SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দস্যু%' OR titleBn LIKE '%দস্যু%' OR descriptionEn LIKE '%দস্যু%' OR descriptionBn LIKE '%দস্যু%' OR slug LIKE '%দস্যু%' OR metaTag LIKE '%দস্যু%' OR metaDescription LIKE '%দস্যু%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ৬ মাস পূর্ণ হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করা ছিল সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কিন্তু সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জনপ্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগ-অস্বস্তি এখনও কাটেনি। খুনোখুনি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দস্যুতার মতো অপরাধ ঊর্ধ্বমুখী। ‘মব কালচার’ বা সংঘবদ্ধ দলবদ্ধ সহিংসতাও অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলবদ্ধ আক্রমণের শিকার হচ্ছে বাকি অংশ পড়ুন...
১) ইংরেজ নৌদস্যুদের লিডার ‘ক্লাইভ’ পলাশীর যুদ্ধ শেষে মীর জাফরের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার পাউন্ড আত্মসাৎ করে রাতারাতি ইংল্যান্ডের ধনীতে পরিণত হয়।” (সূত্র-পি. রবার্টস, হিস্টরী অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, পৃষ্ঠা ৩৮।)
২) ১৭৫৭ থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক বছরে শুধুমাত্র ইংরেজ কর্মচারীরাই লুট করেছিরো কমপক্ষে ৬২ লক্ষ ৬১ হাজার ১৬৫ পাউন্ড।’ (সূত্র- বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস, আব্বাস আলী খান, পৃষ্ঠা-৯৫)
৩) পলাশী যুদ্ধে শেষ হতে না হতেই লুণ্ঠিত হয়েছিল মুর্শিদাবাদের রাজকোষ। সার্জন ফোর্থের প্রদত্ত হিসেব মতে মণিমুক্তা হিরা জহরতের মূল্য বাদে শুধু ক বাকি অংশ পড়ুন...
প্রথম পর্যায়ে জোটে যোগ দিয়েছে বাহরাইন, বাংলাদেশ, কমোরোস, জিবুতি, মিসর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক ও ইয়েমেন।
সৌদি আরব কী ঘোষণা করেছে?
গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১৫টি দেশ একটি যৌথ ঘোষণায় সই করেছে। এর মধ্যে ১৩টি দেশ ইতোমধ্যে জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করেছে।
এর আগে গত ৩০ জুলাই সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স গঠনের ঘোষণা দেয়। এর লক্ষ্য হলো দেশগুলোর মধ্যে যৌথ সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্ বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
মাদকাসক্তরা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। মাদকের আগ্রাসন জীবনের সাথে পরিবার ও সমাজের সর্বনাশ ডেকে আনছে। বাড়ছে খুনোখুনি, সংঘাত-সহিংসতা। একদিনেই মহানগর ও জেলায় মাদককে কেন্দ্র করে তিনটি পৃথক ঘটনায় ছেলের হাতে দম্পতি, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর পিটুনিতে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদক কারবারি এবং মাদকের আস্তানায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় সাত পুলিশ সদস্য রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।
গত শনিবার দুপুর থেকে রাতে এই তিনটি ঘটনায় চট্টগ্রাম জুড়ে তোলপাড় চলছে। মাদক এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। মাদক কারবারিদের মধ্যে আধিপত্য বি বাকি অংশ পড়ুন...
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হই’ স্লোগানে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভূমিদখল, মাদক ব্যবসা, নারী নির্যাতন ও জবরদখলের ঘটনা ঘটছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষ আতঙ্ক ও অনিরাপত্তার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তারা বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের আশা-আকঙ্খার মাঝে ভূমিহীনদের স্বল্প লালিত ছিল দেশের সম্পদের উপর নিজেদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। দেশের গরিব, ভূমিহীন মানুষগুলো খাস জমি ও নীরাভূমির উপর তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলো। তাদের সে আশা-আকাঙ্খা স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও পূরণ হয়নি। শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলের ৬০ লাখ ভূমিহীন পরিবার দীর্ঘদিন থেকে বসতভিটার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৩ লাখ ১৬ হাজার একরের বেশি খাস জমি রয়েছে। এর অর্ধেকের বেশি জমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে। যার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحْيَةِ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন গোঁফ ছোট করার ও দাড়ি লম্বা করার। (দারহী কী শরয়ী হাইছিয়ত)
বাকি অংশ পড়ুন...
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার মেজবাউল ইসলামের হাতে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে দস্যুতা পরিত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেন তারা। এর মাধ্যমে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ করার সরকারি প্রত্যয় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এ সময় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, কোস্ট গার্ড, র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কোস্ট গার্ড জানায়, আত্মসমর্পণকালে জলদস্যুরা তাদের ব্যবহৃত মোট ২৭টি দেশি-বিদেশি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেন। এর পাশাপাশি ৩৪০ রাউ বাকি অংশ পড়ুন...
আলজেরিয়ার মুসলিমদের প্রতিরোধকে দমন করার জন্য এমন কোনো বর্বরতা ছিল না যা ফরাসি দস্যুরা করেনি। এমনকি তারা প্রতিরোধ যুদ্ধে শহীদ সেনাদের মর্যাদাপূর্ণ দাফনেরও সুযোগ দেয়নি। শহীদ যোদ্ধাদের মস্তক শিরচ্ছেদ করে আলজেরিয়ার সাধারণ জনগণের সামনে প্রদর্শন করা হতো, যাতে তারা আর বিদ্রোহ করার সাহস না পায়।
পাশাপাশি ফরাসী দস্যুরা মুসলিম যোদ্ধাদের মস্তক ছিন্ন করে বাক্স বন্দী করে "যুদ্ধের ট্রফি" হিসেবে প্যারিসে পাঠাতো। যার মাধ্যমে শাসকদের বার্তা দেওয়া হতো আফ্রিকায় ফরাসিদের প্রকৃত বিজয় অর্জিত হচ্ছে, লুণ্ঠন আর দখলদারিত্ব ঠিকঠাক চলছে। সেই সব বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্রান্স ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট এর গেরিলাদের থেকে সাধারণ জনগণকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিশাল গ্রামীণ জনসংখ্যাকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ফরাসী দস্যু বাহিনী। প্রায় ২০ লক্ষ আলজেরীয় মুসলিমদের জোরপূর্বক কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সামরিক কারাগারে স্থানান্তর করে। এই কারাগারগুলোতে খাবার, চিকিৎসা এবং স্যানিটেশনের খুবই সীমিত করে দেয়, যার ফলে ক্ষুধা ও মহামারীতে হাজার হাজার মুসলিম মারা যায়।
দৈহিক নির্যাতনের পাশাপাশি আলজেরীয় নাগরিকদের থেকে উর্বর জমিগুলো কেড়ে নেয় ফ্রান্স। ফলে হাজার হাজার পরিবার ভূমিহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে। স বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্রান্স ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট এর গেরিলাদের থেকে সাধারণ জনগণকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিশাল গ্রামীণ জনসংখ্যাকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ফরাসী দস্যু বাহিনী। প্রায় ২০ লক্ষ আলজেরীয় মুসলিমদের জোরপূর্বক কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সামরিক কারাগারে স্থানান্তর করে। এই কারাগারগুলোতে খাবার, চিকিৎসা এবং স্যানিটেশনের খুবই সীমিত করে দেয়, যার ফলে ক্ষুধা ও মহামারীতে হাজার হাজার মুসলিম মারা যায়।
দৈহিক নির্যাতনের পাশাপাশি আলজেরীয় নাগরিকদের থেকে উর্বর জমিগুলো কেড়ে নেয় ফ্রান্স। ফলে হাজার হাজার পরিবার ভূমিহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে। স বাকি অংশ পড়ুন...












