সম্পাদকীয়
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
, ০২ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২১ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মার্চে ৪৪ হাজার ৬৫৮ জন কর্মী বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৬৬ হাজার ৭৭৩ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বিদেশে কর্মী যাওয়ার হার ৩৩ শতাংশ কমেছে।
এছাড়া ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে বিদেশে কর্মী যাওয়ার হার ৩২ শতাংশ কমেছে, যা গত ৫৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশের অর্থনীতি যে খাদের কিরারে পড়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকার সেই জায়গা থেকে আরো বেশি দূর্নীতির দিকে ধাবিত হওয়ায় অর্থনীতি আরও অনেক বেশি খারাপ হয়েছে।
বিভিন্ন সংস্থার হালনাগাদ তথ্য বলছে, অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই এখন নিম্নমুখী। সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে রেমিট্যান্স নিয়ে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যেও চলছে স্থবিরতা, বিনিয়োগেও মন্দাবস্থা। বিশ্ব মন্দার প্রভাবে জ্বালানিসংকটের পাশাপাশি সরকারের ব্যয় বাড়ছে। প্রতিদিনের যন্ত্রণা হয়ে উঠেছে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি। এটি একদিকে মানুষের সঞ্চয়ের টুঁটি চেপে ধরছে, অন্যদিকে ক্রেতার সক্ষমতায় চিড় ধরিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। এতে সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও যেমন তৈরি হয়েছে স্থবিরতা, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়েও বিরাট ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আবার সরকারের আয় কমে যাওয়ায় ব্যাংক থেকে ঋণ করার প্রবণতা বাড়ছে, যা কমিয়ে দিচ্ছে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়িয়ে দিচ্ছে কর্মসংস্থার সংকট তথা বেকারত্বে।
(২)
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, গত বছরে দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতেই কয়েকশ’ শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন বন্ধ করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর পেছনে বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপ যেমন রয়েছে, তেমনই ব্যাংক খাতের কঠোর নীতিও একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সমস্যাগ্রস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজে বের করার পরিবর্তে শুধু ঋণ পুনঃতফসিলের মতো সাময়িক ব্যবস্থা নেয়।
ব্যাংক তার হিসাব পরিষ্কার করার জন্য পুনঃতফসিল করে, কিন্তু এতে সমস্যার প্রকৃত সমাধান হয় না।”
অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক ছয় মাস বা এক বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল করলেও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বা পুনঃঅর্থায়ন দেয় না। ফলে সাময়িকভাবে সময় পাওয়া গেলেও মূল সমস্যা থেকে যায়। ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য “শুধু রিশিডিউল করলেই হবে না। রিশিডিউলের পাশাপাশি রিফাইন্যান্সও করতে হবে। না হলে শিল্প প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।”
উদাহারনত: একটি কারখানায় হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হয়েছে। ব্যাংকের ঋণ হয়তো ১৫০ বা ২০০ কোটি টাকা। কোনও কারণে সেই ঋণ খেলাপি হয়ে গেলে ব্যাংক সব সুবিধা বন্ধ করে দেয়। তখন কারখানা চালু রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।”
মতে রাখতে হবে অনেক ক্ষেত্রে শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাংকও তাদের পুরো টাকা ফেরত পায় না। বরং কারখানা সচল থাকলে ঋণ ধীরে ধীরে পরিশোধ হওয়ার সুযোগ থাকতো।
প্রায় প্রতিটি গার্মেন্ট কোম্পানিরই কোনও না কোনও ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ক রয়েছে। গার্মেন্ট কারখানা থেকে ব্যাংকগুলো নিয়মিত মুনাফা পেলেও, কারখানা সংকটে পড়লে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংকের সহায়তা পাওয়া যায় না। এমনও উদাহরণ রয়েছে, মাত্র পাঁচ কোটি টাকার দেনার কারণে ২০০ কোটি টাকার কারখানাও বন্ধ হয়ে গেছে।
(৩)
প্রসঙ্গত: শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার প্রভাব শুধু উদ্যোক্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এর বড় প্রভাব পড়ে কর্মসংস্থানের ওপর। গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতে প্রতিটি কারখানায় কয়েকশত থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ করেন। ফলে একটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক চাকরি হারায়।
গত বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শত শত কারখানার কারণে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এর ফলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে।
কারণ একটি বড় কারখানা বন্ধ মানে শুধু মালিকের ক্ষতি নয়; এর সঙ্গে জড়িত থাকে হাজারো শ্রমিক ও সরবরাহকারী, পরিবহন খাতসহ আরও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও তাদের পরিবার।
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি যদি একটি বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান সাময়িক সমস্যায় পড়ে, তাহলে সেটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা উচিত। কারণ সেটি বন্ধ হয়ে গেলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উৎপাদন- সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুধু ঋণ পুনঃতফসিল নয়, পাশাপাশি পুনঃঅর্থায়ন, পুরো সুদ মওকুফ এবং সুদবিহীন পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রয়োজন।
বলার অপেক্ষা রাখেনা এটা প্রচলিত ব্যাংক ব্যবস্থায় আশা করা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন ছহীহ শরঈ ব্যাংক ব্যাবস্থা।
সরকার যদি প্রকৃত ব্যবসাগুলোর জন্য আরও সাহসী ও পুনরুদ্ধারমুখী তথা ইসলামী পদক্ষেপ নিতো তাহলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারতো এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশ ও জনগণ বর্তমান সংকট থেকে বাঁচতে পারতো। বর্তমান মুমূর্ষ অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ। সরকার এ বিষয়ে যথাযথ সক্রিয় হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন শুধু সামরিক বা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই নয় বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জজবাকে সমুন্নত করার জন্য হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা শকুনীরা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। ডিপস্টেট আমলাদের দ্বারা প্রণীত হচ্ছে- রফতানী বাধাগ্রস্থ করার নীল নকশা। চা রফতানীর বাধাসমূহ অবিলম্বে দূর করতে হবে।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ! সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এই মহিমান্বিত দিনটি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াদী আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ১৮ই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ! খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আম্রিকা বাংলাদেশকে আরো বেশী তুলা আমদানিতে চাপ সৃষ্টি করছে। আম্রিকা থেকে তুলা আমদানি জটিল, অধিক ব্যয় ও সময় সাপেক্ষ। অথচ একটু উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশই হতে পারে তুলায় স্ব-নির্ভর। ইনশাআল্লাহ।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নানা নামে বিভিন্ন কর আরোপকে মহা জুলুম হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন বাজেটে নানা কর পরিকল্পনা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। সরকারকে অন্যায্য কর মুক্ত বাজেট দিতে হবে।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯, ১০, ১১, ১২ এবং ১৪ তারিখ মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসসমূহের তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস এবং পাশাপাশি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই শরীফ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হয় সব বাধা দূর করে জীবন-জীবিকা বান্ধব সমৃদ্ধ গবেষণার জন্য যথাযথ তৎপরতা ও প্রচেষ্টা একান্ত দরকার
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের কুরবানীর পশু যাতায়াতের পথে এবং কুরবানীর হাটে যথাযথ নিরাপত্তাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন? সড়ক ও নৌপথে পশুবাহী যানগুলোতে চলছে চাঁদাবাজি-ডাকাতি চাঁদা না দিলে হত্যার ঘটনাও ঘটছে কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












