ভিটামিন-সি রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এটি একটি অমøধর্মী জৈব যৌগ ও সাদা দানাদার পদার্থ। যা শাকসবজি ও টক ফলমূলে বেশি পাওয়া যায়। মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য এটি একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব অপরিসীম। পাশাপাশি হাড় ও দাঁতের জন্যও ভিটামিন সি অনেক উপকারী। এটি ত্বকের টিস্যুর গঠনেও সরাসরি অংশ নেয়। যেকোনো ক্ষত খুব তাড়াতাড়ি সাড়িয়ে তুলতেও এই ভিটামিনের বিকল্প নেই। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে ক্ষতিকর ফ্রি-র্যাডিক্যাল থেকেও রক্ষা করে এটি। ভিটামিন-সি দাঁত ও বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জরুরি পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশন এবং বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান জি. মোস্তফা ট্রেড-এর মধ্যে বুধবার এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতামূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকাস্থ ব্রুনাই হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ব্রুনাই দারুস সালামের সম্মানিত হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওথমান এবং জি. মোস্তফা ট্রেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ মুস্তাকিম অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে প্রধানত যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে দুই দ বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে ইফতার-সাহরিতে খেজুর রাখা খাছ সুন্নত। খেজুর সুস্বাদু হওয়ায় শুধু মুখের রসনা নয়, শরীরের জন্যও খুবই উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে, যেমন কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, খেজুর শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগ করতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খেলে দিনের ক্লান্তিভাব কমে এবং কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।
এ ছাড়া খেজুর হজমে সহায়ক, হাড় ও হৃৎপি-ের জন্য উপকারী এবং রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। তাই রোযা থাকাকালীন ইফতারে বা সাহরিতে ২-৩টি খেজুর খেতে হবে। যা একদিক থেকে সুন্নত আদায় হবে অন্যদিক থেক বাকি অংশ পড়ুন...
নারীদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি সবচেয়ে সাধারণ পুষ্টিগত উদ্বেগের মধ্যে একটি, বিশেষ করে মাসিক, সন্তান জন্মদানের পর রক্তক্ষরণ এবং পুষ্টির ঘাটতির কারণে। প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে সাধারণত ক্লান্তি, চুল পড়া, ফ্যাকাশে ত্বক এবং ঘন ঘন দুর্বলতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আয়রন সমৃদ্ধ লাল শাক স্বাস্থ্যকর আয়রনের মাত্রা অনেকটাই বাড়াতে পারে। এছাড়া লাল রঙের অন্যান্য শাক-সবজিও এই তালিকায় রয়েছে। জেনে নিন নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য লালশাক কেন জরুরি-
১. উদ্ভিদ-ভিত্তিক আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস:
লালশাক নন-হিম আয়রনে সমৃদ্ধ, যা উদ্ভি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا من داء إلا في الحبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاء إِلَّا السَّامَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : ক বাকি অংশ পড়ুন...
বক চয় এমন একটি সবজি বা শাক যা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। এটিকে চাইনিজ বাঁধাকপিও বলা হয়। এটি শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় বিশেষত ভাজি, ভর্তা, কিংবা স্যুপ হিসেবে। বক চয় সহজলভ্য এবং রান্না করাও সহজ। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী যেটি অনেকেই জানে না। তাই আজ আমরা জানবো বক চয়ের উপকারিতা-
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
বক চয় মূলতঃ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ, এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সি বাকি অংশ পড়ুন...
হালিম এমন একটি খাবার যা বহু বছর ধরে ইফতারের সময় জনপ্রিয়। ইফতারে হালিম খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু ইফতারে হালিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না সেটা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।
হালিম ডাল, গম, গোশত, মসলা ও ঘি দিয়ে তৈরি হয়, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে এটি স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা নির্ভর করে কিভাবে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। হালিম একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে যদি এটি ঘরে তৈরি হয় এবং তেলে-ঝালে ভারি না হয়।
এটি দ্রুত শক্তি পুনরুদ্ধার করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারে এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা সহজপাচ্য, পুষ্টিকর এবং শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সক্ষম। এ ক্ষেত্রে দই-চিড়া হতে পারে একটি চমৎকার স্বাস্থ্যকর বিকল্প। এটি শুধু সুস্বাদু ও সহজপ্রস্তুত খাবারই নয়, বরং প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর, যা শরীরের জন্য উপকারী। জেনে নিন দই চিড়ার উপকারিতা।
ইফতারে চিড়া দই খাওয়ার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। যারা স্বাস্থ্যকর এবং হালকা কিছু খেতে চান, তাদের জন্য এটি দারুণ খাবার।
চিড়া, যা শুকনো চাল থেকে তৈরি হয়, সহজে হজমযোগ্য এবং দ্রুত শক্তি সরবরাহ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, দই প্রাকৃতিকভাবে প্রোবায়োটিক, প্রোটিন ও ক্যা বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে দিনে রোযা রেখে ইফতারের সময় সঠিক খাবার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ ও সচল থাকার জন্য ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণ শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করে, রোযায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কম খাবার খাওয়া উচিত। তাই ইফতারের খাবার নির্বাচনে সচেতন হওয়া দরকার।
পর্যাপ্ত পানি ও স্বাস্থ্যকর পানীয়:
ইফতারের সময় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এছাড়া খেজুর ভেজানো পানি দ্রুত শক্তি যোগায় ও হজমে সহায়ক। ডাব বাকি অংশ পড়ুন...
(পর্ব-২)
দেহে ক্ষতিকারক চর্বি হ্রাস ও উপকারী চর্বি সংশ্লেষ বৃদ্ধিঃ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, রমাদ্বান শরীফ মাসে আমাদের রক্তের ক্ষতিকারক চর্বির উপাদান যথাঃ লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (খউখ) এবং ভেরি লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের পরিমান হ্রাস পায়। অন্যদিকে আমাদের শরীরের সুরক্ষায় কাজ করে এমন চর্বির উপাদান যথাঃ হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (ঐউখ) এর পরিমাণ বেড়ে যায়। উপরন্তু রোযা থাকার ফলে দেহের নানাবিধ রোগের কারণ ট্রাইগ্লিসারাইড, প্রদাহ ও জারণ প্রক্রিয়ার হরমোনগুলোও কমে; যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।
রক্তের বিভিন্ন কণিকা ও উপাদানে বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোযার উপকারিতা অপরিসীম। জীব বিজ্ঞানের গবেষণার ফলে আমরা জানি, প্রতিটি প্রাণীর শরীর একটি উচ্চতর এবং সূক্ষ¥ জৈব রাসায়নিক কারখানা এবং এটিকে সচল রাখতে প্রয়োজন হয় শক্তি। উক্ত শক্তির জোগান দিতে স্রষ্টা জীবজগতের জন্য নানা প্রকারের খাদ্যদ্রব্যের ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণত একজন মানুষের এই শক্তি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কমপক্ষে দৈনিক তিনবার খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করতে হয়। তবে মানুষ উন্নত আত্মা সম্পন্ন জীব হওয়ায় মানুষের সঙ্গে অন্যান্য পশুর পার্থক্য হলো মানুষ তার ক্ষুধা-পিপাসা এবং যৌন প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি হাছিলের উদ্দেশ্যে ইবাদত বা আমল করার নাম ইখলাছ। অর্থাৎ প্রত্যেক পুরুষ ও মহিলাকে ইখলাছ অর্জন করতে হবে। অন্যথায় আমল করে ফায়দা বা মর্যাদা হাছিল করা তো দূরের কথা নাজাত লাভ করাটাই কঠিন হবে। যার উদাহরণ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ম বাকি অংশ পড়ুন...












