SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জাওয়াব%' OR titleBn LIKE '%জাওয়াব%' OR descriptionEn LIKE '%জাওয়াব%' OR descriptionBn LIKE '%জাওয়াব%' OR slug LIKE '%জাওয়াব%' OR metaTag LIKE '%জাওয়াব%' OR metaDescription LIKE '%জাওয়াব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি এ স্থানে অবস্থান করুন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে আপনার খরচের জন্য কিছু নিয়ে আসছি। আর আমার এই কাপড়খানা আপনার নিকট রেখে যাচ্ছি, আমার ও আপনার মধ্যে ওয়াদার সাক্ষ্য হিসাবে। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও আপনার মধ্যে কোন ওয়াদার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় না, আজকে দিনের পর আমাকে আবার পাবেন। খরচা দিয়ে আমার কি হবে? কাপড় দিয়েই বা আম বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
এই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
وواقعة الرفاعي رحمه اللّه مشهورة متواترة حينما زار قبره الشريف وقال بحضور جماعة لا يحتمل تواطؤهم على الكذب
অর্থ: আর হযরত রেফায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘটনা মুবারক মশহূর, সুপরিচিত এবং মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তিনি যখন পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করে কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন তখন এতসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন যে, যাদের একত্রে মিথ্যার উপর একমত হওয়া অকল্পনীয় বিষয়। (আল হাওঊ ফী তাফসীরিল কুরআনিল কারীম ৬৮৯/৯৪)
এই ঘটনা দ্বারা বাস্তবিকপক্ষেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
‘খ্রিস্টানরা যখন হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার বিলাদত শরীফ পালন করে, তখন আমরা কেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুবারক উপলক্ষ্যে খুশি প্রকাশ করবো না? এই ভাবনা থেকেই নাকি বাদশাহ হযরত মালিক মুজাফফর ইবনে যাইনুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের সূচনা করেন।’ নাঊযুবিল্লাহ!
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বাতিল ফিরকা ও বাতিল আকীদার লোকদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভুল, মনগড়া, ধা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বহু সংখ্যক বর্ণনার মধ্যে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছি করেছেন। আর তিনি উনাদের কদমবুছী গ্রহন করেছেন। অনুরূপভাবে একজন ছাহাবী আরেকজন ছাহাবী র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
হযরত বায়হাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘হায়াতুল আম্বিয়া’ কিতাবে উল্লেখ করেছেন-
عَنْ حضرت سُلَيْمَانَ بْنِ سُحَيْمٍ رحمة الله عليه قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّوْمِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَأْتُونَكَ فَيُسَلِّمُونَ عَلَيْكَ أَتَفْقَهُ سَلَامَهُمْ؟ قَالَ نَعَمْ وَأَرُدُّ عَلَيْهِمْ
অর্থ: হযরত সুলাইমান ইবনে সুহাইম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া র বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আমার জন্য আপনি দোয়া করুন। হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, আমি প্রত্যেক নামাযে তাশাহ্হুদে এই দোয়াই করে থাকি, আয় বারে ইলাহী! মু’মিন নর-নারীকে ক্ষমা করুন! হে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম! যদি কেউ ঈমান নিয়ে কবরে যেতে পারেন, তখন দোয়া উনাকে তালাশ করবে।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আমাকে আরো নছ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা কাশিম নানুতুবীর লিখিত ‘তাহযীরুন নাস” কিতাবের ২৫ পৃষ্ঠায় লিখিত আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আগে বা সর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযীলত নেই। উনার পরে যদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও উনার খতমে নবুওয়াতের কোনরূপ বেশ-কম হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
উক্ত বক্তব্য শরীয়তসম্মত হয়েছে কিনা, দলীলসহ জানতে চাই।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
ছহীহ বুখারী শরীফ ও ছহীহ মুসলিম শরীফ কিতাবদ্বয়ের মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, হযরত জুবাইর ইবনে মুতয়িম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি এ স্থানে অবস্থান করুন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে আপনার খরচের জন্য কিছু নিয়ে আসছি। আর আমার এই কাপড়খানা আপনার নিকট রেখে যাচ্ছি, আমার ও আপনার মধ্যে ওয়াদার সাক্ষ্য হিসাবে। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও আপনার মধ্যে কোন ওয়াদার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় না, আজকে দিনের পর আমাকে আবার পাবেন। খরচা দিয়ে আমার কি হবে? কাপড় দিয়েই বা আমা বাকি অংশ পড়ুন...
“মুয়াত্তা ইমাম মালিক” কিতাবের ২৩ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ায় উল্লেখ আছে,
قوله صلى الله عليه وسلم فقولوا مثل ما يقول اى وجوبا عند حَضْرَتْ ابى حنيفة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وندبا عند الشافعى.
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যেরূপ বলে তোমরাও অনুরূপ বল। অর্থাৎ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভিত্তিতে আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট মৌখিকভাবে আযানের জাওয়াব দেয়া ওয়াজিব। আর শাফিয়ী মাযহাবে মুস্তাহাব।
পবিত্র আযান উনার জা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: বাকি অংশ পড়ুন...












