SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইলিশ%' OR titleBn LIKE '%ইলিশ%' OR descriptionEn LIKE '%ইলিশ%' OR descriptionBn LIKE '%ইলিশ%' OR slug LIKE '%ইলিশ%' OR metaTag LIKE '%ইলিশ%' OR metaDescription LIKE '%ইলিশ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভারত থেকে ভারতীয় ও মিয়ানমারের স্বাদহীন নিম্নমানের ইলিশ আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সকাল থেকে কোন ভারতীয় ইলিশ প্রবেশ করেনি বেনাপোল বন্দরে। এর আগে মৎস্য অধিদপ্তর ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। তবে হঠাৎ ইলিশ আমদানি বন্ধের নির্দিঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। সেই বাণিজ্যপ্রবাহে এবার দেখা দিয়েছে উল্টো চিত্র। বছরজুড়ে দফায় দফায় নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ভারতের গুজরাট থেকে স্বাদহীন নিম্নমানের ইলিশ আমদানি শুরু হয়েছে।
ভারতের মাছ ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে গুজরাট থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে এসেছে। আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ শিগগিরই আসতে পারে। আমদানি করা এসব ইলিশের বেশির ভাগই পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছবাজার হয়ে গুজরাটের ভরুচ থেকে বাংলাদেশে গেছে।
হাওড়া হোলসেল ফিশ ট্রেডার্à বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুর সংবাদদাতা:
ইলিশ গবেষণা কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ বলে দাবি জেলে ও ব্যবসায়ীদের। দেশে ইলিশসহ মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন নিয়ে মৎস্য বিভাগের কোটি কোটি টাকার ১৫টি প্রকল্প রয়েছে। অথচ এর সুফল মানতে নারাজ জেলে ও ব্যবসায়ীরা।
পদ্মা ও মেঘনায় ইলিশ রক্ষায় গত এক দশকে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪টি গবেষণা ও একটি ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিচালিত হলেও মাঠপর্যায়ে এর সুফল নিয়ে রয়েছে তীব্র অসন্তোষ। কাগজ-কলমে ডিম ও জাটকা উৎপাদন বৃদ্ধির চিত্র দেখানো হলেও জেলেরা বলছেন, গত কয়েক বছরে নদীতে ইলিশ আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।
এ অবস্থা থেকে কাটিয়ে উঠà বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার বা’দ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি নিম্নোক্ত ৮ দফা দাবিনামা পেশ করা হয়।
১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে অবমাননাকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি ‘ফাঁসি’ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এই বেয়াদবির অপরাধে ভাঙ্গার কাজী শামচুন্নেচ্ছা স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কেরানীগঞ্জের ইফতেখার অনিà বাকি অংশ পড়ুন...
বরগুনা সংবাদদাতা:
দেশের অন্যতম ইলিশের ভা-ার হিসেবে পরিচিত বরগুনার নদ-নদী ও উপকূলীয় এলাকায় দেখা দিয়েছে ইলিশের তীব্র সংকট। জেলেদের জালে আশানুরূপ মাছ ধরা পড়ছে না।
এভাবে দেশজুড়ে ইলিশ সংকট আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হওয়ায় কথিত ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো যখন ছিলো না, যখন বছরজুড়ে জেলেরা ইলিশ ধরতেন তখন ইলিশের সরবরাহও ছিলো ব্যাপক, দামও ছিলো সহনশীল।
আর এখণ দিনভর সাগর-নদীতে জাল ফেলেও অনেকের নৌকার জ্বালানি ও খাবারের খরচই উঠছে না। ফলে দাদন ও ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৎস্যজীবীঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে তীব্র ঘাটতি ও চড়া দামের কারণে চাহিদা মেটাতে উল্টো ভারত থেকেই স্বাদহীন ইলিশ ঢুকছে বাংলাদেশে।
শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, এবার গুজরাট থেকেও প্রচুর পরিমাণে এসব স্বাদহীন ইলিশ এসে পৌঁছেছে বাংলাদেশের বাজারে। গু কম দামে মেলায় আমদানিকারকরা তা দ্রুত দেশে আনছে। এমনকি কিছু মাছের ডিম আলাদা বিক্রি করা হচ্ছে এবং নোনা ইলিশ হিসেবে প্রক্রিয়াজাতও করা হচ্ছে।
এদিকে আমদানি বাড়লেও স্থানীয় বাজারে তৈরি হয়েছে নানা বিভ্রান্তি। বেনাপোল ও যশোরের পাইকারি ও খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছু ব্যবসায়ী ঠবাকি অংশ পড়ুন...
এ ছাড়া ঝিঙ্গা ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, লাউ ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাচকলা দাম ৪০ টাকা হালি। পাকা মিষ্টি কুমড়া ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, কাকরোল ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামের তালিকায় রয়েছে শিম। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং রসুন ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই-কাতল বিক্রি হচ্ছে আকার ও মানভেদে ৩৫০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি। গুঁড়ো মাছ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২০০ টাকায় মিলছে না কোনো মাছ। একই সঙ্গে ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা হওয়ায় বাড়ছে নি¤œ ও মধ্যবিত্তের সংসার খরচ। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামেই ঊর্ধ্বগতি থাকায় ক্রেতাদের খেতে হচ্ছে হিমশিম।
গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা, সোনালি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বঠবাকি অংশ পড়ুন...
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম এলাকার হাবিবুর রহমান (৪১) এবং একই ইউনিয়নের চাঁদপুর মধ্যপাড়া এলাকার রকিবুল হাসান নয়ন (৩৬)।
পুলিশ জানায়, চক্রটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ইলিশ মাছসহ নানা পণ্য বিক্রির আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রলুব্ধ করত। পরে পণ্য সরবরাহের কথা বলে মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে তা আত্মসাৎ করত। একপর্যায়ে ২০ আগস্ট রাতে কালিয়া থানার পুঠবাকি অংশ পড়ুন...
বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির ‘ধাতিনা ভোল’ মাছ। মাছটি বাগেরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এতে প্রতি কেজি মাছের দাম পড়েছে প্রায় ১৬ হাজার ১৩৬ টাকা।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) সকালে বাগেরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মিরাজ হাওলাদারের আড়তে মাছটি বিক্রি হয়। মৎস্য ব্যবসায়ী হারুন মীর মাছটি কিনে নেন।
এর আগে মঙ্গলবার ১১ আগস্ট বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জেলে ইলিয়াছ হোসেনের মালিকানাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারের জালে মাছটি ধরা পড়à§ বাকি অংশ পড়ুন...
শুক্রবার বিকেলে এসব মাছ মহিপুর মৎস্য অবতরন কেন্দ্রের মনেয়ারা ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়। এসময় ওই আড়তে স্থানীয় মানুষসহ মৎস্য আড়তে ভিড় জমায় পাইকাররা।
এর আগে বৃহস্পতিবার পায়রা বন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে একবার জাল টানার পরই এসব মাছ ধরা পড়ে।
মনোয়ারা ফিস সূত্রে সূত্রে জানা যায়, ধরা পড়া ৪৬ মণ ইলিশের মধ্যে এক কেজি বা তার বেশি সাইজের ওজনের মাছ ছিলো ২৪ মণ। এসব ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। প্রতি কেজি ইলিশের দাম পড়ে ২ হাজার ৮৭৫ টাকা। এ হিসাবে ২৪ মণ ইলিশ বিক্রি হয় ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকায়।আর ৮০০ থেকে ৯০০ বাকি অংশ পড়ুন...












