SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দাঁত%' OR titleBn LIKE '%দাঁত%' OR descriptionEn LIKE '%দাঁত%' OR descriptionBn LIKE '%দাঁত%' OR slug LIKE '%দাঁত%' OR metaTag LIKE '%দাঁত%' OR metaDescription LIKE '%দাঁত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আবু মারওয়ান আবদুল মালিক ইবনে আবীল আলা ইবনে যুহর (হিজরী ৪৮৭-৫৫৭; ১০৯৪-১১৬২ খ্রি.) ছিলেন আল আন্দালুসিয়ার বিশিষ্ট চিকিৎসক, শল্যবিদ ও কবি। তিনি ছিলেন ইবনে রুশদ ও ইবনে তুফাইলের সমসাময়িক।
কাফের-মুশরিকরা উনার নামকে বিকৃত করে ‘এভেনযোর’ হিসেবে প্রকাশ করে মুসলমান বিজ্ঞানী হিসেবে উনার অবদানকে আড়াল করার চেষ্টা করে থাকে।
উনাকে উনার সময়ে সেরা চিকিৎসক গণ্য করা হয়। উনার চিকিৎসার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল উনি খুব ভাল ঔষধ নির্বাচন করতে পারতেন, যা উনার অভিজ্ঞতার আলোকে করতেন। তিনি বিশেষ কিছু রোগের লক্ষণ ও তার প্রতিবিধান করে চিকিৎসা ও শল্যবিদ্যাকেও নতà§ বাকি অংশ পড়ুন...
শিয়ালের গোশত খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে হাঁপানি থেকে যৌনক্ষমতা নানা রোগের চিকিৎসা হয়, আবার জোঁকের তেল নাকি সারিয়ে দেয় বাত-ব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে এমন ভ্রান্ত বিশ্বাস। তবে এসব দাবির পেছনে ইসলামী ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা?
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে- শিয়ালের গোশত এবং তক্ষক খাওয়া হারাম (নিষিদ্ধ)।
শিয়াল দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। হাদীছ শরীফে তীক্ষè দাঁত ও নখরবিশিষ্ট সব হিংস্র ও শিকারী প্রাণীর গোশত খেতে স্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
কোনো রোগমুক্তি বা লোকম বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালোজিরার আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:
কালোজিরাকে সব রোগের ওষুধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালোজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিসরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালোজিরায় বিদ্যমান নাইজেল-এর কারণে হাঁপানী উপশম হয়। জার্মানী গবেষকরা বলেছে, কালো জিরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইকোটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরী বাড়িয়ে দেয়।
আমেরিকার গবেষকরা কালোজিরার টিউমারবিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেয়। শরীরে ক্যান্সার উৎপাদনকà বাকি অংশ পড়ুন...
বিজয় এবং আত্মগৌরব লুকিয়ে আছে স্পেনের ইতিহাসে। দেশটিতে ইসলামি স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে। এর অন্যতম কুরতুবা মসজিদ যা কর্ডোবা মসজিদ বা কর্ডোবা ক্যাথিড্রাল মসজিদ নামেও পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘দ্যা গ্রেট মেজিকিতা অব কর্ডোভা’ নামে অধিক পরিচিত। মসজিদকে স্প্যানিশ ভাষায় বলা হয় মেজিকিতা।
খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় হওয়ায় ১৯৮৪ সাল থেকে তারা মসজিদটিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রত্মতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে নাউযুবিল্লাহ!
ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের মতে, বিস্ময়কর à বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লিহান বা স্বর মুবারক نُوْرُ الْـمُنَوِّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুনাওওইর মুবারক
১৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গাল মুবারক نُوْرُ الْاَنْوَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আনওয়ার মুবারক
১৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁত মুবারক نُوْرُ اللهِ مُبَارَكٌ নূরুল্লাহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামাযের মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামাযের মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামাযের মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের কথা মনে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
গোলগাছ কিংবা গোলপাতা কোনোটিই গোল নয়। তাহলে এই গাছ ও পাতার অঙ্গে-সঙ্গে গোল শব্দটি যুক্ত হলো কীভাবে? সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুল অথবা ফলের নামানুসারে কোনো গাছ বা উদ্ভিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। গোলফল যখন ছড়িয়ে থাকে তখন দেখতে ঠিক পরিপাটি গোলগাল কাঁঠাল এবং কেয়া ফলের মতো।
মূলত ছড়ায়-ছড়ায় ঝুলতে থাকা চোখ-জুড়ানো এমন নান্দনিক দৃশ্যশিল্পের কারণেই অজানা সুপ্রাচীন কাল থেকে ফলটির নাম গোলফল। সেই অনুপাতে উদ্ভিদের নাম গোলগাছ এবং এর পাতার নাম গোলপাতা মানুষের মুখে-মুখে জারি হতে হতে আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে।
তবে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় গোলফঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সুয়েজ খাল অতিক্রম করে লোহিত সাগর থেকে ভূমধ্যসাগর দিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েলে অনুপ্রবেশ করতে পারে এমন ৩টি সম্ভাব্য ক্ষতিকারক মাছের প্রজাতি শনাক্ত করেছে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। সমুদ্রের পানি দ্রুত উত্তপ্ত হতে থাকায় প্রজাতিগুলো তাদের পুরনো আবাসস্থল ছেড়ে নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
‘দ্য জার্নাল অব অ্যানিমেল ইকোলজি’-তে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়, এই সম্ভাব্য ৩টি প্রজাতি হলো- স্টেলেট পাফার, সিনাবার গোটফিশ ও ইয়েলোস্পটেড ট্রেভ্যালি।
তবে এসব মা বাকি অংশ পড়ুন...












