হুব্বে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহিলাদের পাতা
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهٖ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বেমেছাল মহব্বত মুবারক প্রকাশের কতিপয় দৃষ্টান্ত উল্লেখ করা হবে। ইনশাআল্লাহ!
(২৫)
সদ্য বিবাহকৃত আহলিয়াকে রেখে জিহাদে এসে জান কুরবান!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আমর ইবনে ওয়াহাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিত মেয়ে আওলাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার সাথে হযরত সা'দ আসওয়াদী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিবাহ পড়িয়ে দিয়েছেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার বিবাহ পড়িয়ে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করলেন, হে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি আপনার সম্মানিতা আহলিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার নিকট যান।
হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, উনার শপথ করে বলছি, আমার কাছে এখন অর্থ-সম্পদ মওজুদ নেই।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার আহলিয়া উনার মহরের যিম্মাদার তিনজন মু’মিন উনাদের উপর রইলো। আপনি সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান ইবনে আফফান আলাইহিস সালাম) উনার নিকট যান। উনার থেকে দুইশত দিরহাম নিন। তিনি উনাকে দুইশত দিরহামের বেশি দিলেন। হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আওফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট যান। উনার থেকে দুইশত দিরহাম নিন। তিনিও উনাকে দুইশত দিরহামের বেশি দিলেন। ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট যান। উনার থেকেও দুইশত দিরহাম নিন। তিনিও উনাকে দুইশত দিরহামের বেশি দিলেন।
অতঃপর তিনি উনার আহলিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মহরের টাকা ব্যতীত অতিরিক্ত টাকা নিয়ে বিবাহের বাজার করার জন্য আনন্দিত মনে বাজারের দিকে রওয়ানা হলেন। তিনি যখন বাজারে আনন্দের সাথে কেনাকাটা করছিলেন, এমন সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঘোষক ঘোষণা করলেন, জিহাদে চলুন! জিহাদে চলুন! মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত জিহাদ উনার ডাক দিয়েছেন। হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, নভোম-ল ও ভূম-লের মহান ইলাহ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহামহিম ইলাহ, আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি সাক্ষী থাকুন আমি এই দিরহামগুলো ঐ পথে খরচ করবো যে পথে মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মু’মিনগণ খরচ করতে পছন্দ মুবারক করেন। তারপর তিনি একটি ঘোড়া, একটি তলোয়ার, একটি নেযা ও একটি ঢাল ক্রয় করলেন। মাথায় পাগড়ী বাঁধলেন। দেহ আবৃত করলেন। শুধু চক্ষু উন্মুক্ত রইলো। এমন অবস্থায় এসে সম্মানিত মুজাহিদ উনাদের সারিতে দাঁড়ালেন।
এমতাবস্থায় হযরত মুহাজির ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উনার সম্পর্কে বলাবলি করতে লাগলেন, এই অশ্বারোহী তিনি কে?
তারপর পবিত্র জিহাদ শুরু হলে তিনি স্বীয় তরবারি ও নেযা দ্বারা কাফিরদের উপর ভীষণ আঘাত করতে লাগলেন। কাফিরদের উপর আঘাত করতে করতে সম্মানিত জিহাদ উনার এক পর্যায়ে উনার ঘোড়াটি আহত হয়ে মৃত্যু বরণ করলো। তিনি বাহু থেকে কাপড় গুটালেন। কোমড় বেঁধে মজবুত হলেন। ইতোমধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে দেখে বললেন, আপনি কি হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু?
তিনি বললেন, হ্যাঁ আমি হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার জন্য দোয়া মুবারক করে ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনি সৌভাগ্যবান হোন। তারপর আবার তিনি শত্রুদেরকে নেযা ও তলোয়ার দ্বারা আঘাত করতে লাগলেন। হঠাৎ সবাই বলতে লাগলেন- হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি শহীদ হয়েছেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নিকট গেলেন। উনার মাথা মুবারক তুলে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল আযহার মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কোল মুবারক)-এ রাখলেন। কাপড় দ্বারা উনার চেহারা মুবারক থেকে মাটি মুছে দিলেন। অতঃপর তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- কী সুন্দর আপনার হায়াত মুবারক! মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নিকট আপনি কতইনা প্রিয়!
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, এরপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল মহব্বত মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র অশ্রু মুবারক) প্রবাহিত করেন। একটু পর তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুত তাক্বরীর মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র তাবাসসুম মুবারক/মুচকি হাসি মুবারক) প্রকাশ করলেন। তারপর তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুর রহমত মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) ফিরিয়ে নিলেন। এরপর ইরশাদ মুবারক করেন- মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কা’বা শরীফ উনার মহান প্রতিপালক উনার কসম, তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাউযে কাউছার-এ পৌঁছে গিয়েছেন।
হযরত আবু লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কাউছার মুবারক কী?
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আমার মহান প্রতিপালক, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে একটি হাউয মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। সানআ’ থেকে বছরার মধ্যবর্তী দূরত্ব উনার প্রস্থ হবে। উনার উভয় পার্শ্ব ইয়াকুত ও মুক্তা দ্বারা সজ্জিত হবে। উনার পানি দুধের চেয়ে সাদা এবং মধুর চেয়ে মিষ্টি হবে।
কেউ তা থেকে এক ঢোক পানি পান করলে কখনো পিপাসার্ত হবে না। তারপর তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল মহব্বত মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র অশ্রু মুবারক) প্রবাহিত করতে দেখলাম। এরপর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুত তাক্বরীর মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র তাবাস্সুম মুবারক/মুচকি হাসি মুবারক) প্রকাশ করতে দেখলাম। এরপর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুর রহমত মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) ফিরিয়ে নিতে দেখলাম।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র শাহাদাত মুবারক উনার কারণে আমি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল মহব্বত মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র অশ্রু মুবারক) প্রবাহিত করেছি। আর মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উনার মর্যাদা ও সম্মান মুবারক দেখে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুত তাক্বরীর মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র তাবাস্সুম মুবারক/মুচকি হাসি মুবারক) প্রকাশ করেছি। আর আমি দেখলাম যে, ডাগর নয়ন হুরগণ বাহু উন্মুক্ত করে পায়ের গুছা প্রকাশ করে এগিয়ে আসছে। তাই আমি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুর রহমত মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) ফিরিয়ে নিয়েছি।
তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার অস্ত্র, ঘোড়া ও অন্যান্য আসবাব সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করলেন, এগুলো উনার আহলিয়া উনার কাছে নিয়ে যান এবং অভিভাবকদের বলুন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে আপনাদের মেয়ের চেয়ে উত্তম মেয়ের সাথে বিবাহ দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
খুব চিন্তা ও ফিকিরের বিষয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কত সীমাহীন মহব্বত মুবারক করেছেন। উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহব্বত মুবারকে, উনার সন্তুষ্টি মুবারকের লক্ষ্যে নিজেদের জীবনকে কুরবান করে দিতে এক মুহূর্তের জন্যও কুণ্ঠাবোধ করেননি, এক মুহূর্তের জন্যও উনারা চিন্তা করেননি। সুবহানাল্লাহ! উনারা চিন্তুা করেন নি যে, আমি যদি পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক বরণ করি তাহলে আমার পিতা-মাতার কি হবে, আমার আহলিয়া-সন্তানদের কি হবে। সুবহানাল্লাহ! এমনই ছিলো উনাদের সম্মানিত ঈমান মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নিকট নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহব্বত মুবারক ছিলেন সমস্ত কিছুর উর্ধ্বে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহব্বত মুবারকে উনারা উনাদের পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আহলিয়া-সন্তানসহ সকলকিছুকেই এমনকি নিজের জীবনকেও কুরবান করার জন্য সদা প্রস্তুত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! উনার সুমহান মহব্বত মুবারক উনার নিকট অন্য সমস্ত কিছুই ছিলো অতি তুচ্ছ থেকে তুচ্ছ। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত কিছুর চেয়ে সবচেয়ে বেশি মহব্বত মুবারক করার এবং উনাদের ন্যায় পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।
-মুহম্মদ আলমগীর হুসাইন মুরাদী
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হজ্জে মাবরুর বা মকবুল হজ্জ পালন করতে হলে কি কি থাকা শর্ত (১)
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পারিবারিক জীবনে একটি মারাত্মক ভুল যার সংশোধন নেই (২)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একজন উত্তম নারীর গুণাবলী
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
তওবা
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুসলমানদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হযরত তামাযির খুনসা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ৪ শ্রেণীর লোকদের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ ওয়াজিব হবে
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












