SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ছিলো%' OR titleBn LIKE '%ছিলো%' OR descriptionEn LIKE '%ছিলো%' OR descriptionBn LIKE '%ছিলো%' OR slug LIKE '%ছিলো%' OR metaTag LIKE '%ছিলো%' OR metaDescription LIKE '%ছিলো%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
স্থল, নৌ ও আকাশপথে মুসলমানদের ডাকব্যবস্থা:
স্থলপথে ব্যবহৃত ডাকব্যবস্থা: মুসলমান সালতানাতগুলোতে স্থলপথে ডাকসেবা পরিচালনায় যারা দায়িত্ব পালন করতেন উনাদেরকে ফুয়ুজ বা সুআত নামে ডাকা হতো। বিরতিহীন ভ্রমণ ও নিরলস পরিশ্রমে উনারা ছিলেন সুপরিচিত। মুসলমানগণ সে যুগে ডাকসেবা পরিচালনায় ব্যাপকভাবে উট, ঘোড়া ব্যবহার করতেন। খচ্চরের প্রচলনও ছিলো উল্লেখযোগ্য হারে। স্থলপথে অবস্থিত সকল শহর ও পয়েন্টে ডাকবাহন ও দায়িত্বশীলদের জন্য পৃথক পৃথক বিশ্রামাগার থাকতো, সেখানে বাহনের খাবার ও বিশ্রামের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হতো। প্রয়োজনে বাহন পাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ বলে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া মুবারক ছিলো না, আবার কেউ কেউ বলে, উনার ছায়া মুবারক ছিলো। কোনটি সঠিক?
জাওয়াব:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া মুবারক ছিল না। এটাই সঠিক।
এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিছ আল্লামা হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “নাওয়াদিরুল উছূল”কিতাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, হযরত হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের যে সমস্ত জায়গা তিনি যিয়ারত করেন তা হচ্ছে- জান্নাতুল মুয়াল্লা, আকাবার প্রান্তর, হুদাইবিয়া, জান্নাতুল বাকী, উহুদ প্রান্তর, মসজিদে কুবা, মসজিদে কিবলাতাইন, মসজিদে খায়েফ, বাইয়াতে রিদওয়ান, ওয়াদীয়ে ছোগরা (যেখানে বদরী ছাহাবী, হযরত আবূ উবাইদা বিন হারিস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র মাজার শরীফ রয়েছে)। তিনি এ সমস্ত বরকতময় ও পবিত্র জায়গা জিয়ারত মুবারক করেন।
তরীকায়ে মুহম্মদিয়া বা আওর মুহম্মদিয়া তরীকার সংস্কার:
ত্বরীকায়ে মুহম্মদিয়া বা আওর মুহম্মদিয়া ত্বরীকাহ কোন নতুন তরীকাহ নয়। বরং বাকি অংশ পড়ুন...
১) ইংরেজ নৌদস্যুদের লিডার ‘ক্লাইভ’ পলাশীর যুদ্ধ শেষে মীর জাফরের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার পাউন্ড আত্মসাৎ করে রাতারাতি ইংল্যান্ডের ধনীতে পরিণত হয়।” (সূত্র-পি. রবার্টস, হিস্টরী অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, পৃষ্ঠা ৩৮।)
২) ১৭৫৭ থেকে ১৭৬৫ সাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক বছরে শুধুমাত্র ইংরেজ কর্মচারীরাই লুট করেছিরো কমপক্ষে ৬২ লক্ষ ৬১ হাজার ১৬৫ পাউন্ড।’ (সূত্র- বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস, আব্বাস আলী খান, পৃষ্ঠা-৯৫)
৩) পলাশী যুদ্ধে শেষ হতে না হতেই লুণ্ঠিত হয়েছিল মুর্শিদাবাদের রাজকোষ। সার্জন ফোর্থের প্রদত্ত হিসেব মতে মণিমুক্তা হিরা জহরতের মূল্য বাদে শুধু ক বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজুড়ে পুরোনো বইয়ের বাজারে হঠাৎ অস্বাভাবিক চাহিদা তৈরি হয়েছে। সাধারণ পাঠকদের আগ্রহে নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য বিপুল পরিমাণ পুরোনো বই কেনা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অনেকে তিন দশকের ব্যবসায় এমন ঘটনা আগে কখনো দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেছে। সম্প্রতি কানাডার একটি প্রতিষ্ঠান একবারে যে পরিমাণ বই কিনেছে, তা একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর এক সপ্তাহের বিক্রির সমান।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্বাধীন বই বিক্রেতারাও একই ধরনের বড় চাহিদার কথা জানিয়েছে। ল্যাটিন ভাষার প্রাচীন বই থেকে শুরু করে সাধারণ নানা ধরনের পুর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের সাথে যুদ্ধে লেগে অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এসব ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এতে যুদ্ধ শুরুর আগে থাকা মার্কিন রিপার ড্রোনের প্রায় ২৫ শতাংশ হারিয়েছে দেশটি। গত শনিবার প্রকাশিত ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে এলো, যখন সন্ত্রাসী ড্রাম্প এবং তার সহযোগীরা বারবার দাবি করছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে বাস্তবে ইরানের আকাশ প্রতিরক বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব)
মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারকই ঈমান। ঈমান কমেও না আবার বৃদ্ধিও পায়না। বরং ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি কমে ও বাড়ে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত তথা প্রশংসা ও আলোচনা মুবারক দ্বারা ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর উনার প্রতি বিদ্বেষ কিংবা উনার শান-মানের খিলাফ কথা-বার্তা, আচার-আচারণের কারণে অন্তরে নিফাকী বা কপটতা পয়দা হয়। দিল মরে যায়, কুৎসিত ও কদাকার হয়। বাকি অংশ পড়ুন...
জীবনচরিত ও ইতিহাস গ্রন্থ যারা অধ্যয়ন করেছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার কার্যাবলী অত্যন্ত চমৎকারভাবে আঞ্জাম দিয়েছেন। হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার ঘোষককে এ ঘোষণা করতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের দৈনিক ভাতা সকালে এসে নিয়ে যাও। লোকেরা দলে দলে এসে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ নিয়ে যেত। খোদার ক্বসম! আমি নিজ কানে শুনেছি, ঘোষক কখনো ডেকে বলতো, তোমাদের কাপড়-চোপড় নিতে আসো। তারা গিয়ে দামী পোশাক-পরিচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
মাহবুবে ইলাহী, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন, “সবকিছু বিসর্জন দিয়ে মুর্শিদ কিবলা উনার দরবার শরীফে এলাম কিন্তু ‘অমুকের নিকট একটি বিশুদ্ধ কপি দেখেছি’ এই উক্তি আমাকে আজ এই অবস্থায় পৌঁছে দিলো। আমার সবকিছুই ধুলিসাৎ হয়ে গেলো। আমি অবশ্য বলতে পারতাম, “হুযূর! এখানে আমার এমন কি জঘন্য অপরাধ হয়েছে যে, তা ক্ষমার অযোগ্য?” আমি তো শুধু এতটুকুই প্রকাশ করেছি যে, “অমুকের নিকট একটি বিশুদ্ধ কপি আছে, তা দেখেছি মাত্র।” কিন্তু আমি তা বলতে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দীর্ঘদিন মারীদ্বী শান মুবারকে থাকার পর ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করতঃ মসজিদে নববী শরীফে তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। নামাযের ইমামতি করিয়েছেন- এই আনন্দে আপ্লুত হয়ে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুসারে হাদীয়া মুবারক দিলেন। কিছু দান-খয়রাতও করলেন।
একটি বর্ণনা হতে জানা যায় যে, এই খুশিতে আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি সাত হাজার দীনার, হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পাঁচ হাজার দীনার, যুন নূরাইন হযরত উছমান ইবনে আফফান আলাইহিস সালাম তি বাকি অংশ পড়ুন...












