এক সময় গ্রাম-বাংলার কৃষকের সকালের প্রধান খাবার ছিল পান্তা ভাত। সারাদিন মাঠে কাজের শক্তি জোগাতে পান্তা ভাত দারুণ কাজ করে শরীরে। এখনও অনেক পরিবারে সরিষার তেল, কাঁচামরিচ, লবণ ও ভাজা মাছের সঙ্গে পান্তা খাওয়ার চল রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময়ে পান্তা ভাত শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।
পান্তা ভাতে আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়, যা রক্তশূন্যতা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে বাকি অংশ পড়ুন...
হিজামা করার স্থানসমূহ-
হযরত আবূ কাবশাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মাথা মুবারক) উনার মাঝখানে এবং দুই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কাঁধ মুবারক উনার মাঝে হিজামা করতেন এবং ইরশাদ মুবারক করতেন, যে ব্যক্তি নিজ শরীরের এ অংশে হিজামা করাবে, সে তার কোন রোগের চিকিৎসা না করালেও কোন ক্ষতি হবে না।
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
পিরোজপুর সংবাদদাতা:
সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের কৈবর্তখালী গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধু ধান ক্ষেত; সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭ উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী আবাদ হয়েছে। এবার বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে দুই থেকে আড়াই টন। যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা ও কার্যকর সহায়তা, বিনা সুদে ঋণ পেলে এ সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হ বাকি অংশ পড়ুন...
সুস্থ থাকতে ও ডায়েট মেনে চলতে অনেকেই কাঠবাদাম বা আমন্ড খেয়ে থাকেন। পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের নাশতায় আমন্ড রাখার অভ্যাস শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এর সঠিক পরিমাণ এবং নিয়ম জানা জরুরি।
কেন খাবেন আমন্ড?
আমন্ডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ই এবং উপকারী ফ্যাট। এ ছাড়াও এতে ম্যাগনেশিয়াম ও মিনারেলস থাকে যা শরীরের একাধিক ঘাটতি পূরণ করে। এর প্রধান কিছু গুণ হলো-
ওজন নিয়ন্ত্রণ: মাত্র ৩-৪টি আমন্ড দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে আজেবাজে খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: এটি টাইপ-টু ডায়াবে বাকি অংশ পড়ুন...
হাঁটা এমন একটি ব্যায়াম, যা যে কোনো বয়সের মানুষ খুব সহজেই করতে পারেন। এর জন্য আলাদা কোনো যন্ত্রপাতি বা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁটা শুধু শরীরের জন্য নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটলে মন সতেজ থাকে, মানসিক চাপ কমে এবং নিজের জন্য কিছুটা নিরিবিলি সময় পাওয়া যায়। পাশাপাশি এটি শরীরকে সচল রাখে এবং দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
১ কিমি হাঁটলে কি হতে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১ কিলোমিটার হাঁটা একটি ভালো অভ্যাসের শুরু হলেও এটি একা উল্লেখযোগ্য ওজন কমানোর জন বাকি অংশ পড়ুন...
২. মেডিক্যাল সাইন্সের অবসট্রেটিকস বা ধাত্রীবিদ্যায় প্রায় সবকটি রোগের প্রথম ভুক্তভোগীর নাম হলো ‘এলডারলি প্রাইমি’ বা ‘বেশি বয়সে প্রথম সন্তানধারণ’। এমনকি আমাদের দেশে (যে দেশ সম্বন্ধে অমুসলিমরা বলে থাকে যে- বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি) হাসপাতালগুলোতেও গর্ভজনিত রোগের প্রধান ভুক্তভোগীরা হলো এলডারলি প্রাইমি বা বেশি বয়সে প্রথম বাচ্চা নেয়া মা। তবে কম বা বেশি বয়সী মা যাই হোক না কেন, সমস্ত রোগই এখন চিকিৎসাযোগ্য। বয়স কম হোক কিংবা বেশি- সঠিক পুষ্টিমান আর যতœ নিরাপদ প্রসবের অন্যতম শর্ত। এখন কেউ যদি এ শর্ত মেনে না চলার কারণে কোনো সমস্যা হয় বাকি অংশ পড়ুন...
অল্প বয়সে বিবাহ করার ব্যাপারে সমাজে যে অসুস্থ মানসিকতা তৈরী হয়েছে এই অসুস্থ প্রচারণার শিকার হয়ে বর্তমানে মুসলমানরাও এর বিরুদ্ধে বলছে নাউযুবিল্লাহ!
আধুনিক বিজ্ঞান এবং মেডিক্যাল সাইন্স এবং আজকে থেকে হাজার বছর পরের বিজ্ঞান ও মেডিক্যাল সাইন্স একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনিই জানেন। সুতরাং তিনি যেটা হালাল করেছেন, সেটা হালাল হিসেবেই মেনে নিতে হবে। ইহাই ঈমানদারের পরিচয়। এবার আসা যাক- মেডিক্যাল সাইন্সের প্রেক্ষাপটে অল্প বয়সে বিবাহের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডার কিছু অজানা দিক তুলে ধরার সম্পর্কে-
সম্মানিত ইসলামে চিকিৎসা নেয়ার ব্যাপার বাকি অংশ পড়ুন...
খেজুর একটি মিষ্টি জাতীয় ফল। যা মরুভূমি অঞ্চলে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। বিশেষভাবে পবিত্র মদীনা শরীফ খেজুরের জন্য বিখ্যাত। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ঘরে খেজুর নেই, সেই ঘরের অধিবাসীগণ ক্ষুধার্ত অর্থাৎ সেই ঘরে যেন কোন খাবারই নেই।” (আবূ দাউদ শরীফ: হাদীছ শরীফ নং ৩৮৩১)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...












