SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দেওবন্দীদের%' OR titleBn LIKE '%দেওবন্দীদের%' OR descriptionEn LIKE '%দেওবন্দীদের%' OR descriptionBn LIKE '%দেওবন্দীদের%' OR slug LIKE '%দেওবন্দীদের%' OR metaTag LIKE '%দেওবন্দীদের%' OR metaDescription LIKE '%দেওবন্দীদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সুওয়াল:
ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা কাশিম নানুতুবীর লিখিত ‘তাহযীরুন নাস” কিতাবের ২৫ পৃষ্ঠায় লিখিত আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আগে বা সর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযীলত নেই। উনার পরে যদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও উনার খতমে নবুওয়াতের কোনরূপ বেশ-কম হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
উক্ত বক্তব্য শরীয়তসম্মত হয়েছে কিনা, দলীলসহ জানতে চাই।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
উক্ত বক্তব্য সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার সম্পূর্ণরূপে খিলাফ বা বিরোধী হওয়ার কারণে কাট্টা কুফরী হয়েছে।
উল্লেখ্য, আহলে সুন্ বাকি অংশ পড়ুন...
হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে দেওবন্দীদের বক্তব্য:
দেওবন্দী মৌলবী “আনওয়ার শাহ কাশ্মীরীর” বক্তব্য-
الانبياء فى قبورهم يصلون معناه ارواح الانبياء عليهم السلام ليست بمعطلة عن العبادات الطيبة والافعال الـمباركة بل هم مشغولون فى قبورهم ايضا كما كانوا مشغولين حين حياتهم فى صلوة وحج وكذلك حال تابعهم على قدر الـمراتب.
অর্থ: “হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা উনাদের রওযা শরীফসমূহে পবিত্র নামায পড়েন। ” এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অর্থ এই যে, হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র রূহসমূহ ইবাদত বন্দেগী এবং বরকতময় কাজসমূহ হতে কর্মহীন বা অকেজো হন না। বরং উনারা উনাদের রওযা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
প্রতিদিনের ন্যায় পবিত্র সুন্নতী জামে মসজিদে অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াদ শরীফ উনার সম্মানে অনন্তকালব্যাপী মাহফিল মুবারক ও ৯০ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল মুবারক অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৭ই মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪৭ হিজরী সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত মুরশিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বাদ ইশা কুল কায়িনাতের সকলের উদ্দেশ্যে বিশেষ নছীহত মুবারক করেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলতানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আজকে ৬ষ্ঠ দিনতো হয়ে গেলো। সামনে থেকে প্রতিযোগিতার তালিমে মজলিশে তাশাহুদ শরীফ, দুয়া মাছুরা, দরুদ শরী বাকি অংশ পড়ুন...
৫. ফিক্বাহের কিতাব থেকে দলীল:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
হযরত শায়েখ আবিদ সিন্দী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
تمام روايات سے ثابت هوا كه علماء ومشاءخ اور ديني شرف ركهنے والے حضرات كي دست بوسي بلكه قدم بوسي نيز پيشاني وغيره پر بوسه دينا سنت اور تعامل صحابه وتابعين سے بلا كسي نكير كے ثابت هے
অর্থ : পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সকল বর্ণনা মুবারক দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, আলিম-উলামা, পীর-মাশায়িখ এবং দ্বীনদার ব্যক্তি উনাদের সম্মানিত দস্তবুছী এবং সম্মানিত ক্বদমবুছী মুবারক (পা চুম্বন), এমনকি কপালে অন্যান্য জায়গায় দেয়াও সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
আজ থেকে ১০০ বছর আগেও পবিত্র মক্কা শরীফ-মদীনা শরীফের ইমাম-খতীবগণ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত জওক শওকের সাথে পালন করতেন এবং কেউ তার বিরুদ্ধে বললে তাকে মুনাফিক, কাফির বলে ফতওয়া দিতেন।
শুধু তাই নয়, আজ থেকে ১০০ বছর আগে দেওবন্দীদের কেন্দ্রীয় আলিমগণও পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতেন এবং এ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করলে বিনা হিসেবে জান্নাতে যাওয়ার কারণ বলে ফতওয়া দিয়েছেন। এসব দুর্লভ দলিলসমূহ একত্রে একটি বইতে পাওয়া যায়। বইটির না বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ বুলন্দ মুবারক উনার মধ্যে একখানা শান মুবারক হচ্ছেন- তিনি হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
বাতিল বাহাত্তর ফিরক্বার লোকেরা উনার মুবারক শানে চূ-চেরা, কিল-কাল করে থাকে কম জ্ঞান, কম বুঝের কারণে। কিছু মাল’উন আছে ইচ্ছাকৃতভাবে উনার হায়াতুন নবী, হাজির-নাজির, মুত্ত্বলা আলাল গইব ইত্যাদি বুলন্দী শান মুবারক নিয়ে চূ-চেরা করে থাকে। উদ্দেশ্য কি করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক খাটো করা যায়। নাঊ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ
অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: ১০৭)
সমগ্র জগতে রহমত হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনাকে রহমত হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ثُمَّ تَوَلَّيْتُم مِّن بَعْدِ ذَٰلِكَۖ فَلَوْلَا فَضْلُ اللّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُ لَكُنتُم مِّنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ: তারপরেও তোমরা বাকি অংশ পড়ুন...
হিন্দু সন্ত্রাসীদের খাচায় বন্দি পাখি ‘কাশ্মীর’:
কাশ্মিরীদের স্বাধীনতা আন্দোলন কতটা তীব্র আকার ধারণ করেছে সেটা বুঝানোর জন্য ভারতীয় সাহিত্যিক অরুন্ধতি রায় লন্ডনের দৈনিক গার্ডিয়ানে কয়েক বছর আগে একটা নিবন্ধ লিখেছিলো।
অরুন্ধতি রায় লিখেছে- গত ১৫ই আগষ্ট ছিল ভারতের স্বাধীনতা দিবস। সেদিন শ্রীনগরের কেন্দ্রস্থল লালা চক দখলে নিয়েছিলো বিশাল জনসমুদ্র। তারা আওয়াজ তুলছিলো ‘জিয়ে জিয়ে পাকিস্তান’। অর্থাৎ পাকিস্তান জিন্দাবাদ। স্লোগান তুলছিলো, ‘হাম কিয়া চাহতে হেঁ?’ (আমরা কি চাই?) জনতার মুখে জবাব ছিলো, ‘আযাদী’ (স্বাধীনতা)। জিজ্ঞাসার সুর বাকি অংশ পড়ুন...
কাশ্মীরের পরাধীনতার কষ্ট এবং দেওবন্দী রাজাকারদের মুখোশ উন্মোচন:
কাশ্মীর নিয়ে আমি ইতিহাস লিখতে বসিনি, ইতিহাস বললে বহু বলা যাবে। এ যাবত এ নিয়ে অনেক ইতিহাস গ্রন্থও রচনা হয়ে গেছে। আমরা অনেক চোখের পানিও ফেলেছি এই কাশ্মীরকে নিয়ে। কিন্তু আমরা যারা এই কাশ্মীর নিয়ে চোখের পানি ফেলি তারা কি কখনো অনুধাবন করেছি, কাশ্মীরিদের পরাধীনতার পেছনে কারণটা কি???
আমরা নিজেরাই কি চেয়েছি, কাশ্মীরের মুসলমানরা স্বাধীন হোক? নাকি নিজ স্বার্থের জন্য মুসলিম ভাইদের ঠেলে দিয়েছি হিন্দু হায়েনাদের মুখে?
তাই কাশ্মীরি মুসলমানদের স্বাধীনতা ও সেই কুখ্যাত রাজাক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী দেওবন্দী-খারেজীদের নারী নিয়ে মাখামাখি:মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফের সূরা নূর শরীফে ও সূরা নিসা শরীফে এবং সূরা আহযাব শরীফের মাধ্যমে ‘পর্দাকে ফরয করে দিয়েছেন। এই সূরা শরীফসমূহে শুধু মহিলাদের পর্দাকে ফরয করা হয়নি, পুরুষদের পর্দাকেও ফরয করা হয়েছে। একজন বেগানা পুরুষ কর্তৃক একজন বেগানা মহিলাকে দেখা যেমন হারাম, তেমনি একজন বেগানা মহিলা কর্তৃক একজন বেগানা পুরুষকে দেখা হারাম করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফে আছে, ‘অনিচ্ছাকৃত প্রথম দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে, কিন্তু তারপর প্রতি দৃষ্টিতে একটি করে কবীরা গুনাহ লেখা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী দেওবন্দী-খারেজীদের নারী নিয়ে মাখামাখি:
এদেশের দেওবন্দী গ্রুপ কথিত হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফার ৪র্থ দফা হচ্ছে-
বেহায়া-বেপর্দা বন্ধ করতে হবে, এবং প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ করতে হবে। কিন্তু হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রকাশ্যেই বিভিন্ন নারী নেতৃত্বের সাথে মিটিং করেছে, বেপর্দা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা নিজেরাই কি নিজেদের নীতি ভাঙ্গছে না?
(১) প্রথমেই আসুন, হেকারতে ইসলামের প্রধান আহমক শফী, যে নারীদের তেতুল বলে আখ্যায়িত করেছে সে কি করেছে: সে নিজেই বলেছে, নারী মানেই তেতুল এবং তেতুল দেখলে মুখে পানি আসবেই। কিন্তু বাকি অংশ পড়ুন...
(৭) দেওবন্দের বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথি হিন্দু যোগী ঠাকুর:
দারুল উলুম দেওবন্দের ২৯ তম বার্ষিক সভার প্রধান অতিথি হয় মুসলিম বিদ্বেষী রবি শঙ্কর, (http://goo.gl/UHwtvS)
৩০ তম সভার প্রধান অতিধি হয় ঠাকুর রামদেব। (goo.gl/qWbm5e)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে আছে ‘মুশরিকরা নাপাক’। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা কুরআন শরীফের দোহাই দিয়ে চলে তারাই হিন্দুদের প্রধান অতিথি বানায়, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে।
মনে রাখবেন, প্রত্যেকে সমগোত্রীয়দের সাথে চলে, কুকুর চলে কুকুরের সাথে, ছাগল চলে ছাগলের সাথে। কুকুরকে কখনো ছাগলের সাথে আর ছাগলকে কখনো কুকুরের সাথে ঘুরতে দেখবেন না। তেমন বাকি অংশ পড়ুন...












