SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%চাঁদে%' OR titleBn LIKE '%চাঁদে%' OR descriptionEn LIKE '%চাঁদে%' OR descriptionBn LIKE '%চাঁদে%' OR slug LIKE '%চাঁদে%' OR metaTag LIKE '%চাঁদে%' OR metaDescription LIKE '%চাঁদে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
আজ ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ২৯ মাহে যিলহজ্জ শরীফ দিবাগত সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর বাংলাদেশে পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে।
আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ১৮ আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী (১৭ জুন ২০২৬ খৃঃ) হবে ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ।
আর আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে, তবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) ১৯ আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী (১৮ জুন ২০২৬ খৃঃ) হবে ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আজ ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ২৯ মাহে যিলহজ্জ শরীফ দিবাগত সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর বাংলাদেশে পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে।
আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ১৮ আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী (১৭ জুন ২০২৬ খৃঃ) হবে ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ।
আর আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে, তবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) ১৯ আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী (১৮ জুন ২০২৬ খৃঃ) হবে ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হা বাকি অংশ পড়ুন...
আগামী ১২ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যাবে ২০২৬ সালের বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের কিছু স্থানে সূর্য পুরোপুরি ঢেকে যাবে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে আবার আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।
পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসে সূর্যের আলো পুরোপুরি আড়াল করে দেয়। তখন চাঁদের ছায়ার কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থানকারীরা কিছু সময়ের জন্য সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে যেতে দেখেন।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, ১২ আগস্ট পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পথ উত্তর আটলান্ট বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সউদী আরব বাংলাদেশের একদিন পূর্বে ঈদুল আদ্বহা পালন করেছিলো সেই দিক থেকে ১৪৪৮ হিজরী সনের প্রথম মাস মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চাঁদ ত বাকি অংশ পড়ুন...
লেগেছে ধুম!...
লেগেছে ধুম লেগেছে ধামাকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
গগণ চিরে ধীরে ধীরে
উদিত নূরানী চাঁদ
দিকে দিকে ঘোষণা হয়
আযিমী সুসংবাদ (হক)
জাগো জাগো মুসলিম হও ফানা বাকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
মোদের মুর্শিদ সবার সাইয়্যিদ
খলীফাতুল্লাহ বিলকুল
মাদানী গুল মাকাম অতুল
নকশায়ে পাক রসূল (হক)
আজি বুকে বুকে ঈদ মুয়ানাকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
কামলিওয়ালা শাহে মাওলা
আছ ছলাতু ওয়াস ছালাম
সুন্নি সিরাজ নূর বেনিয়াজ
তাজেদারে হারাম (হক)
বিনাশ হলো সকল শয়তানি ধোঁকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
সেরা গাজি ইয়া বাবাজি
মোদের ফখর অহংকার
দয়ার ভান্ডা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার অগণিত সৃষ্টির অনন্য একটি হলো চাঁদ। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফে অনেকবারই চাঁদের গুরুত্ব আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে হিজরী মাস গণনা করা হয় চাঁদের উপর ভিত্তি করেই।
সৃষ্টির পর থেকেই চাঁদ আমাদের রাতের আকাশকে আলোকিত করে আসছে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, যদি কোনোদিন চাঁদ না থাকত কিংবা আচমকা চাঁদ বিলীন হয়ে যেত, তবে কেমন হতো আমাদের চেনা এই পৃথিবী? বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন তথ্য ও গবেষণার ওপর ভিত্তি করে চলুন জেনে নেওয়া যাক চাঁদহীন পৃথিবীর রূপ কেমন হতো।
মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মতে, চাঁদ আকারে পৃথিবীর চেয়ে মাত বাকি অংশ পড়ুন...
রূপালী চাঁদের আলোকিবানে
ভেসে যাবো শাহযাদা পানে
ছল্লু আলা মুবারক শানে
অপরূপ ছূরত নূরানী প্রভা
সবকিছুতে-ই রসূলী শোভা
বেমেছাল রোবের সেরা প্রতিভা
অতি মনোরম অতি মনোলোভা
শুভ আগমন নয়-ই রমাদ্বানে
ছল্লু আলা মুবারক শানে
যামানার শেষে ধরাতে এসে
বাতিল বিনাশেন এক নিমিষে
জাগালেন মোদের শাহী পরশে
সাজালেন মোদের সুন্নতি বেশে
করি শুকরিয়া তাই মনে প্রাণে
ছল্লু আলা মুবারক শানে
নিদানের বেলায় করমী ছায়ায়
পরম যতনে রাখিয়েন মায়ায়
গোলাম আপনায় শুধু পেতে চায়
আপনি বিনে গোলাম অসহায়
ছুটে যাবো আজি মায়ার টানে
ছল্লু আলা মুবারক শানে
বাকি অংশ পড়ুন...
যারা পবিত্র কুরবানী দেয়ার নিয়ত রাখেন, তাদের পক্ষে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ ওঠার পর থেকে এই চাঁদের ১০ তারিখ পবিত্র কুরবানী করা পর্যন্ত মাথার চুল, হাতের ও পায়ের নখ ইত্যাদি না কাটা মুস্তাহাব। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن سيدتنا حضرت أم المؤمنين السادسة عَلَيْهَا اسَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَاىَ هِلَالَ ذِى الْـحِجَّةِ وَاَرَادَ اَنْ يُّضَحّىَ فَلَا يَأْخُذْ مِنْ شَعْرِه وَلَا مِنْ اَظْفَارِه.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আজ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ২৯ মাহে যিলক্বদ শরীফ দিবাগত সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর বাংলাদেশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে।
আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ১৯ ছানী আশার ১৩৯৩ শামসী, (১৯ মে ২০২৬ খৃ:) হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ।
আর আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে, তবে পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ২০ ছানী আশার ১৩৯৩ শামসী, (২০ মে ২০২৬ খৃ:) হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ।
উল্লেখ্য, ১৪৪৭ হিজর বাকি অংশ পড়ুন...
যারা পবিত্র কুরবানী দেয়ার নিয়ত রাখেন, তাদের পক্ষে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ ওঠার পর থেকে এই চাঁদের ১০ তারিখ পবিত্র কুরবানী করা পর্যন্ত মাথার চুল, হাতের ও পায়ের নখ ইত্যাদি না কাটা মুস্তাহাব। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن سيدتنا حضرت أم المؤمنين السادسة عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَاٰى هِلَالَ ذِى الْـحِجَّةِ وَاَرَادَ اَنْ يُّضَحّىَ فَلَا يَأْخُذْ مِنْ شَعْرِه وَلَا مِنْ اَظْفَارِه.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
কাট্রা কাফির আবূ রাফে’ অর্থাৎ সালাম ইবনে হাকীকের হত্যা:
এই কাফিলার সকলেই ছিলেন খাযরাজ গোত্রের শাখা বনু সালামাহ গোত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। উনাদের সেনাপতি ছিলেন হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। উনারা সরাসরি খায়বার অভিমুখে গেলেন। কারণ কাট্টা কাফির আবূ রাফি’র দূর্গটি তথায় অবস্থিত ছিলো। যখন উনারা দূর্গের নিকটে গিয়ে পৌঁছলেন তখন সূর্য অস্তমিত হচ্ছিলো। সেখানকার লোকজনেরা তাদের গবাদি পশুর পাল নিয়ে গৃহে প্রত্যাবর্তন করছিলো। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার সাথীদের বললেন, ‘আপনার বাকি অংশ পড়ুন...












