বলা হচ্ছে-
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, তোমরা শুনে রাখ।
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ
নিশ্চয়ই যাদের অন্তরে বক্রতা, কুফরী-শিরকী রয়েছে, নাপাকী রয়েছে, বদ আক্বীদা রয়েছে, বদ মাযহাব যারা। তারা মুশাবিহাগুলি অনুসরণ করে অপব্যাখ্যা করে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি নিজেই বলেন-
ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ
ফিতনা তালাশের জন্য, ফিতনা ছড়ানোর জন্য তারা এগুলো করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি বলে দিচ্ছেন-
وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهٖ
এবং তারা বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বলে দিচ্ছেন, সাবধান হয়ে যাও কাফিরেরা।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ وَمَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বলতেছেন, আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ
আপনি কাফির এবং মুনাফিক্বদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করুন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ
এদের প্রতি অত্যন্ত কঠ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
مَّا لَهُم بِهٖ مِنْ عِلْمٍ
এদের এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম নেই।
وَلَا لِآبَائِهِمْ
এদের বাপ-দাদা, চৌদ্দ পুরুষেরও এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদেরতো ইলিম-কালাম নেই। যারা অপব্যাখ্যা করে থাকে, চূ-চেরা, কীল-কাল কওে, এদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষেরও কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। কাজেই এদেরকে অনুসরণ করা যাবে না।
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ
এদের মুখ থেকে বের হচ্ছে কঠিন, নি বাকি অংশ পড়ুন...
এখন তাদের মেছালটা কি? সেটা যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন-
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا
কাফিরের মেছাল কি? যারা কাফির এদের উদাহরণ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিচ্ছেন-
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا كَمَثَلِ الَّذِي يَنْعِقُ بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاءً وَّنِدَاءً صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, কি?
وَمَثَلُ الَّذِينَ كَفَرُوا
কাফিরের দৃষ্টান্ত হচ্ছে,
كَمَثَلِ الَّذِي
ঐ ব্যক্তির মতো,
يَنْعِقُ
যে চিৎকার শোনে
بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاءً وَّنِدَاءً
তাদেরকে যখন পবি বাকি অংশ পড়ুন...
এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে বলা হচ্ছে-
يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ
আপনারা একক, অনন্যা। আপনারা কোন জিন-ইনসান, পুরুষ-মহিলা কোন সৃষ্টির মতো নন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ তিরষ্কারের কিতাব, নানান কল্প-গল্প কাহিনীর কিতাব বা নানান রকম চূ-চেরা, কীল-কাল, বিদ্বেষ বর্ণনা করার, মারামারি কাটাকাটি ইত্যাদি ইত্যাদি সেই বর্ণনা করার সুযোগটা কোথায়। নাউযুবিল্লাহ! আর সেটাই এক কথায় বলা হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক বুঝতে হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কালাম মুবারক বুঝতে হবে। তখন বুঝতে সহজ। নিজের মতো বুঝলে
اَلْمَرْءُ يَقِيْسُ عَلٰي نَفْسِهٖ
যে যে রকম সে সে রকম মনে করে থাকে তখন সে গোমরাহ হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই এখানে পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে ছানা-ছিফত মুবারক, মর্যাদা মুবারক সেটাই বর্ণনা করা হয়েছে।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, অবশ্যই আমি পাল্টিয়ে দিতাম। তাহলে তিনি পাল্টিয়ে দিয়েছেন কি? নাউযুবিল্লাহ! তাহলে দেখা যাচ্ছে উনাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তিত্ব আর কেউ নেই। যারজন্য উনারাই সেই মুসলমানিত্বের মাক্বাম, ঈমানের মাক্বাম, ক্বনিতিনের মাক্বাম, তওবার মাক্বাম, আবদিয়াতের মাক্বাম এবং ছমাদিয়াতের মাক্বাম প্রত্যেকটা মাক্বামের হাক্বীক্বী উনারা মালিক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদেরকে নিয়ে চূ-চেরা, কীলকাল করা, এতো কল্প গল্প এসব বানিয়ে মিথ্যা বলা এর ক বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু বাংলায় প্রবাদ আছে চোরের দশ দিন আর গৃহস্থের একদিন। সুতরাং চোর ধরা পড়ে গেলো। সেই তাওহীদ প্রকাশনীর সম্পাদনায় বুখারী শরীফ উনার ১ম খ- ২য় পৃষ্ঠা ১নং হাদীছ শরীফ উনার সনদটি নিম্নরূপ (দাগ দেয়া অংশে রাবী উনার নাম)-
حَدَّثَنَا الْـحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَـحْيَى بْنُ سَعِيْدٍ الْاَنْصَارِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِـيْ مُـحَمَّدُ بْنُ اِبْرَاهِيْمَ التَّيْمِيُّ، اَنَّهُ سَـمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ سَـمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْـخَطَّابِ
বুখারী শরীফ উনার ১ম হাদীছ শরীফ “ইন্নামা আ’মালু বিন্নিয়াত” এই মশহুর হাদীছ শরীফ উনার রাবী হচ্ছেন- হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং যিনি মালিক তিনি বন্ধু।
وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمَلائِكَةُ بَعْدَ ذٰلِكَ ظَهِيرٌ
এবং হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম, সমস্ত ঈমানদার এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনার খাদিম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদের অপরিচ্ছন্ন জাওয়াব, এদের অপরিচ্ছন্ন বক্তব্য যে, আপনারাতো ভুল-ত্রুটি করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এখন যদি আরো বিরোধিতা করেন তাহলে কিন্তু আপনারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সম্প্রতি লিবিয়ায় এক ইহুদি সালাফি রূপ ধারণ করে দেশটিতে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তৈরি করেছে। যার মাধ্যমে লিবিয়াকে আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে। তাই বাংলাদেশের দ্বীনদার মুসলমানদেরকে সালাফিদের বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাও. একে এম আশরাফুল হক ও মহাসচিব মাও. মুমিনুল ইসলাম।
এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। এসময় তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমরা বিদেশী ও ইহুদি এজেন্ট সালাফিদেরকে যথেষ্ট সক্রিয় দেখতে পেরেছি। জাতি আশা বাকি অংশ পড়ুন...












