নিজের মা সম্পর্কে জানবে। আর নিজের মা সম্পর্কে তার তখনই জানা পূর্ণ হবে যখন সে মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আওওয়াবীন উনার ওয়াক্ত :
যা মাগরিব নামাযের ফরয ও সুন্নত পড়ার পরই আদায় করতে হয়।
পবিত্র ইশরাক উনার ওয়াক্ত :
সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পরেই অর্থাৎ সূর্য এক নেজা বা ছয় হাত পরিমাণ উঠার পর হতে পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত পবিত্র ইশরাক নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র দ্বুহা বা চাশত উনার ওয়াক্ত :
ইশরাক ওয়াক্তের পর হতে সূর্য ঢলার পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র যাওয়াল উনার ওয়াক্ত :
সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যোহর ওয়াক্ত হওয়ার পর যোহর নামায আদায় করার পূর্বেই পবিত্র যাওয়াল উনার নামায আদায় করতে হয়।
পবিত্র নামা বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ জন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবি‘আহ্ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আস সাবি‘আহ্ অর্থাৎ সপ্তম’ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক (সৃষ্টি মুবারক) করার পর থেকেই উনার প্রতি সম্মানিত ছলাত মুবারক পেশ করা শুরু করেছেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কুদরত মুবারক-এ ছিলেন। আর কেউ ছিলো না। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: “হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা ক বাকি অংশ পড়ুন...
১। উনারা কোনো সৃষ্টির মত নন।
২। উনাদের মুবারক শানে কটূক্তিকারীরা লা’নতগ্রস্ত।
৩। উনাদের মুবারক শানে কটূক্তিকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাকি অংশ পড়ুন...
পরিণত বয়সে:
এক বর্ণনা মতে, তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতের শেষ পর্যন্ত বছরার গভর্ণরের দায়িত্ব পালন করেন এবং হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার খিলাফতের সূচনাতে তিনি মক্কা শরীফে চলে যান এবং নির্জনে বসবাস করতে থাকেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সিবতু রসূল আল খমিস, হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম) তিনি কুফাবাসীদের আমন্ত্রণে যখন পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে পবিত্র মক্কা শরীফ হয়ে কুফায় রওয়ানা হচ্ছিলেন, ত বাকি অংশ পড়ুন...
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা:
রাজনৈতিক কারণে অচল হয়ে পড়ে আছে ঝিনাইদহের সম্ভাবনাময় খাবার স্যালাইন কারখানা। প্রতিষ্ঠার পর দেড়যুগ পেরোলেও উৎপাদন শুরু হয়নি। অযতœ-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে স্যালাইন তৈরির কোটি টাকা মূল্যের সরঞ্জাম। আধুনিক ভবনটিতে এখন চলে টিকাদান কার্যক্রম। এতে জেলার হাসপাতালগুলোতে খাবার স্যালাইনের চাহিদা মেটাতে ভরসা করতে হচ্ছে যশোর ও বগুড়ার কারখানা। ফলে বাড়ছে আমদানি খরচ ও ভোগান্তি।
অভিযোগ রয়েছে, ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে নির্মাণ হওয়ায় প্রায় ১৮ বছরেও কারখানাটি চালু হয়নি। রাজনৈতিক বিদ্বেষে প্রকল্পটি সামনে এগোত বাকি অংশ পড়ুন...
পটুয়াখালী সংবাদদাতা:
কলাপাড়ায় কিস্তির টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি এনজিও সংস্থা কোডেকের কর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে ৫ টার দিকে উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের গ-ামারী গ্রামে ভুক্তভোগী খাইরুন বেগমের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বর্তমানে কলাপাড়া হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী জানা যায়, পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা খাইরুন বেগমকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে, কিল-ঘুষি ও তলপ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর আরোপিত জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং ইতোমধ্যে তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) জাতীয় সংসদে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর আরোপিত জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং ইতোমধ্যে তুলে নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত করতে দু'দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
কুমিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিনের চর্চা ও প্রথা ভেঙে এবার জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিশেষ সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস করা হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) জাতীয় সংসদে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান ‘দি মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অলাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বিলটি পাস হওয়ার ফলে ১৯৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট আদেশের আর্টিকেল থ্রি-সি বিলুপ্ত হলো। যা সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির আইনি অধিকার দিয়ে থাকত।
বিলটি বাকি অংশ পড়ুন...












