SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খাওয়ার%' OR titleBn LIKE '%খাওয়ার%' OR descriptionEn LIKE '%খাওয়ার%' OR descriptionBn LIKE '%খাওয়ার%' OR slug LIKE '%খাওয়ার%' OR metaTag LIKE '%খাওয়ার%' OR metaDescription LIKE '%খাওয়ার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যে ব্যক্তি পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনাকে সম্মান, তা’যীম-তাকরীম করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বেমেছাল ফযীলত দান করবেন। পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“তোমরা মুহররম মাসের পবিত্র আশুরা শরীফ উনাকে সম্মান করো। যে ব্যক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
লটকনে রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস ও খাদ্যআঁশ। বিশেষ করে ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস হওয়ায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে সাধারণত পাওয়া যায়- ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, খাদ্যআঁশ, সামান্য প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক:
লটকনে থাকা ভিটামিন সি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। মৌসুমি সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত অসুস্থতার সময় এই ফল কিছু বাকি অংশ পড়ুন...
তরমুজ:
গরমের জনপ্রিয় ফল তরমুজে রয়েছে আয়রন ও ভিটামিন সি। আয়রন শরীরে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে, আর ভিটামিন সি সেই আয়রন শোষণের ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে তরমুজ নিয়মিত খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হতে পারে।
পেয়ারা:
পেয়ারায় অত্যন্ত উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি থাকে, যা আপনার শরীরকে উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার থেকে আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।
লেবু জাতীয় ফল:
কমলা লেবু, মাল্টা, মোসম্বি বা লেবুর মতো সাইট্রাস ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। শুধু আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই হবে না, সেই আয়রন শরীরে শোষিত হওয়াও জরুরি। ভিটামিন সি এই কাজটিই করে বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি প্রকাশ্যে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর উম্মু আবীহা আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায় দেড় বছর দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে একটি ওয়াকিয়া বর্ণিত রয়েছে। এক ব্যক্তি ছিল গরিব ও আলিম। একবার অসুস্থতার কারণে তিনি তিন দিন যাবৎ কোন কাজ করতে পারলেন না। চতুর্থ দিন ছিল পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। তিনি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে ভালো খাওয়ার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে জানতেন। তখন ছিল কাজীদের (বিচারকদের) যুগ। এলাকার কাজী ছাহেব ধনী ব্যক্তি ছিল।
গরিব আলিম ব্যক্তি তিনি কাজী ছাহেবের কাছে পবিত্র আশূরা শরীফ উনার ফযীলত মুবারক উনার কথা বলে এবং নিজের অসুস্থতা ও পরিবারের অভুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে ১০ সের আটা, ১০ সের গোশত ও ২ দিরহাম হাদিয়া অথবা কর্জ হিসেবে চাইল বাকি অংশ পড়ুন...
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, খাজায়ে খাজেগাঁ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারী লোক তিনি, যিনি কারো নিকট সাহায্য চান না এবং দুঃখ, কষ্টের সময় অভিযোগ করেও বেড়ান না। তিনি আরো বলেন, তাওয়াক্কুলকারীগণের উপর মুহব্বতের তাজাল্লী বর্ষিত হওয়াকালীন এমন এক হাল যাহির হয় যখন তাকে তলোয়ার দ্বারা টুকরা টুকরা করে ফেললে কিংবা কোনো প্রকার দুঃখ কষ্ট ও যন্ত্রণা প্রদান করা হলেও তার কোনো খবর থাকে না।” (তাযকিরাতুল আউলিয়া-৪/২৩২)
কুতুবুল আলম, ফরীদু যামানিহী, শায়খুল উল বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থ বিভাগের প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ১০০ কোটি টাকায়। এর পরবর্তী অর্থবছরে তা আরো বেড়ে ২৯ লাখ ৫৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা হবে এবং তিন বছর পর অর্থাৎ ২০২৮-২৯ অর্থবছর শেষে এ ঋণ স্থিতি দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। এ বিশাল ঋণের মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎসের অবদান থাকবে ১৮ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়।
ঋণের এ উল্লম্ফন স্বাভাবিকভাবেই সুদ পরিশোধের ব্যয়কে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহী সংবাদদাতা:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
গত বুধবার এই শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে।
তাদের মধ্যে ১০ জনকে রাতে চাপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুরুল হোদা ও জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহবুব হাসান।
সদর উপজেলার শালিম ডোলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল বাকি অংশ পড়ুন...
গ্রীষ্মকাল যেন আমপ্রেমীদের জন্য বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সময়। তবে আম কিনতে গিয়ে অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন থাকে -এই আম কি সত্যিই নিরাপদ?
বর্তমানে বাজারে অনেক আম দ্রুত পাকাতে কিংবা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে অসৎ ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক কীটনাশক ও কৃত্রিম কার্বাইড ব্যবহার করে থাকে। যা শুধু আমের স্বাদই নষ্ট করে না, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও হয়ে উঠতে পারে ঝুঁকির কারণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত বিষাক্ত কীটনাশকযুক্ত আম খেলে পেটের রোগ, লিভারের ক্ষতি, তীব্র মাইগ্রেন এমনকি দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বাকি অংশ পড়ুন...
ফলমূল নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كُنَّا نُصِيْبُ فِيْ مَغَازِيْنَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ فَنَأْكُلُهٗ وَلَا نَرْفَعُهٗ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর ফল লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, কিন্তু জমা রাখতাম না। (বুখারী শরীফ)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ مَا أَكَلَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى ا বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন যে, বর্তমান যামানায় মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ শুনবে এবং আমল করবে।
তবে তিনটা আয়াত শরীফ আমল তারা ছেড়ে দিয়েছে এবং তার গুরুত্ব অনুধাবনে মানুষ অক্ষম হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মানুষেরা! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা থেকে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও হযরত উম্মুল বাশার হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের থেকে সৃষ্টি করেছি।
তবে গোত্রে গোত্রে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছি। যাতে একজন আরেকজনের পরিচয় পেত বাকি অংশ পড়ুন...












