৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্বের পর্বগুলোতে অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে প্রমাণ করা হয়েছে, সামর্থ্যবান প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব।
যারা বলে, “পবিত্র কুরবানী করা একটি সাধারণ ইবাদত, যতো সম্পদশালী হউক না কেন পবিত্র কুরবানী করলে ছাওয়াব আছে আর না করলে কোনো গুনাহ হবেনা। না‘উযুবিল্লাহ! এখানে পবিত্র কুরবানী সম্পর্কে তাদের গুরু ইবনে তাইমিয়ার মত উল্লেখ করা হলো।
তথাকথিত আহলে হাদীছ ওরফে আহলে হদছ, ওহাবী, সালাফী, লা-মাযহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়ার মতেও কুরবানী করা ওয়াজিব:
وَأَمَّا الْأُضْحِيَّةُ فَالْأَظْهَرُ وُجُوبُهَا أَيْضًا فَإِنَّهَا مِنْ أَعْظَمِ شَعَائِرِ الْإِسْل বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আওওয়াবীন উনার ওয়াক্ত :
যা মাগরিব নামাযের ফরয ও সুন্নত পড়ার পরই আদায় করতে হয়।
পবিত্র ইশরাক উনার ওয়াক্ত :
সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পরেই অর্থাৎ সূর্য এক নেজা বা ছয় হাত পরিমাণ উঠার পর হতে পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত পবিত্র ইশরাক নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র দ্বুহা বা চাশত উনার ওয়াক্ত :
ইশরাক ওয়াক্তের পর হতে সূর্য ঢলার পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র যাওয়াল উনার ওয়াক্ত :
সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যোহর ওয়াক্ত হওয়ার পর যোহর নামায আদায় করার পূর্বেই পবিত্র যাওয়াল উনার নামায আদায় করতে হয়।
পবিত্র নামা বাকি অংশ পড়ুন...
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণ হলো তার শিক্ষার্থীরা, আর সেই শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের আত্মিক ও দ্বীনি প্রশান্তির কেন্দ্রস্থল হলো প্রতিষ্ঠানের মসজিদ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অর্ধেক বেলা তালাবদ্ধ রাখার এক অদ্ভুত ও বৈষম্যমূলক নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত কেবল সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বীনি আবেগেই আঘাত হানেনি, বরং এটি একজন মুমিনের ইবাদতের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
মসজিদ কেবল নামাজের স্থান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পবিত্র আশ্রয়স্থল, যেখানে যোহরে বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছহিবায়ে নিয়ামত, রহমতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর আপনি তাদেরকে সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্র্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয়ই এই বিশেষ দিন মুব বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
যখন এ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলেন তখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম যিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে বিষয়টা বললেন যে, পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। কি পবিত্র আয়াত শরীফ? এই বিষয়টার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য, উম্মাতকে বুঝানোর জন্য। উম্মত যে আসলে মূর্খ এদেরকে ইলিম দেয়ার জন্য তিনি প্রথমে বললেন, হে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম! আমি আপনাকে বলব একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ? তিনি বললেন, কথা আছে এখানে, কি কথা? ইয়া রসূলাল বাকি অংশ পড়ুন...












