ঘরোয়া সুন্নতী পোশাক উনার আলোচনা :
ক্বমীছ পরিধান করা সুন্নত:
ক্বমীছ বা জামা বিভিন্ন রংয়ের হওয়া, সূতি কাপড়ের হওয়া, মোটা কাপড় হওয়া, ফুতহা বা গলাবন্ধনী সংশ্লিষ্ট ফাঁড়া অংশটি বুকের উপর হওয়া, গলাবন্ধনীকে আটকানোর জন্য কাপড়ের তৈরী গুটলীযুক্ত হওয়া, কোণা ফাঁড়া না হওয়া বরং গোল হওয়া, ছয় টুকরা বিশিষ্ট হওয়া, নিছফে সাক্ব হওয়া ইত্যাদি খাছ সুন্নত মুবারকের অন্তর্ভুক্ত।
মহিলাদের ক্বমীছকে دِرْعٌ (দিরউন) বলা হয় :
মহিলাদের সুন্নতী ক্বমীছ বা জামাকে دِرْعٌ (দিরউন) বলা হয়ে থাকে। যেমন এই বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাবসহ বিভিন্ন কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
دِرْ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদু হজমে সাহায্য করে। কদুতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেটফাঁপা ও অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে খুবই উপকার পাওয়া যায়। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খাওয়া হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কদুতে কলেস্টেরল পরিমাণ শূন্য; যা হার্টের রোগীদের সুস্থ রাখতে অত্যন্ত সহায়ক। এতে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কদুকে পছন্দ করার কারণে আক্বাইদের কিভাবে এসেছে কেউ যদি বলে, “আমি কদু পছন্দ করিনা তাহলে সে কুফরী করলো। কারণ তার এ কথাটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মত মুবারক উনার খিলাফ।” নাউযুবিল্লাহ! (কাজীখান, শেফা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কদু খেতে পছন্দ মুবারক করতেন। আর তাই কদু খাওয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। আর এই কারণে কদু অত্যস্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর বাকি অংশ পড়ুন...
কদু একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদের ফল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে মাছের পেট থেকে বের হয়েছেন সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি একটি কদু গাছ উদগত করে দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ. وَأَنبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّنْ يَقْطِيْنٍ.
অর্থ: “অতঃপর আমি (সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম) উনাকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে (মাছের পেট থেকে) বের করলাম, তখন তিনি ছিলেন মারিদ্বী শান মুবারকে। আমি উনার (ছাউনী হিসেবে) এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ (কদু গাছ) উদ্গত করলাম।” (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
শীতের ভরা মৌসুমেও কমছে না সবজির দাম। উল্টো গত এক সপ্তাহে টমেটো, বেগুন, করলা, বরবটি, কদু, শিম, মুলাসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে চাল, চিনি ও ফার্মের মুরগির দামও বাড়তে দেখা গেছে। গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
ক্রেতাদের অভিযোগ, শীত মৌসুমের সবজি-ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, মুলাসহ নানা সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারাও সবজির দাম বৃদ্ধির নির্দিষ্ট কারণ জানাতে পারছেন না।
সরেজমিনে দেখা যায়, মৌ বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে একদল কথিত সুশীল রয়েছে, যারা সংস্কৃতির দোহাই দিয়ে বোরকার বিরুদ্ধে বলে থাকে। যদিও বাস্তবতা হলো, আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বাঙালি মুসলমানের সামাজিক জীবনে পর্দা ও বোরকার কোন বিকল্প ছিল না।
এই বোরকাবিরোধীদের সবচেয়ে বড় আখড়া হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও ছবির হাট-চারুকলা এলাকাটি। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালী ভিসি ছিলেন এ এফ রহমান, তার পরে ভিসি হয়েছিল রমেশ মজুমদার (আর সি মজুমদার)। রমেশ মজুমদার তার আত্মজীবনী ‘জীবনের স্মৃতিদীপে’তে ভাইস চ্যান্সেলর এ এফ রহমান প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছে-
“নিয়ম অনুসারে গভর্নরের বাড়িতে ক বাকি অংশ পড়ুন...
বরিশাল সংবাদাদতা:
বছরের সাত মাস পানিবদ্ধ থাকত করমজা গ্রামের জমি। বোরো ধান ছাড়া অন্য কোনো ফসল হতো না। নিচু জমিতে বৃষ্টির পানি জমে আগাছা জন্মে পতিত পড়ে থাকত অনেক জমি। কৃষকদের কাছে এ জমি ছিল অনুৎপাদনশীল ‘মরা জমি’।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বারৈজ্জাহাট এলাকায় করমজা গ্রামের অবস্থান। ওই গ্রামের সেই ‘মরা জমিকে’ বদলে দিয়েছেন কৃষক গিয়াস উদ্দিন। নতুন উদ্যোগ ও পরিশ্রমে তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, যে জমিকে সবাই ফেলনা ভেবেছিল, সেটিও হতে পারে সোনার খনি। তিনি এই মৌসুমে শুধু লালশাক বুনে বিক্রি করেছেন দুই লাখ টাকা। পাশাপাশি তা বাকি অংশ পড়ুন...
সিরাজগঞ্জ সংবাদাদতা:
কাঁচা বাজারে সবজির দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি অন্যান্য সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়ে, প্রতি পিচে- বাঁধাকপি ২৫-৩০ টাকা, কদু ৪০-৫০ টাকা, নতুন আলু ৫০-৫৫ টাকা, কাচা মরিচ ৮০-৯০ টাকা, পেয়াজ ৬০-৬৫ টাকা, বেগুন ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রকোনা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় শাক-সবজি সহ বিভিন্ন কাচামালের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এক কুচক্রি মহল শাক-সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আবাদ এবার চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি।
বড় ব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীর কাঁচাবাজারে সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজির দাম। তবে সবজি ও পেঁয়াজের দামে পতন ঘটলেও মাছ, গোশত ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদিপণ্যের বাজার এখনও আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।
গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর রায়সাহেব বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের সবজিতে বাজার এখন ভরপুর। নতুন আলু, শিম ও টমেটোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আর আমদানি করা পেঁয়াজের কেজিও এখন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। গত দু-তিন সপ্তাহ আগের চেয়ে পেঁয়াজের দাম প বাকি অংশ পড়ুন...
কুমিল্লা সংবাদাদতা:
কোকোপিটে চারা উৎপাদন আধুনিক কৃষির সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। এ পদ্ধতিতে সহজেই উন্নত জাতের চারা উৎপাদন করে নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য বদলাতে পারেন কৃষকরা। এমন সম্ভাবনার পথ দেখিয়েছেন জেলার তরুণ কৃষক হোসাইন রাব্বি।
সম্প্রতি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সমেসপুর গ্রামে কোকোপিট পদ্ধতিতে শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন করে আলোচনায় এসেছেন প্রবাস ফেরত তরুণ কৃষক হোসাইন রাব্বি। দীর্ঘদিন ধরে চারা উৎপাদনের জন্য খ্যাত এই গ্রামে তার উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। উন্নত মানের চারা ও ভালো ফলনের আশায় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
শীতের ভরা মৌসুম চললেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফেরেনি স্বস্তি। মাছ, গোশত থেকে শুরু করে চাল-ডাল ও ভোজ্যতেলসহ সবজিবাজারে পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। বাজারে পণ্যের সরবরাহ থাকলেও দামের ভারে নাজেহাল ক্রেতারা। সেই সঙ্গে এখনো দাম কমেনি পেঁয়াজের।
গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যা এমন চিত্র।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগম, শিম, টমেটো, গাজর, মুলাসহ শীতকালীন সবজির কোনো ঘাটতি নেই। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি সবজির দাম তুলনামূলক বেশি। এতে করে নিম্ বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদাদতা:
চট্টগ্রামে কমছেই না পিঁয়াজের ঝাঁজ। গত প্রায় তিন মাস ধরেই খুচরা বাজারে ১১০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে পিঁয়াজ। ফলে পিঁয়াজ কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। অন্যদিকে, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ প্রচুর থাকলেও দাম এখনও চড়া।
গতকাল জুমুয়াবার নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজারে দর যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া যায়।
জানা যায়, গত সপ্তাহে পিঁয়াজ খুচরা বাজারে প্রতিকেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু দুইদিনে কেজিতে অন্তত ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। বাকি অংশ পড়ুন...












