SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আখিরী%' OR titleBn LIKE '%আখিরী%' OR descriptionEn LIKE '%আখিরী%' OR descriptionBn LIKE '%আখিরী%' OR slug LIKE '%আখিরী%' OR metaTag LIKE '%আখিরী%' OR metaDescription LIKE '%আখিরী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ الله تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ يَزَالُ الدِّينُ ظَاهِرًا مَا عَجَّلَ النَّاسُ الْفِطْرَ لأَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى يُؤَخِّرُونَ.
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষ যতোদিন তাড়াতাড়ি পবিত্র ইফতার করবে ততোদিন সম্মানিত দ্বীন বিজয়ী থাকবে। কেননা ইহুদী, নাছারারা অনেক বিলম্বে ইফতার করে থাকে। (আবূ দাউদ শরীফ, ইবনে মাযাহ শরীফ)
এই ক বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, দুনিয়াতে কেউ যদি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘মুহম্মদ’ নাম মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আহমদ’ নাম মুবারক রাখে তাহলে ওই ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন পোড়াবে না। অর্থাৎ সে জান্ন বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
يَوْمَ الْأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ
একটা হচ্ছে কুরবানীর দিন আরেকটা হচ্ছে ফিতরের দিন বা ইফতারির দিন। সেখানে কিন্তু ঈদ বলা হয়নি। এই দু’দিন তোমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো। এখন এই দু’দিন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কে নির্দিষ্ট করে দিলেন? আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এখন এটা হিজরতের পরে রোযার ঈদ এবং কুরবানীর ঈদ সাব্যস্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট হয়েছে। এবং এ হাদীছ শরীফের দ্বারাই মূল বিষয়টা সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু এর পক্ষে কুরআন শরীফের আয়াত শরীফও দলীল দেয়া হয়ে থাকে, ইমাম-মুজতাহিদ যারা অতীত হয়েছেন, উনারাও দলী বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি হচ্ছেন ‘আলিমুল গইব’। অর্থাৎ সর্বপ্রকার গইব বা অদৃশ্য বস্তু বা বিষয়ের ইলম মহান আল্লাহ পাক উনার রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
আজকের ওয়াজ আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ বা নূরুত তাশরীফ মুবারক সম্পর্কে অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব, আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে মর্যাদা-মর্তবা দিয়েছেন, ফযীলত দিয়েছেন, বুযূর্গী দিয়েছেন, কালামুল্লাহ শরীফে সেটা বর্ণনা করেছেন। আর স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, হ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বহু সংখ্যক বর্ণনার মধ্যে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছি করেছেন। আর তিনি উনাদের কদমবুছী গ্রহন করেছেন। অনুরূপভাবে একজন ছাহাবী আরেকজন ছাহাবী র বাকি অংশ পড়ুন...












