SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইহুদীসংঘের%' OR titleBn LIKE '%ইহুদীসংঘের%' OR descriptionEn LIKE '%ইহুদীসংঘের%' OR descriptionBn LIKE '%ইহুদীসংঘের%' OR slug LIKE '%ইহুদীসংঘের%' OR metaTag LIKE '%ইহুদীসংঘের%' OR metaDescription LIKE '%ইহুদীসংঘের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
২। কথিত প্রধান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালগুলোর উদাহরণ
আদালতের নাম প্রতিষ্ঠার বছর উদ্দেশ্য
ICTY (International Criminal Tribunal for the former Yugoslavia) ১৯৯৩ যুগোসøাভ যুদ্ধের যুদ্ধাপরাধ বিচার
ICTR (International Criminal Tribunal for Rwanda) ১৯৯৪ রুয়ান্ডার গণহত্যা বিচার
Special Court for Sierra Leone 2002 সিয়েরা লিওনের গৃহযুদ্ধের অপরাধ বিচার
Special Tribunal for Lebanon 2009 লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হত্যাকা- বিচার
International Criminal Court (ICC) ২০০২ স্থায়ী আদালত- সব দেশেই প্রযোজ্য (যদি তারা সদস্য হয়)
৩। কথিত স্থায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC)
· সদর দপ্তর: The Hague, Netherlands· স্থায়ী আদালত (Permanent Court), অর্থাৎ এটি সব সময় সক্রিয় থাকে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরু বাকি অংশ পড়ুন...
৫। ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার কার্যালয়ের চলমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম:
· OHCHR বর্তমানে বাংলাদেশের কথিত মানবাধিকার অফিস খোলার বিষয়ে আলোচনা করছে (বিশেষত ঢাকা বা কক্সবাজারে স্থায়ী শাখা)।
· UNHRC ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশকে Universal Periodic Reviwe (UPR) সেশনে ডেকেছে, যেখানে সরকারের অগ্রগতি পর্যালোচনা হবে এবং সরকারকে চাপ দিয়ে ইহুদী সংঘের গোলামী করতে বাধ্য করা হবে।
· ICC এখনো রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যা মামলায় বাংলাদেশের প্রদত্ত সাক্ষ্য ব্যবহার করছে।
সারসংক্ষেপে:
ক্ষেত্র ইহুদীসংঘের ভূমিকা
যুদ্ধাপরাধ (১৯৭১) কথিত আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী অর্থ পবিত্র দ্বà§ বাকি অংশ পড়ুন...
১। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ও পরবর্তী সময়:
ক্স ইহুদীসংঘ (কথিত জাতিসংঘ) তখন যুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশে মানবিক সংকট অর্থাৎ বাংলাদেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম জারী হয়ে যায় কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলো, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেনি। আসলে ইহুদীসংঘ সুযোগের অপেক্ষা করছিলো কখন বাংলাদেশ তাদের ইহুদী চক্রান্ত অনুযায়ী দখল করে ইহুদী স্বার্থে বাংলাদেশকে পরিচালনা করা যায়। কিন্তু পারেনি।
ক্স যুদ্ধ শেষে ১৯৭২ সালে ইহুদীসংঘ শরণার্থী ও কথিত মানবাধিকার সহায়তা মিশন চালায় (বিশেষত UNHCR I UNDP এর মাধ্যমে)। উদ্দেশ্য যাতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম জারী না ঠবাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার কমিশন/পরিষদ (UNHRC) কোনো বিচার কাজ বা সামরিক অভিযান করে না:
* আর নিরাপত্তা পরিষদ চাইলে সামরিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে পারে (যেমন নিষেধাজ্ঞা, কথিত শান্তিরক্ষী পাঠানো ইত্যাদি অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধেই তারা এই সমস্ত কার্যক্রম করে)।
উদাহরণ ও প্রমাণ:
* দারফুর, রুয়ান্ডা, কসোভো, লিবিয়া, ও মিয়ানমারে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনে জাতিসংঘ সেনা বা আন্তর্জাতিক আদালত ব্যবস্থা নেয়।
* কিন্তু কথিত মানবাধিকার পরিষদ প্রকাশ্যে শুধু প্রস্তাব দেয়, নিজে পদক্ষেপ নেয় না। তবে তারা সà বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো উস্কে দেয়ার মূলে কাজ করছে বিদেশী কিছু সংস্থা, যেমন- জাতিসংঘ (ইহুদীসংঘ), ইউএনডিপি, কারিতাস, কেয়ার, আশা, সিসিডিবি’সহ আরো কিছু বিদেশী এনজিও। এরাই কুটবুদ্ধি ও কুপরামর্শ দিয়ে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে ক্ষেপিয়ে রাখছে। এই উস্কে দেয়ার পেছনে উপজাতিদের মুলো দেখানো হয়- ‘তাদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দেয়া হবে’। কিন্তু বাস্তবে উপজাতিদের স্বার্থ এখানে মুখ্য নয়। মূল স্বার্থ পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের, যারা উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে শুধু ব্যবহার করছে তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। à বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সনদের পরিচিতি:
ক্রিমিনোলজি (অপরাধ বিজ্ঞান) এর আলোকে, মানুষ মূলত একটি জটিল সত্তা যার আচরণ বিভিন্ন কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ক্রিমিনোলজির প্রধান কথা হলো কিছু মানুষের মধ্যে আগ্রাসী বা আত্মনিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা দেখা যেতে পারে, যা তাদের অপরাধ করার প্রবণতাকে বাড়িয়ে তোলে।
অথচ মানবাধিকার সনদে এই আত্মনিয়ন্ত্রণ বা নফস নিয়ন্ত্রণের এবং শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকার কোনো কথা, সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা বা আলোচনা নেই।
বরং ইহুদীসংঘের তথাকথিত সনদ অনুযায়ী নফস ও শয়তানের খেয়াল খুশি মত চলা এবং চলতে দেয়া অর্থাৎ পবিঠবাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন দেশে তাদের দালালদের তৈরী স্থানীয় কথিত মানবাধিকার সংস্থা ও এনজিওর সঙ্গে কাজ করা:
* তারা বিভিন্ন দেশে তাদের দালালদের তৈরী এনজিও, আইনজীবী সংগঠন, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের মতামত গ্রহণ করে। তাদের তৈরী এইসব স্থানীয় এনজিও, আইনজীবী সংগঠন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সাংবাদিক ও নাগরিক সংগঠনগুলো ইহুদীসংঘের ইহুদীবাদী সকল প্রকল্প ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে।
* যেমন: বাংলাদেশে বেলা (BELA), পবা, আসক (Ain o Salish Kendra) ব্লাস্ট (BLAST-Bangladesh Legal Aid and Services Trust), অধিকার (Odhikar), নারী মৈত্রী, নারীবাদী বিভিন্ন সংগঠন, হিজরাদের সংগঠন, সমানাধিকারের দাবীদার সংগঠন ইত্যাদি সংসà§ বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত মানবাধিকার বিষয়ে ইহুদীসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ও বিষয়ভিত্তিক আঙ্গিক (থিমেটিক) তদন্তমূলক বা ইহুদী ষড়যন্ত্রমূলক কাজ:
* নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বিশেষ কথিত মানবাধিকার বিষয়ে ইহুদীসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক বা রিপোর্টিয়ার (ঝঢ়বপরধষ জধঢ়ঢ়ড়ৎঃবঁৎ) নিয়োগ দেয়, যেমন:
* মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যার অর্থ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা (ঋৎববফড়স ড়ভ ড়ঢ়বহরড়হ) এর নামে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করাকে মানবাধিকার বলে প্রচার করে আর ইহুদীবাদ, খ্রিস্টবাদ বা তাদের মনগড়া যে কোন মতবাদের বিরà বাকি অংশ পড়ুন...
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মেয়র বলেন, ‘নিউইয়র্ক সিটির আইনে আমাকে যা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে, আমরা ঠিক সেটাই করব। তবে সেই উদ্দেশ্যে আমরা নিজেদের মতো করে নতুন কোনো আইন তৈরি করব না।’
তিনি আরও জানান, এ বিষয়টি নিয়ে নিউইয়র্ক সিটির আইন বিভাগের (ল ডিপার্টমেন্ট) সঙ্গে তার সক্রিয়ভাবে আলোচনা চলছে।
মামদানি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন নেতানিয়াহু ওরফে নাহি’র স্থান হেগে বা ইহুদীসংঘের (জাতিসংঘের) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে। সেখানে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন কর্নেল রাল্ফ পিটার ২০০৬ সালের “U-S Armed Forces Journal”- এর জুন সংখ্যায় একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। উক্ত মানচিত্রের শিরোনাম ছিল ‘বিস্তৃত মধ্যপ্রাচ্য প্ল্যান’। উক্ত প্ল্যানে যেসব মুসলিম দেশকে টুকরা টুকরা করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছিল তা হলো-
১। সৌদি আরব:
সৌদি আরবের বর্তমান ভূখন্ড-কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হবে।
এর কিছু অংশ জর্দানের সাথে যোগ করে Greater Jordan,
কিছু অংশ ইয়েমেনকে দেয়া হবে,
কিছু অংশ কুয়েতকে দিয়ে
অবশিষ্ট অংশে দুইটি দেশ গঠন করা হবে।
একটি হলো মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ নিয়ে Islamic Sacred State।
অপরটির নাম হলো ঝড়ঁফর Homeland Independent Territory.
২। সিরিয়া:
সিরিয়ার পশ্চঠবাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
সারসংক্ষেপ:
সাল ঘটনা/পরিবর্তন বিশদ তথ্য
১৯৪৬ কথিত মানবাধিকার কমিশন গঠন ইহুদীসংঘের প্রথম কথিত মানবাধিকার সংস্থা
১৯৪৮ Universal Declaration of Human Rights (actually Declaration of Inhumanity) বিশ্বব্যাপী কথিত মানবাধিকার ঘোষণা
১৯৫০-২০০০ কাজেঠবাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
ইহুদীদের কথিত বিশ্ব মানবাধিকার
(আসলে মুসলমানদের অধিকারহরণ, অধিকারহীনতা, অমানবিকতা ও বর্বরতার) ঘোষণা (১৯৪৮)
* সর্বজনীন কথিত মানবাধিকার ঘোষণা Universal Declaration of Human Rights- UDHR (Declaration of Inhumanity ১. ইহুদীদের তথাকথিত মানবাধিকঠবাকি অংশ পড়ুন...












