ধীরে অবমুক্তকৃত ওষুধ (Sustained release drug):
কিছু কিছু ওষুধ রয়েছে, যা একবার সেবন করলে তা শরীরে থেকে ধীরে ধীরে রক্তে প্রয়োজনীয় মাত্রা যুক্ত করে। ফলে বার বার ওষুধ সেবনের প্রয়োজন পড়ে না। এর মধ্যে কিছু ইনজেকশন রয়েছে, যা সাতদিনে একটি নিলেই হয়। কিছু ট্যাবলেট রয়েছে, যা ২৪ ঘন্টায় ১টি সেবনই যথেষ্ট। এ সকল ওষুধ রোযা রাখার পূর্বেই গ্রহণ করলে রোযা অবস্থায় এর কার্যকারিতা শরীরে থাকলেও তাতে রোযার কোন ক্ষতি হবে না।
টিকা (Vaccine):
সম্প্রতি চালু হয়েছে হজ্জে যাওয়ার পূর্বে মেনিনজাইটিস টিকা নেয়ার ব্যাপারটি। এ টিকার মাধ্যমে শরীরে এন্টিজেন প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়, যা বাকি অংশ পড়ুন...
(2) ÒMannitol is rapidly distributed in the extracellular compartment and extracts water from the intracellular compartment ......................... reduces intracellular volume. This effect is used to reduce intracranial pressure in neurologic conditions. ......... urine volume increases in conjunction with mannitol excretion.” অর্থাৎ ম্যানিটল দ্রুত শরীরের E. C কম্পার্টমেন্টে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেলের ভিতর থেকে পানি শুষে নেয় (যার মধ্যে মস্তিষ্কের কোষও অন্তর্ভুক্ত) ........এভাবে সেলের ভিতরের আয়তন কমায়। কার্য্যকারীতার এ দিকটি নিউরোলোজীর বিভিন্ন সমস্যায় (অর্থাৎ মস্তিষ্কে টিউমার, পানি জমা, চাপ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি) ব্যবহার করা হয়। .......... যথাসময়ে (সাধারণতঃ ১/২-১ ঘন্টার মধ্যে) ম্যানিটল পেশাবের সঙ্গে বেরিয়ে যাবার সময় মস্তিষ্ক ও অন্যান্য স্থান থেক বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে কানে ওষুধ গেলে কখনো রোযা ভাঙ্গবে, আবার কখনো ভাঙ্গবে না। কানে পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না, কিন্তু তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে এ ব্যাপারে ইজমা হয়ে গেছে। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, পানিবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে না কিন্তু তেলবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে। পানিবাহিত ওষুধে রোযা না ভাঙ্গার মূল কারণ ওষুধে পানির উপস্থিতি এবং তেলবাহিত ওষুধে রোযা ভাঙ্গার কারণ ওষুধে তেলের উপস্থিতি। মূলতঃ সকলেই একমত যে, কানে তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে, পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না। মগজ অথবা পেটে প্রবেশ করুক আর না করুক, এটার উপরই ফতওয়া। যেম বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ سَعِيْدٍ الْـخُدْرِيِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلاَثٌ لَا يُفْطِرْنَ الصَّائِمَ اَلْـحِجَامَةُ وَالْقَىْءُ وَالْاِحْتِلَامُ.
অর্থ: “হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিনটি জিনিস রোযা ভঙ্গ করে না- শিঙ্গা লাগানো (অর্থাৎ শিঙ্গা দ্বারা শরীর হতে যদি ইচ্ছাকৃতভাবেও রক্ত বের করে তবেও রোযা ভঙ্গ হবেনা এখন তা যেভাবেই বের করা হ বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
সবশেষে আমরা বলতে পারি- Untill recently, dermal application of drugs was intended for local effects only. As transport of substances through skin is better understood, however lipophillic drugs that are reasonably potent are being incorporated into transdermal dosage forms with the intent of establishing therapentic blood levels of drug.
অর্থাৎ এখন পর্যন্ত ত্বকের উপর ওষুধ প্রয়োগ করা হয় স্থানিক প্রভাব পাওয়ার জন্য। যেহেতু ত্বকের মধ্য দিয়ে ওষুধের প্রবেশের ঘটনা ভালভাবে জানা হয়েছে, সেহেতু তৈলাসক্ত এবং উপযুক্তভাবে সক্রিয় ওষুধসমূহ ত্বকের উপর এ কারণেই প্রয়োগ করা হয়, যাতে রক্তে ওষুধের প্রয়োজনীয় মাত্রা পাওয়া যায়।
আমরা জানি রোযা রেখে গোসল করলে অথবা শরীরে তেল মালিশ করলে রোযা ভাঙ্গে না। বাকি অংশ পড়ুন...
যেসব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় এবং শুধু ক্বাযা ওয়াজিব হয় :
১. ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে।
২. আহলিয়াকে বুছা বা স্পর্শ করার কারণে গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৩. কোন অখাদ্য বস্তু তথা পাথর, লোহার টুকরো, ফলের আঁটি ইত্যাদি গিলে ফেললে।
৪. স্বাভাবিক স্থান ব্যতীত অন্যস্থানে মেলামেশায় গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৫. জোরপূর্বক সম্মানিত রোযাদারকে কিছু খাওয়ানো হলে।
৬. ভুলক্রমে কিছু খেতে আরম্ভ করে রোযা ভঙ্গ হয়েছে মনে করে পুনরায় আহার করলে।
৭. কুলি করার সময় পেটে পানি চলে গেলে।
৮. প্র¯্রাব -পায়খানার রাস্তায় ওষুধ বা অন্য কিছু প্রবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ফার্মাসিউটিক্যাল সেমিসলিড (semisolid) প্রিপারেশন্সসমূহের মধ্যে রয়েছে, মলম (ointments), পেষ্ট (paste), ক্রীম (পৎবধস), ইমালশন (emulsion), জেল (gel) ইত্যাদি। এ সবগুলো মাধ্যমই ত্বকে ওষুধ প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে খুব অল্পসংখ্যক মাধ্যম দ্বারা মিউকাস মেমব্রেনে, যেমন রেকটাল টিস্যূ (recral tissue), বাক্কাল টিস্যূ (buccal tissue), ইউরিথ্রাল মেমব্রেন (urethral membrane), কানের বাইরের ত্বকে, নাকের মিউকোসাতে এবং চোখের কর্ণিয়াতে ওষুধ দেয়া হয়। মিউকাস মেমব্রেনে ওষুধ প্রবেশ করলে, তা রক্তে ছড়িয়ে যায় কিন্তু শরীরের সাধারণ ত্বক তু বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রগের বর্ণনা:
৫. টেনডন (Tendon): এটা পেশীর প্রান্তীয় অংশ যা দ্বারা গোশতপেশী সাধারণতঃ অস্থির সহিত সংযুক্ত থাকে। টেনডন মূলতঃ পেশীরই পরিবর্তিত রূপ- শরীরের বাইরে থেকে যাকে শক্ত দড়ির মত মনে হয়।
৬. স্নায়ু (Nerve): যা মানবদেহের অনুভূতি বহনকারী স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System)-এর একটি বিশেষ অংশ। এটা দেখতে এবং আকার আকৃতিতে সাদা রং-এর দড়ির মত। এর অভ্যন্তর ভাগও ফাঁপা নয়।
৭. স্নায়ুরজ্জু (Spinal Cord): এটিও স্নায়ুতন্ত্রেরই একটি অংশ যা মেরুদ-ের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
এটি মস্তিষ্কের সাথে শরীরের অভ্যন্তরস্থ দূরবর্তী স্নায়ূসমূহকে সংযোগকারী। স্নায় বাকি অংশ পড়ুন...
এ পর্যন্ত আলোচনায় তাহলে আমরা যে ধারণা পেলাম তা হচ্ছে-
১. ইনজেকশন কত প্রকার এবং কত রকম পদ্ধতিতে দেয়া হয়।
২. তা কিভাবে রক্ত স্রোতের মাধ্যমে শরীরের সর্বাংশে ছড়ায়।
৩. বিশেষত মগজের অভ্যন্তরে কি করে ইনজেকশনের পর ওষুধ প্রবেশ করে।
এতক্ষণের আলোচনায় এটাই দেখা যাচ্ছে যে, যত প্রকারের ইনজেকশন হোক না কেন, তা এক সময় রক্ত স্রোতে মিশবে এবং মগজে পৌঁছে যাবে।
অতএব চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যবহুল আলোচনা দ্বারা স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে, ইনজেকশন ইত্যাদি মগজে পৌঁছে। সুতরাং রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কারণ, ফিক্বাহের কিতাবে উল্লেখ রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
ইন্ট্রাভেনাস (Intravenous): এ পদ্ধতিতে শিরা (vein)-এর মাধ্যমে রক্তে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এ পদ্ধতিতে ওষুধ সরাসরি রক্তে মিশে যায়।
সাবকিউটেনিয়াস (Subcutaneous): শরীরে ত্বকের এবং মিউকাস মেমব্রেনের এক বা একাধিক স্তরের মধ্য দিয়ে এ পদ্ধতিতে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। তবে এ পদ্ধতিতেও ওষুধ রক্ত স্রোতে মিশে যায়।
ইন্ট্রামাসকিউলার(Intramuscular): এ পদ্ধতিতে ওষুধ শরীরের পেশীসমূহের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো হয় এবং কিছু সময় পর ওষুধ রক্ত ¯্রােতে গিয়ে মিশে।
ইন্ট্রাথিকাল (Intrathecal): অনেক সময় কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System ev CNS)-এ ওষুধ অন্যান্য পদ্ধতিতে প্রয়োগ করলে বিলম্বে পৌঁছে, আর সে ক বাকি অংশ পড়ুন...
মূলতঃ ইনজেকশন সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য শুদ্ধ হয়নি। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ, ফিক্বাহর কিতাবে বর্ণিত উছূল ও বর্তমান আধুনিক বিশ্বের উন্নততর চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভালরূপে তাহ্ক্বীক বা গবেষণা করার পর এটাই প্রমাণিত হয় যে, ইনজেকশন নিলে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। অতএব, ইনজেকশন সম্পর্কিত ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভুল, তাই তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
ইনজেকশন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্যের খন্ডনমূলক জাওয়াব:
আমরা ইনজেকশন সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য জানতে পেরেছি। আমরা পবিত্র কুরআ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ سَعِيْدٍ الْـخُدْرِيِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰـى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيْضَةٌ عَلٰى كُلِّ مُسْلِمٍ.
অর্থ: “হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীদের জন্য পবিত্র ইল্ম অর্জন করা ফরয।” (শুয়া’বুল ঈমান বায়হাক্বী শরীফ: হাদীছ শরীফ নং ১৫৪৭, মাওজুমায়ে ইবনে আরাবী: হাদী বাকি অংশ পড়ুন...












