পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মতে মহাসম্মানিত ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، قَالَ أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، وَمَرْوَانَ، يُصَدِّقُ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا حَدِيثَ صَاحِبِهِ قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الْحُدَيْبِيَةِ، حَتَّى كَانُوا بِبَعْضِ الطَّرِيقِ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ" إِنَّ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ بِالْغَمِيمِ فِي خَيْلٍ لِقُرَيْشٍ طَلِيعَةً فَخُذُوا ذَاتَ الْيَمِينِ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের মূল চিত্র:
রাতের বেলায়ও আক্রমণকারী কাফিররা পরিখা অতিক্রমের জন্য কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়েছিলো। কিন্তু এসকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। মুসলমানগণ পরিখার অপর পাশ থেকে তীর নিক্ষেপ করে তাদের বাধা প্রদান করেন। পরিখার পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর পদাতিকদের মোতায়েন করা সম্ভব ছিলো কিন্তু সম্মুখ যুদ্ধে মুসলমানদের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে তারা সে পদক্ষেপ নেয়নি। পরিখা খননের সময় তোলা মাটি দিয়ে তৈরি বাধের পেছনের সুরক্ষিত অবস্থান থেকে মুসলমানগণ তীর ও পাথর ছুড়ে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ফলে কোন প্রকার আক্রমণ হলে ব্যাপক হতাহতের সম্ভাবনা ছ বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
এতে অবশিষ্ট তৃতীয়াংশ পড়ে গেলো। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে আসলেন, এবং উনার মহাপবিত্র চাদরখানা নিয়ে বসে পড়লেন। হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া সাইয়্যিদুল মুরসালীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন। আপনি যখন আঘাত করছিলেন, আমি আপনার প্রতি লক্ষ্য করছিলাম, দেখলাম আপনি যখনই তাতে আঘাত করছিলে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ-এ প্রবেশ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ১০ই রমাদ্বানুল মুবারক আছরের নামাযের পর দশ হাজার মুসলমানের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে রওয়ানা দিলেন। পথে আরো দুই হাজার মুসলমান এই মুসলিম বাহিনীর সাথে একত্রিত হলেন।
‘কাদীদ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর মাগরিবের সময় হলে সকলেই সেখানে বসে ইফতার করলেন। অতঃপর মুসলিম বাহিনী মনজিলের পর মনজিল অতিক্রম করে সামনে অগ্রসর হতে লাগলেন।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও।’ তখন তিনি দেখতে পেলেন উনার সম্মুখে ওই মুশরিক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। এরপর তিনি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার নাক ফাটা ও মুখম-ল ক্ষত-বিক্ষত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। বেতের আঘাতে তার সমস্ত দেহ নীল হয়ে গিয়েছে। এরপর ওই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
আমির বিন তুফাইল, আরবাদ বিন ক্বাইস। তারা ছিলো বনূ আমীরের গোত্র প্রধান। আরবের অধিকাংশ লোক যখন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে প্রবেশ করেছেন তখনও এই দুই অভিশপ্ত ঈমানতো আনেইনি বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। গোত্রের সবাই ঈমান গ্রহণ করেছেন, এই কথা বলে আমির বিন তুফাইলকে বলা হলো সেও যেন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু সে বললো, ‘আমি শপথ নিয়েছি, সমগ্র আরব জাতি আমার নেতৃত্ব মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমি থামবো না। আজ কিনা কুরাইশ গোত্ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهٖ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্বাস ইবনে মিরদাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন একজন আরব কবি। উনাকে অল্প বয়সী ছাহাবীদের মধ্যে গণ্য করা হয়। একজন সম্ভ্রান্ত বংশোদ্ভূত ব্যক্তিত্ব হওয়ার কারণে তিনি গোত্রের নেতা ছিলেন। একজন অশ্বারোহী এবং একজন কবি হিসাবে উনার খ্যাতি ছিলো।
জাহিলিয়াতের যুগেও তিনি নিজের জন্য মদ্যপান হারাম করেছিলেন। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পূর্বেই তিনি সম্মানিত ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। উনার গোত্রের তিন শত সওয়ারী নিয়ে তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দরবার শরীফে আগমন করেন এবং সম্মানিত ই বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলমান শাসনের সুদীর্ঘ সময়ের একটি বড় অংশ মোঘল সালতানাতের। মোঘল সালতানাতের ব্যপ্তি ছিলো পুরো ভারতবর্ষ তো অবশ্যই পাশাপাশি আফগানিস্তান পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিলো। সুবিশাল এই সালতানাতের বিস্তৃতির পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে সেনাবাহিনী। যা ইতিহাসে মোঘল সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত। এই সেনাবাহিনীর শক্তিশালী দুইটি ইউনিট ছিলো। ১. উটবাহিনী ২. হস্তিবাহিনী।
দুর্দান্ত মোঘল সেনাবাহিনীর অন্যতম শক্তি ছিলো উটবাহিনী। এই বাহিনীটিকে ‘জাম্বুরাক’ বলা হতো। বাদশাহ হুমায়ুন সর্বপ্রথম মোঘল সেনাবাহিনীর জন্য এই জাম্বুরাক বাহিনীটি তৈরি বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলমান শাসনের সুদীর্ঘ সময়ের একটি বড় অংশ মোঘল সালতানাতের। মোঘল সালতানাতের ব্যপ্তি ছিলো পুরো ভারতবর্ষ তো অবশ্যই পাশাপাশি আফগানিস্তান পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিলো। সুবিশাল এই সালতানাতের বিস্তৃতির পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে সেনাবাহিনী। যা ইতিহাসে মোঘল সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত।
মোঘল সেনাবাহিনীর এমন কিছু ইউনিট ছিলো যা সালতানাতের বিস্তৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। মোঘল সেনাবাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা ছিলো আর্টিলারি বা গোলন্দাজ বাহিনী। মোঘল সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধগুলোতে অগ্রবর্তী বাহিনী বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রুপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করতে পারে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উন বাকি অংশ পড়ুন...












