SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কামরাঙ্গা%' OR titleBn LIKE '%কামরাঙ্গা%' OR descriptionEn LIKE '%কামরাঙ্গা%' OR descriptionBn LIKE '%কামরাঙ্গা%' OR slug LIKE '%কামরাঙ্গা%' OR metaTag LIKE '%কামরাঙ্গা%' OR metaDescription LIKE '%কামরাঙ্গা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দেশি ফলের চাহিদা ব্যাপক। দেশি ফল দামে কম ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। এরকমই ঔষুধিগুণে ভরপুর দেশি ভেষজ ফল অড়বড়ই এখন বিলুপ্তির পথে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে এর ব্যবহার বহুমাত্রিক। আয়ুর্বেদিক মতে, অনেক গুণে গুণান্বিত এই ফলের রস যকৃৎ, পেটের পীড়া, হাঁপানি, কাশি, বহুমূত্র, অজীর্ণ ও জ্বর নিরাময়ে বিশেষ উপকারী।
আমলকীর মতো নয়, স্বাদটা অনেকটা কামরাঙ্গা বা বিলম্বির মতো! বাংলাদেশে অঞ্চলভেদে একে নলতা, লেবইর, ফরফরি, নইল, নোয়েল, রয়েল, আলবরই, অরবরি ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়।
তবে অড়বড়ইয়ের পাশাপাশি রয়েল নামটাই বেশি প্রচলিত। বিভিন্ন দেশে অড়বড়ই গাছ লাগানো হয় সৌন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বে যে সমস্ত ইসলামী নিদর্শন রয়েছে- তার অন্যতম হলো মসজিদ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে বহির্বিশ্ব চেনে মসজিদের নগরী হিসেবে। রাজধানী ঢাকার বয়স ৪০০ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু মসজিদের নগরী হিসেবে ঢাকার বয়স আরও বেশি, ৫৬০ বছর। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অনেক ইসলামিক নিদর্শন। বাঙালির ইতিহাস হাজার বছরের। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাকে শাসন করেছেন দেশি-বিদেশি অনেক শাসক। তখন নিজেদের প্রয়োজনেই তারা গড়েছেন অনেক ইসলামিক স্থাপনা। সময়ের ধারায় যা প্রতœসম্পদে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মসজিদ। এসব মসজিদ, কারুকাজ বাকি অংশ পড়ুন...
কামরাঙ্গা কেবল ভিটামিন ‘সি’তেই সমৃদ্ধ নয়, রয়েছে আরও অনেক গুণ। কামরাঙ্গা মৌসুমি ফল হলেও কোনো কোনো গাছে সারা বছর বা একাধিকবারও ফলে। এর রয়েছে রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা।কামরাঙ্গার পুষ্টি গুণ সম্পর্কে জানা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম কামরাঙ্গায় আছে ৫০ কিলো ক্যালোরি খাদ্য শক্তি, ০.৫ গ্রাম প্রোটিন, ০.১ গ্রাম ফ্যাট, ৫.১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট।এছাড়াও কামরাঙ্গায় পাওয়া যায় কিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম কামরাঙ্গায় ৬.১ মি.গ্রাম ভিটামিন সি, ০.৪ গ্রাম খনিজ, ১.২০ মি. গ্রাম আয়রন এবং ১১ মি.গ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।মানবদেহে কামরাঙ্গা ঔষধে বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা কেশুয়া এলাকায় আবু তৈয়বের শখের ফল বাগানে এক গাছে ৫টি শাখায় পাঁচ রকমের আমের ফলন হয়। সেই সঙ্গে শোভা পাচ্ছে নবাব সিরাজউদ্দৌলার টেবিলের দুষ্প্রাপ্য আম কহিতুর। এই বাগানে প্রায় ৫০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফলের চাষ হচ্ছে।
জানা যায়, বাগান মালিক আবু তৈয়ব দীর্ঘ ১৯ বছর প্রবাসে থেকে ২০১১ সালে দেশে ফিরে শখের বাগান শুরু করেন। ৬৫ শতক জমি ক্রয় করে ১০ বছর ধরে এ বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির আম, কাঠাঁল, কলা, মাল্টা, শরিফা, লিচু, লেবু, কমলা, জাম্বুরা, নারকেল, পেয়ারা চাষ করে যাচ্ছেন।
বাগানে রয়েছে আলফ্রান্সো, সূর্যডিম, নামডকমা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
কামরাঙ্গা কাঁচা অবস্থায় সবুজ ও পাকলে রং হলুদ বর্ণ ধারণ করে। আমড়ার মতোই কামরাঙ্গা দুই প্রকারের, একটি টক স্বাদযূক্ত এবং অন্যটি মিষ্টি। কামরাঙ্গা খাওয়া ছাড়াও এর জ্যাম, জেলি ও শরবত সুস্বাদু। এটি ভিটামিন এ ও সি- এর ভালো উৎস।
(১) কামরাঙ্গা শীতল ও টক তাই ঘাম, কফ ও বাতনাশক হিসেবে কাজ করে। (২) পাকা ফল রক্ত অর্শের এক মহৌষধ। (৩) শুষ্ক ফল জ্বরে ব্যবহৃত হয়। (৪) জন্ডিস ও স্কার্ভি নিবারণে কামরাঙ্গা অত্যান্ত ফলপ্রসূ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। (৫) কামরাঙ্গা গাছের পাতা ও কচি ফলের রসে ট্যানিন রয়েছে। সে কারণে এ রস রক্ত জমাট বাঁধেতে সাহায বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অন্যান্য জটিলতার সম্ভাবনা কমানো। ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস রোগে খাদ্যনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে চিকিৎসাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস রোগেও পথ্য একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের খাবার হতে হবে পুষ্টিকর ও সুষম।
মাঝারি বা ভারী শ্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিরা প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ ক্যালরি খাদ্যশক্তির খাবার গ্রহণ করবেন। মোট ক্যালরির ৪০-৫০ শতাংশ শর্করা জাতীয় খাবার থেকে গ্রহণ করতে হবে। জটিল শর্করা য বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অন্যান্য জটিলতার সম্ভাবনা কমানো। ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস রোগে খাদ্যনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে চিকিৎসাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস রোগেও পথ্য একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের খাবার হতে হবে পুষ্টিকর ও সুষম।
মাঝারি বা ভারী শ্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিরা প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ ক্যালরি খাদ্যশক্তির খাবার গ্রহণ করবেন। মোট ক্যালরির ৪০-৫০ শতাংশ শর্করা জাতীয় খাবার থেকে গ্রহণ করতে হবে। জটিল শর্করা বাকি অংশ পড়ুন...












