পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে কি ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা জরুরী?
জাওয়াব:
ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহন করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার করার সাথে সাথে পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধসমূহ যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে উনার ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করতে হবে। তাহলে ইছলাহ হাছিল করা সহজ সম্ভব হবে।
‘ফাই বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো কয়েকখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন উনাদের খুছূছিয়াত মুবারক বর্ণনা করার জন্য। এরপরে নাযিল করেছেন পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ উনার বাকি পবিত্র আয়াত শরীফগুলো। এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا نِسَاء النَّبِيِّ مَنْ يَّأْتِ مِنْكُنَّ بِفَاحِشَةٍ مُّبَيِّنَةٍ يُّضَاعَفْ لَهَا الْعَذَابُ ضِعْفَيْنِ وَكَانَ ذٰلِكَ عَلَى اللهِ يَسِيرًا
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের শান মুবারক বর্ণনা করার জন্য আবার বলে দিচ্ছেন-
يَا نِسَاء النَّبِيِّ مَن বাকি অংশ পড়ুন...
যখন এ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলেন তখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম যিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে বিষয়টা বললেন যে, পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। কি পবিত্র আয়াত শরীফ? এই বিষয়টার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য, উম্মাতকে বুঝানোর জন্য। উম্মত যে আসলে মূর্খ এদেরকে ইলিম দেয়ার জন্য তিনি প্রথমে বললেন, হে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম! আমি আপনাকে বলব একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ? তিনি বললেন, কথা আছে এখানে, কি কথা? ইয়া রসূলাল বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে বললেন। আসলে মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ বুঝে না এজন্য তারা চূ-চেরা করে। তিনি কিন্তু নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে সমস্ত কিছুর জাওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! প্রথমে বললেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ম বাকি অংশ পড়ুন...
এখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা বৃদ্ধি পেতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ! এটাকেই বলা হয় ইলা। আসলে এটা ইলা হয় না। ইলা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তি তার আহলিয়া থেকে দূরে থাকা। সেই অর্থেই এটা ইলা। কিন্তু হাক্বীক্বী ইলা যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন যে, ইলা হচ্ছে কোন আহাল তার আহলিয়া থেকে চার মাস দূরে থাকবে। সেটাই হচ্ছে ইলা, অন্যথায় ইলা হয় না। ইলা হতে হলে চার মাস জুদা থাকতে হবে। যদি জুদা হয় তাহলে সে তালাক্ব হয়ে যায়। আর যদ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বাইয়াতের প্রকার এবং খাছ সুন্নতী তরতীবে পুরুষ ও মহিলাদের বাইয়াত হওয়ার পদ্ধতি কি?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
দ্বিতীয় পদ্ধতি: শুধুমাত্র কথার মাধ্যমে বাইয়াত; নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে এবং মহিলাদেরকে এ নিয়মে বাইয়াত করাতেন।
বর্তমান সময়ে শরীয়তসম্মত ডিজিটাল মাধ্যম তথা সিরাতুল মুস্তাকীম, ভয়েস রেকর্ড, ভয়েস আল-হিকমাহ, মাইক, সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে শুধুমাত্র কথার মাধ্যমে বাইয়াতের এই সুন্নত মুবারক আদায় করা সহজ ও সম্ভব।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
গান-বাজনা করা কি? কেউ কেউ বলে থাকে, “ইসলামী গান”যেমন- নবীতত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী ইত্যাদি জায়িয। কারণ হিসেবে তারা বলে, হযরত সুলত্বানুল হিন্দ খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নাকি গান-বাজনা করেছেন। তারা আরো বলে থাকে যে, বুখারী শরীফ- এর ২য় খ-ের ২২৫ পৃষ্ঠায় এবং ৫ম খ-ের ৫৫৫ পৃষ্ঠায় নাকি “গান-বাজনা”জায়িয বলে লেখা আছে।
এখন আমার সুওয়াল হচ্ছে- “গান-বাজনা”সম্পর্কে সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়সালা কি? সত্যিই কি হযরত সুলত্বানুল হিন্দ খাজা ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “গান-বাজনা”করেছেন? আর বুখারী শরীফ কিতাবের মধ্যে “গান-ব বাকি অংশ পড়ুন...
এ বিষয়টা হচ্ছে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নাযিলকৃত। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهٗ لَحَافِظُونَ
নিশ্চয়ই আমি এই মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল করেছি এবং উনাকে আমি সংরক্ষণ করবো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফ কি? এখানে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে জাওয়াব দিয়ে দিয়েছেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি।
هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِ বাকি অংশ পড়ুন...












