ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে নূরুত তাশরীফে রসূলিল্লাহি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (৭৩)
, ০১ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মহান আল্লাহ পাক তিনি জানালেন যে, আপনাকে তো সেটা জানানো হবে। আমি যে তাওরাত শরীফ আপনার প্রতি নাযিল করেছি সেই তাওরাত শরীফ-এর মধ্যে আমার যিনি হাবীব, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক ‘মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ এই নাম মুবারক সেখানে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই লোকটা, যে দুইশত বৎসর হায়াত পেয়েছিল, যার গুনাহ-খতা রয়েছে, ভুল-ত্রুটি রয়েছে, সে তাওরাত শরীফ কিতাব একদিন খুলেছিল, খুলে দেখতে পেয়েছিল সেখানে এক স্থানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক সেখানে রয়েছে। সেটা সে দেখে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহব্বতে শুধুমাত্র আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারককে সে চুম্বন করেছিল মহব্বতের সহিত। সুবহানাল্লাহ! এই চুম্বন করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, যেহেতু সে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহব্বত করে নাম মুবারক চুম্বন করেছে সেজন্য আমিও তাকে মহব্বত করেছি। সুবহানাল্লাহ! আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহব্বত করার কারণে আমিও তাকে মহব্বত করে তার দুইশত বৎসরের গুনাহ-খতা মাফ করে দিয়েছি এবং তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহ! এবং আপনার মত একজন জলীলুল ক্বদর রসূলকে এই ব্যক্তির গোসল, কাফন, দাফনের জন্য আদেশ করেছি। সুবহানাল্লাহ!
এখন ফিকির এবং চিন্তার বিষয় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারককে চুম্বন করার কারণে যদি এটা হয়ে যায় যে, দুইশত বৎসরের গুনাহ-খতা মাফ হয়ে যায়, জাহান্নামী জান্নাতী হয়ে যায়। একজন জলীলুল ক্বদর রসূল তার গোসল, কাফন, দাফনের জন্য আদেশপ্রাপ্ত হন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারককে শুধু চুম্বন করার কারণে যদি এতটুকু ফযীলত লাভ করা যায় তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অজুদ মুবারক তিনি যেদিন তাশরীফ মুবারক এসেছেন সেজন্য কেউ যদি খুশি প্রকাশ করে তাহলে সে কতটুকু মর্যাদা লাভ করবে। এটাতো আক্বলের বিষয়, চিন্তার বিষয়।
আর সেই বণী ইস্রাঈলের সেই বান্দা, সে কিন্তু কোন ফযীলত জানত না। সে তাদের আসমানী কিতাবে বা নবী-রসূলদের ক্বওল মুবারকের মধ্যে এমন কোন কথা সে শুনেনি, পায়নি, জানেনি বা তার জানা ছিল না যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারককে সম্মান করলে, তা’যীম-তাকরীম করে চুম্বন করলে এত ফযীলত পাওয়া যাবে সেটা তার জানা ছিল না। কোথাও সে লিপিবদ্ধ পায়নি। তারপরেও সে তা’যীম-তাকরীম করেছে, মহব্বত করে চুম্বন করেছে। এই মহব্বত করে, চুম্বন করার কারণে যদি এই ঘটনা ঘটে যায়, দুইশত বৎসরের গুনাহ মাফ হয়ে যায়, জাহান্নামী জান্নাতী হয়ে যায়, জলীলুল ক্বদর রসূল তাকে গোসল, কাফন, দাফনের জন্য আদেশপ্রাপ্ত হন তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অজুদ মুবারকের তা’যীম-তাকরীম করলে কতটুকু ফযীলত পাবে। এটা মানুষের ভাষা দিয়ে মানুষ কখনই প্রকাশ করতে পারবে না। যেটা ছিহাহ্ সিত্তাহ্র হাদীছ শরীফগুলোতে বুখারী শরীফ, মুসলীম শরীফ, অন্যান্য হাদীছ শরীফ-এর কিতাবে অনেক ওয়াক্বিয়া রয়েছে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তা’যীম-তাকরীম করলে তার জন্য জান্নাত তো ওয়াজিব রয়েছেই। এমনকি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছিফতকে তা’যীম-তাকরীম করার কারণেও অনেক বদ আমলযুক্ত ব্যক্তিদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি জান্নাতী করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
এ সমস্ত মিছাল দিয়ে, ওয়াক্বিয়া দিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি এটা বুঝিয়েছেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছিফতকে তা’যীম-তাকরীম করার কারণে যদি কেউ জান্নাতী হয়ে যায় তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অজুদ মুবারকের তা’যীম-তাকরীম করলে সে কতটুকু ফযীলত পাবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মক্কা চুক্তি, ইরানের উত্থান ও বাংলাদেশের কৌশলগত ভবিষ্যৎ (পর্ব-৪)
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খাদিমু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৩)
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সমস্ত প্রকার অশ্লীলতাই হারাম
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মক্কা চুক্তি, ইরানের উত্থান ও বাংলাদেশের কৌশলগত ভবিষ্যৎ (পর্ব-৩)
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বিজাতীয় বিধর্মী তথা ইহুদী-নাছারাদেরকে অনুসরণ করা ইসলামী শরীয়তে হারাম-নাজায়িয
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১৯তম পর্ব)
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












