পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল হয়েছে এখানে ১১৪ খানা পবিত্র সূরা শরীফ রয়েছেন। পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ এটা নাযিল হয়েছে ১০৭ নম্বর। নাযিলের তারতীব অনুযায়ী ১০৭। আর এর আগে পবিত্র সূরা নূর শরীফ নাযিল করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে ১০২ নম্বর সূরা শরীফ, তারতীব অনুযায়ী। আর এর আগে নাযিল হয়েছে পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ ৯০তম সূরা। প্রত্যেকটা সূরা শরীফ মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে নাযিল করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
পবিত্র সূরাগুলোর তারতীব ৯০, ১০২, ১০৭ থাকার পরও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ব্যতিক্রম রয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ অংশগ্রহণকারী, এ উপলক্ষে খুশি প্রকাশকারী, মাল-সম্পদ ব্যয়কারী এবং নেক আমলকারী উনাদের সকলের প্রতি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ সুসংবাদ মুবারক:
১. কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
حضرت مير محمد نعمان رحمة الله عليه وبعضے ياران اينجائى كه در وقائع ان حضرت صلى الله تعا لى عليه وعلى اله وسلم ديده اند كه ازين معركه مولود بسيار راضى اند
অর্থ: “হযরত মীর মুহম্মদ নু’মান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং অন্যান্য সাথীগণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের হারুলিয়া গ্রামে ৮শ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী গাইনের মসজিদটি জৌলুস হারিয়েছে অনেক আগেই। দ্রুততম সময়ে সংস্কার না করা হলে হারিয়ে যেতে পারে মোঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী এ দ্বীনি স্থাপনাটি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, মোঘল সাম্রাজ্যকালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর শাসন আমলে জনৈক শাইখ মোহাম্মদ ইয়ার নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মসজিদটির ঈমাম আব্দুল্লাহ জানান, মসজিদের ভেতরে দেয়ালের গায়ে ফার্সিতে শাইখ মোহাম্মদ ইয়ারের নাম বাকি অংশ পড়ুন...
১। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা।
২। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করা।
৩। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার মুবারক খিদমতের আঞ্জাম দেয়া।
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনাকে সামনে রেখে কিছু অসৎ ব্যবসায়ী যারা মুসলমান উনাদের শত্রু তারা সিন্ডিকেট তৈরি করে সব ধরনের পণ্যের মূল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার পরিচয় :
সাধারণত সম্মানিত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে বলা হয় একটা ওয়াক্বিয়া, হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় সেটা প্রকাশ পায়। যে, হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি অনেক সম্পদশালী ছিলেন। উনার অনেক জায়গা, যমীন, সম্পদ অনেক ছিলো। উনার এই সম্পত্তি পাহারা দেয়ার জন্য, পশুপাল পাহারা দেয়ার জন্য দশ হাজার কুকুর ছিলো। দশ হাজার কুকুর। আর প্রত্যেকটা কুকুর চিহ্নিত করার জন্য স্বর্ণের লকেট পরানো ছিলো। স্বর্ণের লকেট। এটা উনার কুকুরকে চিনার জন্য পাহারাদার হিসেবে, দশ হাজার কুকুর। তিনি প্রায়ই বের হতেন দেখার জন্য উনার জায়গা-যমীন, এই পশুপাল ইত্যাদি।
একদিন হযরত খলীলুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার তওবাতে শুধু যে খুশি হন তাই নয় বরং তিনি তার পূর্বের গুনাহকে নেকীতে পরিপূর্ণ করে দেন। তবে যদি সে তাওবাতুন নাছূহা অর্থাৎ খালিছ তওবা করে থাকে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُـوْا تُـوْبُـوْا إِلَى اللهِ تَـوْبَةً نَّصُوْحًا عَسٰى رَبُّكُمْ أَنْ يُكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّاتِكُمْ وَ يُدْخِلْكُمْ جَنَّتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْـهَارُ يَـوْمَ لَا يُخزى اللهُ النَّبِيَّ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ ثَـوْرُهُمْ يَسْعَى بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَ بِأَيْمَانِهِمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا تَوْرَنَا وَاغْفِرْلَنَا إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَد বাকি অংশ পড়ুন...












