SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উপজাতিরা%' OR titleBn LIKE '%উপজাতিরা%' OR descriptionEn LIKE '%উপজাতিরা%' OR descriptionBn LIKE '%উপজাতিরা%' OR slug LIKE '%উপজাতিরা%' OR metaTag LIKE '%উপজাতিরা%' OR metaDescription LIKE '%উপজাতিরা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বাংলাদেশের ভূখন্ডে থেকে, বাংলাদেশেরই সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরও এদেশেরই বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এমনকি পার্বত্য অঞ্চলকে ভারতের অঞ্চল হিসেবেও মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে একটি উপজাতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপ। প্রতিবছর ১৭ই আগষ্ট উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পার্বত্য ৩ এলাকায় চট্টগ্রাম আগ্রাসন দিবস পালন করে থাকে।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত রাষ্ট্রের জন্ম হয়। তার আগের দিন জন্ম হয়েছে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের। ভারত বিভাগে র্যাড ক্লিফের বিভাজন রেখা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম পড়ে পূর্ব পাকিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় ভূখন্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের একটি উপজাতি সংগঠন। তাদের দাবি, সেখানে সামরিক ঘাঁটি তৈরির পাশাপাশি চারণভূমি ও কৃষিজমিসহ বিস্তৃত এলাকা দখলে নিয়েছে চীনা বাহিনী। তবে সংগঠনের এই দাবি অস্বীকার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
কলকাতাভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন দাসত্বের ‘বাণিজ্য চুক্তিপত্র’-এ আগুন দিয়েছে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা বাংলাদেশ। গতকাল জুমুয়াবার রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে এক বিশাল সমাবেশে তারা ৩২ পৃষ্ঠার উক্ত বাণিজ্য চুক্তিপত্রে আগুন দেন।
সমাবেশে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার যুগ্ন আহবায়ক কাজী আহমদ বলেন, জনগণকে অন্ধকারে রেখে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার মাত্র ৩ দিন আগে গোপনীয়ভাবে আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তি সম্পাদন করে ইউনুস সরকার। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে বিদেশীদের সাথে এ ধরনের চুক্তি করার কোনো অধিকার তার ছিল না। প্ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পাক ভারত উপমহাদেশেও খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। খলীফা ছিলেন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সমধিক পরিচিতি, সুখ্যাতি, অবদান এ উপমহাদেশে বুনিয়াদী বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হিজরী ১৩ শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, মুহম্মদিয়া তরীক্বার সম্মানিত ইমাম, হযরত সাইয়্যিদ আহ বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০" পুনর্বহাল হলে কি হবে?
আদালত রায়টি বলবৎ করলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সংকট তৈরী হবে।
১) পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০ পুণঃবহাল হলে এ অঞ্চলে সরকার ও বাঙালিদের ভূমি অধিকার খর্ব হবে।
২) পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রমের উপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও উপজাতিরা সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবি আরো জোড়ালো করবে।
৩) ১৯০০ সালের শাসনবিধির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব ধরনের ভূমির মালিক হবে উপজাতিরা। এই আইনের ক্ষমতাবলে হেডম্যান, কার্বারী ও সার্কেল চীফরা বাকি অংশ পড়ুন...
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র পূর্ব তিমুর।
পূর্ব তিমুরে ইসলামের আগমন হয়েছিল আরব বণিকদের মাধ্যমে। খ্রিস্টীয় ১৩ থেকে ১৫ শতকে মুসলিম আরব ব্যবসায়ীরা ভারত সাগর পাড়ি দিয়ে জাভা হয়ে এই অঞ্চলে আগমন করেছিলেন।
ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সুফি আলেম ও প্রতিবেশী মুসলমানরাও এখানে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
পূর্ব তিমুর ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী খ্রিস্টশক্তির ষড়যন্ত্র ও মুনাফিকির নিকটতম উদাহরণ। মিশনারীরা সেখানের স্থানীয় মুসলমান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধান বিরোধী এবং উচ্চ আদালতে মৃত ঘোষিত কুখ্যাত “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০” পুণর্বহাল করতে আদালতের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিদেশী মদদপুস্ট দেশ বিরোধী কিছু উপজাতি কুচক্রী মহল। গত ২৩ এপ্রিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০’ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রিভিউ পিটিশন শুনানির তারিখ ছিল। তবে আদালত শুনানিটি তিন সপ্তাহের জন্য মূলতবি করেছেন।
২০১৮ সালে বাতিল হওয়া এই মৃত আইনটি পুণর্বহাল করতে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা পাহাড়ে এবং উচ্চ আদালতে ব্যাপক তৎপর রয়েছে। দেশব বাকি অংশ পড়ুন...
মূল লক্ষ্য হলো, পাহাড়কে ‘পূর্ব তিমুর’ বা ‘দক্ষিণ সুদান’-এর মতো পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া।
সন্তু লারমা, প্রসীত, নাথান বম, কুখ্যাত দেবাশীষ রায়, ইয়েন ইয়েন, মাইকেল চাকমা এবং তাদের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
কুখ্যাত রাজাকার, মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী শীষ রায় এবং সন্তু লারমা ক্ষমতার ভাগ নেয়ার জন্য বাংলাদেশে আদিবাসী নেই বলে স্বীকার করলেও এখন আবার স্বাধীন জুমল্যান্ড গঠনের ষড়যন্ত্রে আদিবাসী প্রচারণা চালিয়ে
বাংলার বুকে নতুন ইসরাইল সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।
আলাদা জুম্মল্যান বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
পার্বত্য চট্টগ্রামে বছরে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয় বলে জানিয়েছে সাবেক সেনা সদস্যদের সংগঠন এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘অশান্ত পাহাড় সর্বভৌমত্বে হুমকি! জাতীয় নিরাপত্তায় করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট (অব.) সাইফুল্লাহ খাঁন সাইফ এ তথ্য জানান।
সেমিনারে সাইফুল্লাহ খাঁন সাইফ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হওয়ার কারণগুলো হলো- পাহাড়ি সশস্ত্র গ্রুপের বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রম, পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে আ বাকি অংশ পড়ুন...
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যাম্প পূন:স্থাপনই কেবল নয় বরং পার্বত্য এলাকায় সেনাক্যাম্প আরো বেশী স্থাপন করা জরুরী দরকার।
এবং বর্তমান গোয়েন্দা ব্যার্থতার বিপরীতে শক্তিশালী গোয়েন্দা নেটও বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী উপজাতিদের আদিবাসী দাবী করে সংবিধান বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করেছে
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যা বাকি অংশ পড়ুন...












