SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%অপব্যাখ্যা%' OR titleBn LIKE '%অপব্যাখ্যা%' OR descriptionEn LIKE '%অপব্যাখ্যা%' OR descriptionBn LIKE '%অপব্যাখ্যা%' OR slug LIKE '%অপব্যাখ্যা%' OR metaTag LIKE '%অপব্যাখ্যা%' OR metaDescription LIKE '%অপব্যাখ্যা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৬ষ্ঠ অংশ) :
উল্লিখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুখ ও হাত খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া বা পর-পুরুষের সামনে যাওয়া হারাম। জায়িয মনে করা কুফরী।
কেননা, দৃষ্টি দানকারী দৃষ্টি দিয়ে অন্যায় করার কারণে সে অভিশপ্ত হলো, তাহলে যার প্রতি দৃষ্টি দিবে সেই মহিলাটি অভিশপ্ত হওয়ার একমাত্র কারণ হলো: সে দৃষ্টি দেয়ার ক্ষেত্র তথা মুখ খোলা রেখে বের হয়েছে, সে কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে। মুখ খোলা রাখা জায়িয থাকলে সেই মহিলা কখনো অভিশপ্ত হতো না। কারো প্র বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
আর এটা আবার পবিত্র হাদীছ শরীফ মুবারকে বলা হয়েছে এর ব্যাখ্যায়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ اَلثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ تَلَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ- إلى- وَما يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُوا الْأَلْبَابِ
মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বললেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীকাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
তাহলে যার অন্তরে গালিজ আছে, কুফরী, শিরিকী, শয়তানী আছে। যারা ইবলিসের শাগরিদ বা ইবলিসের দোসর, যার অন্তরটা কুফরীতে পরিপূর্ণ সে বক্রতা তালাশ করে। কি করে শয়তানী করা যায় সেটা সে তালাশ করে। নাউযুবিল্লাহ! কেন? স্পষ্ট বলা হচ্ছে-
ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ
সে ফিতনা সৃষ্টি করার জন্য। অপব্যাখ্যা করার জন্য সে সুযোগ খুঁজতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন-
وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন এই পবিত বাকি অংশ পড়ুন...
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধী ইমামের পিছনে কোন নামাযই হবে না। তা পাঞ্জেগানা হোক কিংবা জুমুআ ও ঈদের নামায হোক।
সাধারণভাবে পাঁচওয়াক্ত ও জুমুআর নামায জামায়াতে পড়ার জন্য পুরুষরা মসজিদে গিয়ে পড়ে থাকেন। এক্ষেত্রে যিনি মসজিদের ইমাম থাকবেন উনার আক্বীদা ও আমল উভয়ই অবশ্যই শুদ্ধ হতে হবে। অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদায় বিশ্বাসী হতে হবে। আর সম্মানিত শরীয়ত ও সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমলের অনুসারী হতে হবে।
যে ব্যক্তির আক্বীদা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুযায়ী হবেনা, সে ঈমানদার নয়। অথচ ইমাম হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
আমার বলার মূল উদ্দেশ্য হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে বুলন্দী শান মুবারক, এটা মানুষ বুঝতে পারেনি। এটা হলো মূল কথা। আর উনার যে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক হলেন, হওয়ার পরে উনি তাহলে কোথায় ছিলেন? পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে। আচ্ছা; ঠিক আছে। এটার কাইফিয়্যাতটা কি? কাইফিয়্যাতটা বলো। কাইফিয়্যাত বুঝো না? কাইফিয়্যাত অর্থ কি? বলো।
আরযী: সাধারণভাবে ধরন।
জওয়াব মুবারক: অবস্থান, হাল। কাইফিয়্য বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী :
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া জাহিলী যুগের মহিলাদের কাজ- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَقَرنَ في بُيوتِكُنَّ وَلا تَبَرَّجنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُوْلَى
অর্থ: মহিলারা যেন তাদের ঘরের মধ্যেই অবস্থান করেন, জাহেলী যুগের মহিলাদের সাদৃশ্যতা অবলম্বন করে তারা যেন ঘর থেকে বের না হন। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩৩)
চৌদ্দজন লোকের সাথে পর্দা করা ফরয এবং তাদের নিকট সৌন্দর্য প্রকাশ করার নিষেধাজ্ঞা ঘোষনা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হচ্ছে-
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, তোমরা শুনে রাখ।
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ
নিশ্চয়ই যাদের অন্তরে বক্রতা, কুফরী-শিরকী রয়েছে, নাপাকী রয়েছে, বদ আক্বীদা রয়েছে, বদ মাযহাব যারা। তারা মুশাবিহাগুলি অনুসরণ করে অপব্যাখ্যা করে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি নিজেই বলেন-
ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ
ফিতনা তালাশের জন্য, ফিতনা ছড়ানোর জন্য তারা এগুলো করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি বলে দিচ্ছেন-
وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهٖ
এবং তারা বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বলে দিচ্ছেন, সাবধান হয়ে যাও কাফিরেরা।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ وَمَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বলতেছেন, আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ
আপনি কাফির এবং মুনাফিক্বদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করুন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ
এদের প্রতি অত্যন্ত কঠ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
مَّا لَهُم بِهٖ مِنْ عِلْمٍ
এদের এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম নেই।
وَلَا لِآبَائِهِمْ
এদের বাপ-দাদা, চৌদ্দ পুরুষেরও এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদেরতো ইলিম-কালাম নেই। যারা অপব্যাখ্যা করে থাকে, চূ-চেরা, কীল-কাল কওে, এদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষেরও কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। কাজেই এদেরকে অনুসরণ করা যাবে না।
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ
এদের মুখ থেকে বের হচ্ছে কঠিন, নি বাকি অংশ পড়ুন...
এখন তাদের মেছালটা কি? সেটা যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন-
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا
কাফিরের মেছাল কি? যারা কাফির এদের উদাহরণ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিচ্ছেন-
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا كَمَثَلِ الَّذِي يَنْعِقُ بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاءً وَّنِدَاءً صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, কি?
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا
কাফিরের দৃষ্টান্ত হচ্ছে,
كَمَثَلِ الَّذِي
ঐ ব্যক্তির মতো,
يَنْعِقُ
যে চিৎকার শোনে
بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاءً وَّنِدَاءً
তাদেরকে যখন পবি বাকি অংশ পড়ুন...












