(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৪র্থ দলীল:
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّمَا لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ اَوْ صُوْرَةٌ مِمَّا يُحَرَّمُ اِقْتِنَاؤُهٗ مِنَ الْكِلَابِ وَالصُّوَرِ وَاَمَّا مَا لَيْسَ بِحَرامٍ مِّنْ كَلْبِ الصَّيْدِ وَالزَّرْعِ وَالْمَاشِيَةِ
অর্থ : (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ঐ ঘরে প্রবেশ করেন না, যেখানে কুকুর অথবা মূর্তি-ছবি রয়েছে। যা থেকে কুকুর লালন-পালন করা এবং ছবি-মূর্তি রাখা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। আর শিকারের এবং ক্ষেত-খামার, শস্যাদি ও উট, ভেড়া, মেষ-দুম বাকি অংশ পড়ুন...
যেই ঘরে কুকুর থাকে সেই ঘরে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না:
১ম দলীল:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ رَاَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ الْكَاٰبَةُ فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا شَأْنُكَ قَالَ وَعَدَنِىْ حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَلَمْ اَرَهٗ مُنْذُ ثَلَاثٍ قَالَ فَظَهَرَ كَلْبٌ خَرَجَ مِنْ بَعْضِ الْبُيُوْتِ فَاَمَرَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَتْلِهٖ فَظَهَرَ حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ يَا حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ ا বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র শবে ক্বদর বা পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর দু‘আ কবুলের পাঁচ রাত্রির মধ্যে অন্যতম রাত্রি। এই রাত্রিতে বান্দা-বান্দি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যা আরজি করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে প্রয়োজন অনুসারে তা দিয়ে থাকেন। বান্দা-বান্দির সকল দু‘আই এ রাত্রিতে মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করে থাকেন।
কাজেই সকলের উচিত মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্য, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর, সম্মানিত ঈমান উনার উপর ইস্তিক্বামত বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুর লালন-পালনকারীদের আমল হ্রাস পাওয়া:
(১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার,
(২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার এবং
(৩) শিকারী কুকুর ব্যতীত অন্য সব কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয ও হারাম। যদি কেউ লালন-পালন করে, তাহলে তার আমল থেকে প্রতিদিন দুই উহুদ পাহাড় পরিমাণ নেক আমল কমতে থাকবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اِقْتَنٰى كَلْبًا اِلَّا كَلْبَ مَاشِيَةٍ اَوْ ضَارِيًا نَقَصَ مِنْ عَمَلِهٖ كُلَّ يَوْمٍ قِيْرَاطَ বাকি অংশ পড়ুন...
এক খ্রিষ্টান পাদরি:
অন্তর প্রশান্তকারী এই ঘটনার খবর গিয়ে পৌঁছলো খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট। শুনে তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে, কখনও এতটা আনন্দিত হননি কোনো অভিযানে বিজয় বা গনিমত অর্জনের পর! তিনি আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে বললেন, ‘এখন ইসলাম সম্মানিত হলো।’ ইসলামের স্বকীয়তা বজায় রইলো! কতগুলো ছোট্ট শিশু তাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কথা শুনলো, অতঃপর রেগে উঠলো এবং বিজয় লাভ করলো। এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারণ কুকুর তিন কারণ ছাড়া পালা জায়েয নেই:
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী-
(১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার,
(২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার এবং
(৩) শিকারী কুকুর ব্যতীত অন্য সব কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয ও হারাম এবং সেগুলো নিধন বা হত্যা করা জায়েয়।
শুধু তাই নয়; ক্ষেত্র বিশেষ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক এবং ফরয। কেননা, এই সমস্ত কুকুর নিধন করার জন্য সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক করেছেন। যেমন-
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَّلاَ صُوْرَةُ تَمَاثِيْلَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ওই সমস্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন বাকি অংশ পড়ুন...
ইবরাহীম আল-ফাযারী:
কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, ‘যখন তার ফাঁসির কাষ্ঠ উপরে উত্তোলন করা হলো এবং তার থেকে ফাঁসি কার্যকরী ব্যক্তিদের হাত সরে গেলো, হঠাৎ কাষ্ঠ নরাধমটার চেহারা কিবলার দিক থেকে ফিরিয়ে দিলো। ঠিক তখনই কোথা থেকে দৌড়ে এসে একটি কুকুর নরাধমটার দেহ থেকে দরদর করে বেয়ে পড়া জমাট রক্তে মুখ লাগিয়ে চপচপ করে তা পান করে নিলো!
এই ঘটনাটি উপস্থিত সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক বিরাট নিদর্শন ছিলো। এটা দেখে সকলেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুললো। তখন কাযী ইয়াহইয়া বিন উমর বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
নওগাঁ সংবাদদাতা:
ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির গোশত বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাট-এর নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির গোশত বিক্রি করতেি স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে গোশত এনে বাজারে বিক্রি করতো।
এদিন সকালে এনতাজুলে বাকি অংশ পড়ুন...
বিনা প্রয়োজনে কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয হওয়ার বিষয়ে উম্মতের ইজমা:
১ম দলীল:
আল্লামা হযরত ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَاَمَّا اِقْتِنَاءُ الْكِلَابِ فَمَذْهَبُنَا اَنَّهٗ يَحْرُمُ اِقْتِنَاءُ الْكَلْبِ بِغَيْرِ حَاجَةٍ وَيَجُوْزُ اِقْتِنَاؤُهٗ لِلصَّيْدِ وَلِلزَّرْعِ وَلِلْمَاشِيَةِ
অর্থ : আর কুকুর লালন-পালন করা- আমাদের মাযহাবে প্রয়োজন ব্যতীত কুকুর লালন-পালন করা হারাম। শিকারের জন্য, শস্যাদি পাহারার জন্য এবং (উট, মেষ-দুম্বা, ছাগল ইত্যাদি গৃহপালিত পশু) পাহারার জন্য কুকুর লালন-পালন করা জায়েয। (শরহুন নাববী ১০/২৩৬)
২য় দলীল:
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে,
لَا يَجُوْزُ اِقْتِنَاء বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনটা শ্রেণী। প্রথম শ্রেণীতে রয়েছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনারা দু’জন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর দ্বিতীয় স্তরে রয়েছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর তৃতীয় স্তরে হযরত আবনাউ রস বাকি অংশ পড়ুন...












