মুসলমানদের জন্য প্রাণীর ছবি মূর্তির অপবিত্রতা থেকে এবং বোবা শয়তান হওয়া থেকে বেঁচে থাকা একান্ত জরুরী
, ২৫ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৪ মে, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
সরকার এদেশের ৯৮% মুসলমানদেরকে ছবি তুলতে বাধ্য করেছে। আবার যারা নামধারী আলেম তারা ছবির বিরুদ্ধে তো বলেই না বরং সর্বদা ছবি তোলে, টিভি দেখে, টিভিতে ছবির মাধ্যমে ওয়াজ করে, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করে। নাউযুবিল্লাহ! যার জন্য সাধারণ মানুষ দুনিয়াদার আলেমদের কারণে ছবিকে জায়িয মনে করে সর্বদা ছবি তুলতেছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র কুলআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে ছবির বিরুদ্ধে শত শত দলিল রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো পবিত্র সূরা হজ্জ্ব শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ছবি মূর্তির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ প্রত্যেক ছবি তোলনেওয়ালা জাহান্নামী।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “ নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির কঠিন শাস্তি হবে যে প্রাণীর ছবি তোলে, আঁকে। এরকম শত শত দলিল আদিল্লাহ থাকার পরও কি করে নামধারী আলিমরা ছবি তুলতে পারে? আসলে এরা হচ্ছে ধর্মব্যবসায়ী। এরা নিজেরা জাহান্নামী; এদের কারণে সাধারণ মুসলমানও জাহান্নামী হচ্ছে। আলিম উনাদর দায়িত্ব হলো নিজেরা সমস্ত হারাম, নাজায়িয কুফরী শেরকী থেকে বেঁচে থাকবেন এবং অন্য মুসলমানদের হারাম নাজায়েয আমল থেকে বেঁচে থাকার জন্য ওয়াজ-নছিহত করবেন, সতর্ক করবেন।এই নামধারী আলিমরা তাদের কোন দায়িত্বও পালন করেনা, গুনাহ থেকেও বেঁচে থাকে না। মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, এই সমস্ত আলিম ও সরকারের বিরুদ্ধে একসঙ্গে প্রতিবাদ করা। সবাই একসঙ্গে প্রতিবাদ করলে অবশ্যই সরকার শুনতে বাধ্য হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,“ যে অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করেনা, সে বোবা শয়তান।” যে প্রতিবাদ করবে না, সে বোবা শয়তান হবে। আর শয়তান তো জাহান্নামীই হবে। নাউযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানার্থে সমস্ত মুসলমানদেরকে সমস্ত অন্যায়ের প্রতিবাদ একসঙ্গে করার এবং কামিয়াবী হাছিল করার তৌফিক দান করেন। (আমীন)
-আহমদ ফাতেমা আক্তার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রসঙ্গ মূর্তি-ভাস্কর্য দ্বীন ইসলামে নিষিদ্ধ (৪)
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (১)
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র “মাক্বামে মাহমূদ” উনার বেমেছাল তাফসীর বিষয়ে খারেজী জাহমিয়া ফিরকার মুখোশ উম্মোচন (২)
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












