ক্বদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক শরীয়তের ফতওয়া অনুযায়ী ক্বদমবুছী নেয়া বা করার জন্য অনুমতি দান করা আখাছ্ছুল খাছ সুন্নত মুবারক:
, ১৭ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
৫. ফিক্বাহের কিতাব থেকে দলীল:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
হযরত শায়েখ আবিদ সিন্দী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
تمام روايات سے ثابت هوا كه علماء ومشاءخ اور ديني شرف ركهنے والے حضرات كي دست بوسي بلكه قدم بوسي نيز پيشاني وغيره پر بوسه دينا سنت اور تعامل صحابه وتابعين سے بلا كسي نكير كے ثابت هے
অর্থ : পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সকল বর্ণনা মুবারক দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, আলিম-উলামা, পীর-মাশায়িখ এবং দ্বীনদার ব্যক্তি উনাদের সম্মানিত দস্তবুছী এবং সম্মানিত ক্বদমবুছী মুবারক (পা চুম্বন), এমনকি কপালে অন্যান্য জায়গায় দেয়াও সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুম, হযরত তাবে‘য়ীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের আমল হিসেবে বিনা প্রশ্নে প্রমাণিত। সুবহানাল্লাহ! (আল কারামাতু ওয়াত্ব তাক্ববীল)
দেওবন্দীদের মুফতী শফী ‘জাওয়াহিরুল ফিক্বাহার ১ম খ-ের ২০২ পৃষ্ঠায় বলেছে,
پسی مختصر بات یھی ہے کہ سنت رسول اللہ صلی اللہ علیہ و سلم اور تعامل صحابہ مین اس کی حوحد منقول ہے اسکی اسی حدپر رکہا جاءے-تو بلا شبہ دست بوسی قدم بوسی معانقہ مصافحہ سب جائز بلکہ سنت ومستحب ھی
অর্থ : সুতরাং সংক্ষিপ্ত কথা হলো- পবিত্র হাদীছ শরীফ এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের আমল মুবারক দ্বারা সম্মানিত ক্বদমবুছী মুবারক উনার যে সীমা বর্ণনা করা হয়েছে, আমাদেরকে এই সীমার মধ্যেই থাকা উচিত। নিঃসন্দেহে সম্মানিত দস্তবুছী মুবারক, সম্মানিত ক্বদমবুছী মুবারক, মু‘য়ানাক্বাহ্, মুছাফাহাহ্ সবই জায়িয; বরং সম্মানিত সুন্নত মুবারক এবং মুস্তাহাব। সুবহানাল্লাহ!
অনুরূপ ফতওয়া দেওবন্দীদের গুরু থানবী, মাহমূদুল হাসান, আব্দুল হাই লাখনবী, রশীদ আহমদ গাঙ্গুহীসহ আরো অনেকে তাদের কিতাবে দিয়েছে।
উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার শরাহ্, ফিক্বাহ এবং ফতওয়াসহ নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের দলীল দ্বারা এটাই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, ক্বদমবুছী করা বা নেয়া জায়েয তো অবশ্যই; বরং আখাছ্ছুল খাছ সুন্নত মুবারক, সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম, সুন্নতে ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। সুবহানাল্লাহ! বিশেষ করে মুর্শিদ ক্বিবলা উনাকে ক্বদমবুছী করা আখাছ্ছুল খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে স্বীয় শায়েখ উনাকে কদমবুছী করা।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে সেই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক দায়িমীভাবে অনন্তকাল যাবৎ পালন করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (১)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন-
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন খুলুকুন ‘আযীম উনার অধিকারী (৪)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রোযা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৯)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৪)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৮)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












