ছদাক্বাতুল ফিতর কখন দিবেন :
পবিত্র রমাদ্বান মাস শেষে সম্মানিত শাওওয়াল মাসের চাঁদ উদয়ের পর থেকে ঈদের মাঠে গমনের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে ছদাক্বাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ فَرَضَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكٰوةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ مَنْ اَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلٰوةِ فَهِىَ زَكٰوةٌ مَقْبُولَةٌ وَمَنْ اَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلٰوةِ فَهِىَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ.
অর্থ : হযরত ইবনে ‘আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকের বেজোড় সংখ্যক রাতে পবিত্র ক্বদর শরীফ তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক। মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক।
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করতঃ বেজোড় রা বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর শব্দের অর্থ :
ছদাক্বাতুল ফিতর (صَدَقَةُ الْفِطْرِ) আরবী শব্দ। এখানে صدقة শব্দের অর্থ দান করা। আর الفطر শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। সুতরাং ছদাক্বাতুল ফিতরের সম্মিলিত অর্থ হল ভঙ্গ করার দান। যাকে যাকাতুল ফিতর বলেও উল্লেখ করা হয়।
পারিভাষিক অর্থে দীর্ঘ একমাস রোযার রাখার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন মালিকে নিছাবের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ২ জনের জন্যে এক ছা’ আটা বা তার মূল্য পরিমাণ যে সম্পদ গরীবকে প্রদান করা হয় তাকে ছদাক্বাতুল ফিতর বলে।
ছদাক্বাতুল ফিতর কে দিবেন :
ছদাক্বাতুল ফিতর প্রদান করা ধনীদের জন্যে ওয়াজিব। দ্বিতীয় হিজরীর শা’ব বাকি অংশ পড়ুন...
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্যে যা এনেছেন (সুন্নত মুবারকসমূহ) তা আঁকড়ে ধরো আর যা থেকে (বিদয়াত-বেশরা’) নিষেধ করেছেন তা হতে বিরত থাকো। আর এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-৭)
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ أَحَبَّ سُنَّتِي فَقَدْ أَحَبَّنِي وَمَنْ أَحَبَّنِي كَانَ مَعِي فِي الْجَنَّةِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি আম বাকি অংশ পড়ুন...
গত এক যুগে দেশে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি যেমন বেড়েছে, সঙ্গে দ্রুতগতিতে বৈষম্যও বেড়েছে। বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক এখন দশমিক ৪৯৯ পয়েন্ট। দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশ থেকে অতি সামান্য দূরত্বে আছে বাংলাদেশ।
সাধারণত গিনি (কেউ কেউ জিনি বলেন) সহগ দিয়ে একটি দেশে আয়বৈষম্য কেমন, তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এটি বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি। ১৯১২ সালে ইতালির সংখ্যাতত্ত্ববিদ কোরাদো গিনি বা জিনি এর উদ্ভাবক। সবার আয় সমান হলে গিনি সূচক হবে শূন্য। এর অর্থ হলো চরম সাম্য অবস্থা বিরাজ করছে। আর বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুর সংবাদদাতা:
পবিত্র রমজান মাস এলেই যখন বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ ওঠে, তখন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে আবারও সামনে এলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শাহআলম। টানা চতুর্থ বছরের মতো এবারও তিনি রমজানে পণ্য বিক্রি করছেন কেনা দামে-কোনো লাভ ছাড়াই।
ফরিদগঞ্জ পৌরসভার চরকুমিরা গ্রামের চালতাতলা সুপার মার্কেটে তার ছোট মুদির দোকানে রমজানের শুরুতেই ভিড় জমাচ্ছেন আশপাশের কয়েক গ্রামের ক্রেতারা। শাহআলম জানান, পণ্য কেনা ও পরিবহন খরচ যোগ করে তিনি ক্রয়মূল্যেই বিক্রি করছেন ছোলা, চিনি, তেল, চিড়া, মুড়ি, খেজুরসহ রমজানের নিত্য বাকি অংশ পড়ুন...
মানব হৃদয়ে যাবতীয় রোগ তথা বদ খাছলতসমূহের মধ্যে কৃপণতা বা ধনাসক্তি সর্বাপেক্ষা জঘণ্যতম রোগ। এটা যত ক্ষতি সাধন করতে পারে অন্য কোন কিছু তত ক্ষতি করতে পারে না। (কিমিয়ায়ে সাআদাত)
একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে পবিত্র কা’বা শরীফের বেষ্টনীর উপর হাত রেখে বলতে লাগলেন, “হে দয়াময় মহান আল্লাহ পাক! এই পবিত্র ঘরের উছীলায় আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পাওনাদারের যাকাত আদায়ের বিধান :
নিছাব পরিমাণ মাল অর্থাৎ ৫২.৫ তোলা রৌপ্য অথবা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ অথবা তার সমমূল্যের টাকা যদি কোন ব্যক্তির নিকট এক বছর পূর্ণ মালিকানাধীন থাকে তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হবে। তখন উক্ত ছাহেবে নিছাবকে তার টাকার শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দেয়া ফরয।
আর যাকাত আদায়ের জন্যে শর্ত হচ্ছে যাকাতের মাল গরীব-মিসকীন বা দরিদ্রকে মালিক করে দেয়া। কিন্তু মালিক না করে যদি যাকাতের নিয়তে খেতে দেয়া হয়, তাতে যাকাত আদায় হবে না। কেননা তা মালিক করে দেয়া হয়নি শুধুমাত্র তা খেতে দেয়া হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ কোন পাওনাদার যদি তার ফরয যাকাত আদা বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। স বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার পরিচয় :
সাধারণত সম্মানিত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِىْ لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنْذِرِيْنَ (٣) فِيْهَا يُفْرَقُ كُلُّ اَمْرٍ حَكِيْمٍ (٤) اَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا اِنَّا كُنَّا مُرْسِلِيْنَ (٥)
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (পবিত্র শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই সতর্ককারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ হতে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। নিশ বাকি অংশ পড়ুন...












