SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%' OR titleBn LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%' OR descriptionEn LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%' OR descriptionBn LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%' OR slug LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%' OR metaTag LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%' OR metaDescription LIKE '%ট্যাকটিক্যাল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশলে কেবল সৈন্য সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধ জয় অসম্ভব, যদি না প্রতিটি সেনাকে প্রযুক্তিগতভাবে সুপার-সোলজারে' রূপান্তর করা যায়। যখন বাহিনীর আকার ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বহরের হয়, তখন তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা, কার্যক্ষমতা এবং যুদ্ধের স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য পার্সোনাল ট্যাকটিক্যাল ও সারভাইভাল লজিস্টিকসের প্রয়োজনীয়তা এক বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়।
একটি বিশাল বাহিনীকে শতভাগ আধুনিকায়ন করতে কী বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তিগত লজিস্টিকস লাগবে এবং এই বিশাল সরবরাহের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ কেমন হওয়া উচি বাকি অংশ পড়ুন...
৫০ লক্ষাধিক বিশাল সমন্বিত সামরিক বহরের জন্য যে আধুনিক, এআই-চালিত এবং ত্রিমাত্রিক ‘সার্ভে ও নজরদারি’ নেটওয়ার্কের প্রয়োজন, তা রাতারাতি শূন্য থেকে গড়ে তোলা কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার আর্কিটেকচার প্রয়োজন। এই বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এশিয়ার তিনটি উদীয়মান ও পরীক্ষিত সামরিক-প্রযুক্তি পরাশক্তি-তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান-এর কাছ থেকে কৌশলগত কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক যুদ্ধকৌশন কেবল আকাশ বা স্থলভাগের সমীকরণ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। স্যাটেলাইট সাইডেড মিসাইল ড্রোন কনস্টেলেশন এবং দূরপাল্লার প্রিসিশন গাইডেড মারণাস্ত্রের (চএগ) এই যুগে, একটি বৃহৎ বাহিনীর টিকে থাকা এবং পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা নির্ভর করে তার সারভাইভেবিলিটি টিকে থাকার কৌশলের ওপর। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, রিজার্ভ এবং আধাসামরিক বাহিনী মিলিয়ে যদি ৫০ লক্ষাধিক সদস্যের একটি বিশাল সমন্বিত বহরকে বিন্যস্ত করতে হয়, তবে তাদের জন্য একটি দেশব্যাপী, কৌশলগত এবং উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন ভূগর্ভস্থ বাংকার নেটওয়ার্ক গড়ে তোল বাকি অংশ পড়ুন...
* প্রতিরক্ষার ডিজিটাল বর্ম: ৫০ লক্ষ বাহিনীর একক কমান্ড ও সামরিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের অপরিহার্য রোডম্যাপ :
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের প্রধান শর্ত কেবল সৈন্যসংখ্যা বা ভারী যুদ্ধাস্ত্র নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রের আসল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে তথ্যপ্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার বা তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশলের এই যুগে যেকোনো বাহিনীর জন্য ‘লজিস্টিকস ও কমিউনিকেশন’ হলো মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বিশেষ করে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশাল বাহিনীকে একক বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত মানচিত্র আমূল বদলে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দথেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য কিংবা ককেশাস অঞ্চলের সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো প্রমাণ করেছে যে, প্রথাগত ভারী এবং ব্যয়বহুল সামরিক হার্ডওয়্যারের চেয়ে সাশ্রয়ী, নিখুঁত ও প্রযুক্তি-নির্ভর ‘লয়টারিং মিউনিশন’ এবং ‘আত্মঘাতি ড্রোন’ বা কামিকাজে ড্রোন এখন যুদ্ধ জয়ের প্রধান চালিকাশক্তি। বিশেষ করে নদীমাতৃক এবং ঘনবসতিপূর্ণ ভূপ্রকৃতির বাংলাদেশে যেকোনো সম্ভাব্য বহিঃশত্রুর আগ্রাসন নস্যাৎ করতে এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি অজেয় শক্তিতে রূপান্তর করতে ড্রোন বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল স্থল, আকাশ বা সমুদ্রসীমার শক্তিমত্তা দিয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অসম্ভব। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার’ (Network-Centric Warfare), যেখানে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তি হলো যেকোনো বৃহৎ সামরিক বাহিনীর মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে রিজার্ভ, আধাসামরিক (যেমন বিজিবি, আনসার) এবং মূল বাহিনী মিলিয়ে যদি একটি বিশাল বহরের সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্ট্র্যা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের জনসংখ্যার সূচক ৫১ কোটি ছুঁয়েছে, এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সমীকরণটি আমূল বদলে যেতে বাধ্য। এমন এক অতি-ঘনবসতিপূর্ণ ভূখ-ে সীমানা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ সদস্যের এক সুবিশাল সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হয়ে উঠেছে। তবে একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল বাহিনীকে কেবল লোহা, বারুদ আর সাঁজোয়া যানের প্রাচীন কাঠামোতে বন্দি রাখলে তা হবে এক ঐতিহাসিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আজকের যুদ্ধক্ষেত্র আর কেবল সীমান্তরেখায় সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য, স্পর্শহী বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা : ভূরাজনীতি এবং সমরবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নিয়ম হলো, একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা, ভৌগোলিক গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে তার বাহ্যিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বলয়কেও এত বেশি শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন তার ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে পরাশক্তিগুলোর আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে তখন জনসংখ্যার সমীকরণ মাথায় রেখে সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতি ঢেলে গাজানো আবশাক। ৫১ কোটি জনসংখ্যার জন্য এই ভূখ- এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গোপসাগরের একচেটিয়া নৌসীমা সুরক্ষায় নূন্যতম ৫ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ১১তম দিনে এসে তেহরান তার রণকৌশলে এক ভয়াবহ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। গত সোমবার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি জানিয়েছেন, এখন থেকে ইরান শুধু সেসব মিসাইল নিক্ষেপ করবে, যেগুলোর পেলোড বা গোলাবারুদ বহন ক্ষমতা এক হাজার কেজি (১ টন) বা তার বেশি।
এই ঘোষণা যুদ্ধের ময়দানে একটি বড় ধরনের ‘ট্যাকটিক্যাল শিফট’ বা কৌশলগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান এখন ‘সংখ্যা’ কমি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যখন চরম উত্তেজনা, সেই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী ইসরায়েল ও সউদী আরবের কাছে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে আছে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র। এর আগে, সউদী আরবকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবর-মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা সন্ত্রাসী ইসরায়েলের কাছে ৩০টি অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এই অস্ত্রচুক্তির মূল্য ৩ দশমিক ৮ ব বাকি অংশ পড়ুন...












