সম্পাদকীয়-২
স্বাধীনতার পর দাতা সংস্থার প্রেসক্রিপশনে একের পর এক সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারের নামে প্রচুর লুটপাট হয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রে এবং রাজনৈতিক নেতাদের কারণে ৮০ ভাগ যাতায়াত সড়ক পথে হয়েছে। সড়ক যাতায়াতে অতিরিক্ত অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হয়েছে এবং অনেক দুর্ঘটনা হয়েছে।
সড়ক পথের বিপরীতে নৌপথ ও রেলপথকে আরো অনেক বেশি কার্যকর ও সহজ এবং বিস্তৃত করতে হবে। তবেই সড়ক পথে দুর্ঘটনা আশাতীতভাবে কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।
, ১ জুমাদ্বাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৫ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৪ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশে গত ১২ বছরে ৬৭ হাজার ৮৯০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৭২৬ জন নিহত এবং ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১ জন আহত হয়েছে বলে তথ্য দৈনিক আল ইহসানে প্রকাশিত হয়েছে।
দেশের সড়কে প্রতিদিন গড়ে ১৫টি দুর্ঘটনা ঘটছে, এতে মারা যাচ্ছে ২৭ জন এবং আহত হচ্ছে ৩৮ জন। ২০১৪ থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র মিলছে।
সড়ক দুর্ঘটনা শুধু মানবিক ক্ষতি নয়, এটি দেশের অর্থনীতির ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার হিসেব মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (অনেক গবেষণায় যা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়) ক্ষতি হয়। এ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে চিকিৎসা খরচ, সম্পত্তির ক্ষতি, উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং আইন প্রয়োগ ও উদ্ধারকার্যের খরচ। নিরাপদ সড়কের অনুপস্থিতি দেশের পর্যটন এবং বিদেশী বিনিয়োগকেও নিরুৎসাহিত করে। সড়ক দুর্ঘটনাকে কোনো একক কারণের ফল হিসেবে দেখা ভুল।
এটি মূলত একাধিক জটিল সমস্যার আন্তঃসম্পর্কের ফল। এ কারণগুলো প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। তা হলো অনেক চালক যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই লাইসেন্স পায়। ড্রাইভিং টেস্ট ও প্রশিক্ষণের মান আন্তর্জাতিক মানের নয়। বিশ্রামের অভাব ও ক্লান্তি: বিশেষ করে দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকচালকরা অতিরিক্ত ট্রিপের লোভে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয় না, ফলে ঘুমের ঘোরে বা ক্লান্তিতে দুর্ঘটনা ঘটে। বেপরোয়া গতি ও প্রতিযোগিতা: এক রুটে একাধিক গাড়ির মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং সময় বাঁচানোর প্রবণতা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে উৎসাহিত করে। মাদকাসক্তি: কিছু চালকের মধ্যে নেশা করে গাড়ি চালানোর প্রবণতা থাকে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে।
অনেক পুরনো ও ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি, যাদের ‘রোড ফিটনেস’ নেই, সেগুলো জোর করে সড়কে নামানো হয়।
ব্রেক ফেইলর, টায়ার বিস্ফোরণ, লাইটের সমস্যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহনের ফিটনেস যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও দুর্বল আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার কারণে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন বহাল থাকে। পণ্যবাহী যানবাহনগুলোয় প্রায়ই অতিরিক্ত মালবোঝাই করা হয়, যা গাড়ির নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তোলে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। দেশের অনেক সড়কই ভুল নকশায় তৈরি। অপরিকল্পিত বাঁক, অপ্রয়োজনীয় স্পিড ব্রেকার, ডিভাইডার না থাকা বা ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইডার দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
বিআরটিএ-এর তথ্যমতে বাংলাদেশে ২০টি ক্যাটাগরির নিবন্ধিত মোটরচালিত যানের সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখের মতো। এরমধ্যে ৪৪ লাখ বাহনই মোটরসাইকেল। বাকি ১৬ লাখের মধ্যে প্রায় ছয় লাখ যানবাহনের কোন ফিটনেস নেই।
বিষয়টি দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা সংস্থাকে ‘ম্যানেজ’ করে এই যানগুলো চলছে বলে জানিয়েছে যাত্রীদের অধিকারে কাজ করা সংস্থাগুলো।
ঈদ-যাত্রার সুযোগে বেশিরভাগ ফিটনেসবিহীন বাস মহাসড়কে উঠে পড়ে যা ঈদে সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়ার আরেকটি বড় কারণ।
কেননা সড়কে যতো দুর্ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে দুর্ঘটনাকবলিত যানটির ফিটনেস নেই।
নিরাপদ সড়কের জন্য ২০১৮ সালে বেশ সাড়া জাগানো আন্দোলন করেছিল শিক্ষার্থীরা।
সড়কের নিরাপত্তায় শাস্তি বহু গুণ বাড়িয়ে আইন করা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৭ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের দিক থেকে সড়ক নিরাপদ করতে নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও কোনটাই ঠিকমতো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। দুর্ঘটনাও রোধ হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি সড়ক পথে দুর্ঘটনা কমাতে হলে মূলত: সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে।
এখানে উল্লেখ্য, ‘স্বাধীনতার আগে দেশে নিরাপদ ও স্বাভাবিক নৌপথ এবং রেলপথ মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল। ৮০ শতাংশ মানুষ নৌ ও রেলে যাতায়াত করতো, আর সড়কে মাত্র ২০ শতাংশ। তখন সড়কে দুর্ঘটনা তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। স্বাধীনতার পর দাতা সংস্থার প্রেসক্রিপশনে একের পর এক সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারের নামে প্রচুর লুটপাট হয়েছে। একাধিক নতুন সড়ক নির্মাণ ও বহুমাত্রিক পরিবহন ব্যবস্থার অভাবজনিত কারণে সড়কে মানুষের যাতায়াত ৮০ শতাংশে বেড়ে গেছে, ফলে দুর্ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’
সঙ্গতকারণেই সড়ক পথের বিপরীতে নৌপথ ও রেলপথকে আরো অনেক বেশি কার্যকর ও সহজ এবং বিস্তৃত করতে হবে। তবেই সড়ক পথে দুর্ঘটনা আশাতীতভাবে কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












