SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%অশ্বারোহী%' OR titleBn LIKE '%অশ্বারোহী%' OR descriptionEn LIKE '%অশ্বারোহী%' OR descriptionBn LIKE '%অশ্বারোহী%' OR slug LIKE '%অশ্বারোহী%' OR metaTag LIKE '%অশ্বারোহী%' OR metaDescription LIKE '%অশ্বারোহী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির বাহিনীকে সরাসরি জানিয়ে দিলেন যে, “তোমাদের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থাই তোমরা নাও না কেন আমি কিছুতেই ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবো না এবং করতে পারিনা” তখন ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর মনোভাব এত জঘন্য রূপ ধারণ করলো যে, তারা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও উনার প্রিয়জন উনাদের জন্য ফোরাত নদীর পানি বন্ধ করে দিলো। নাঊযু বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিলো সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিলো ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কয়েকদিন উনাকে দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অমুকের ছেলে অমুক কোথায়?
বলা হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে নেশা পানে ব্যস্ত আছে।
এ সংবাদ শুনে খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার পত্র লেখককে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَأَجَازَ رَسُولُ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ يَوْمئِذٍ حَضْرَتْ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدُبٍ الْفَزَارِيّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ وَ حَضْرَتْ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَخَا بَنِي حَارِثَةَ وَهُمَا ابْنَا خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً وَكَانَ قَدْ رَدّهُمَا، فَقِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ إنّ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ رَامٍ، فَأَجَازَهُ فَلَمّا أَجَازَ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ فَإِنّ حَضْرَتْ سَمُرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يَصْرَعُ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِى বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ ইয়ামুল জুমুয়াহ পবিত্র আছর নামায উনার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক হাজার সৈন্যসহ পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে রওয়ানা হন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার ঘোড়া মুবারকের উপর ছাওয়ার হন। হযরত সা’দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত সা’দ ইবনে উবাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা বর্ম পরিহিত অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির শিবিরের প্রধান কুখ্যাত যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদকে জাহান্নামে প্রেরণ:
৬ষ্ঠ হিজরীতে সংঘটিত ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে বিজয়ী হয়েছিলেন মুসলমানরা। এ জিহাদের প্রধান বীর ছিলেন আমিরুল মু’মিনীন, মুরতাদ্বা, হায়দার, বাবুল ইলম, আসাদুল্লাহিল গালিব, হযরত ইমামুল আউওয়াল, কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি। আমিরুল মু’মিনীন, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপহার দেয়া অমর তরবারি জুলফিকারের অব্যর্থ আঘ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মতে মহাসম্মানিত ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، قَالَ أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، وَمَرْوَانَ، يُصَدِّقُ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا حَدِيثَ صَاحِبِهِ قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الْحُدَيْبِيَةِ، حَتَّى كَانُوا بِبَعْضِ الطَّرِيقِ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ" إِنَّ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ بِالْغَمِيمِ فِي خَيْلٍ لِقُرَيْشٍ طَلِيعَةً فَخُذُوا ذَاتَ الْيَمِينِ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের মূল চিত্র:
রাতের বেলায়ও আক্রমণকারী কাফিররা পরিখা অতিক্রমের জন্য কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়েছিলো। কিন্তু এসকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। মুসলমানগণ পরিখার অপর পাশ থেকে তীর নিক্ষেপ করে তাদের বাধা প্রদান করেন। পরিখার পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর পদাতিকদের মোতায়েন করা সম্ভব ছিলো কিন্তু সম্মুখ যুদ্ধে মুসলমানদের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে তারা সে পদক্ষেপ নেয়নি। পরিখা খননের সময় তোলা মাটি দিয়ে তৈরি বাধের পেছনের সুরক্ষিত অবস্থান থেকে মুসলমানগণ তীর ও পাথর ছুড়ে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ফলে কোন প্রকার আক্রমণ হলে ব্যাপক হতাহতের সম্ভাবনা ছ বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
এতে অবশিষ্ট তৃতীয়াংশ পড়ে গেলো। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে আসলেন, এবং উনার মহাপবিত্র চাদরখানা নিয়ে বসে পড়লেন। হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া সাইয়্যিদুল মুরসালীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন। আপনি যখন আঘাত করছিলেন, আমি আপনার প্রতি লক্ষ্য করছিলাম, দেখলাম আপনি যখনই তাতে আঘাত করছিলে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ-এ প্রবেশ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ১০ই রমাদ্বানুল মুবারক আছরের নামাযের পর দশ হাজার মুসলমানের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে রওয়ানা দিলেন। পথে আরো দুই হাজার মুসলমান এই মুসলিম বাহিনীর সাথে একত্রিত হলেন।
‘কাদীদ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর মাগরিবের সময় হলে সকলেই সেখানে বসে ইফতার করলেন। অতঃপর মুসলিম বাহিনী মনজিলের পর মনজিল অতিক্রম করে সামনে অগ্রসর হতে লাগলেন।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও।’ তখন তিনি দেখতে পেলেন উনার সম্মুখে ওই মুশরিক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। এরপর তিনি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার নাক ফাটা ও মুখম-ল ক্ষত-বিক্ষত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। বেতের আঘাতে তার সমস্ত দেহ নীল হয়ে গিয়েছে। এরপর ওই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
আমির বিন তুফাইল, আরবাদ বিন ক্বাইস। তারা ছিলো বনূ আমীরের গোত্র প্রধান। আরবের অধিকাংশ লোক যখন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে প্রবেশ করেছেন তখনও এই দুই অভিশপ্ত ঈমানতো আনেইনি বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। গোত্রের সবাই ঈমান গ্রহণ করেছেন, এই কথা বলে আমির বিন তুফাইলকে বলা হলো সেও যেন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু সে বললো, ‘আমি শপথ নিয়েছি, সমগ্র আরব জাতি আমার নেতৃত্ব মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমি থামবো না। আজ কিনা কুরাইশ গোত্ বাকি অংশ পড়ুন...












