ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
দুনিয়ার বুরায়ী বা খারাবী (৪৮)
, ২৯ শা’বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২ আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ১ মার্চ, ২০২৫ খ্রি:, ১৫ ফালগুন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কাজেই মানুষের আমলটা সে ধরনের লম্বা, অর্থাৎ পরকালের জন্যই তার আমলগুলি করে যেতে হবে।
وَاعْمَلْ لِلَّهِ بِقَدْرِ حَاجَتِك إلَيْهِ
আর মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য অতটুকু আমল করো, যতটুকু তুমি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহতাজ রয়েছ, মুখাপেক্ষী রয়েছ, মূলত মানুষ সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার মুখাপেক্ষী, তার সমস্ত আমলগুলি মহান আল্লাহ পাক উনার রেজামন্দীর জন্যই করতে হবে।
وَاعْمَلْ لِلنَّارِ بِقَدْرِ صَبْرِك عَلَيْهَا
আর জাহান্নামের জন্য তুমি অতটুকু আমল করো, যতটুকু জাহান্নামের আগুণ তুমি বরদাশত করতে পারবে।
কোন মানুষের পক্ষেই জাহান্নামের আগুণ বরদাশত্ করা সম্ভব নয়। যেটা বলা হয়েছে, দুনিয়ার আগুণ জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের এক ভাগ।
এটা মেছালস্বরূপ বলা হয়েছে। সেটার তীব্রতা, তার প্রখরতা যে কত বেশী, যে প্রবেশ না করবে, তার পক্ষে সেটা অনুধাবন করা কঠিন ব্যাপার হবে, যারা প্রবেশ করবে, তারাই শুধু বুঝতে পারবে।
কাজেই জাহান্নামের জন্য কোন আমলই করা যাবে না। দুনিয়ার জন্য হাক্বীক্বত কোন আমলই করা যাবে না। সম্পূর্ণ আমল করতে হবে, মহান আল্লাহ পাক উনার রেজামন্দীর জন্য, মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য, তাহলে কামিয়াব। যেমন হযরত আবূ বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, সমস্ত মানুষের জন্য হাক্বীক্বত পাথেয় সংগ্রহ করতে হবে।
প্রত্যেকের জন্যই এ কথা স্মরণ রাখা উচিত, এ পবিত্র হাদীছ শরীফখানা স্মরণ রেখে সে অনুযায়ী তার আমল করা উচিত। তাহলে তার ইহকাল ও পরকালে কামিয়াবী হাছিল হবে। অন্যথায় তার ইহকাল ও পরকাল বাতিল হয়ে যাবে। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১৪৪নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বলেছেন-
وَمَا كَانَ لِنَفْسٍ أَنْ تَمُوتَ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ كِتَابًا مُؤَجَّلًا
কোন নফসের পক্ষে সম্ভব নয়, সে ইন্তেকাল করে, মৃত্যু বরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দিষ্ট সময়ে, মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ ব্যতীত অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি যে সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ এবং নির্দিষ্ট সময় ব্যতীত কোন নফসের পক্ষেই মৃত্যুবরণ করা সম্ভব নয়।
সে যতই কোশেশ করুক না কেন, সে পারবে না। তার জন্য যে নির্দিষ্ট সময় রয়েছে, তার পূর্বে সে মৃত্যু বরণ করতে পারবে না। যেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আবুল বাশার আদম আলাইহিস সালাম উনাকে যখন যমিনে পাঠিয়েছিলেন, তখন মহান আল্লাহ পাক বলেছিলেন যে-
وَلَكُمْ فِي الْأَرْضِ مُسْتَقَرٌّ وَمَتَاعٌ إِلَى حِينٍ
“হে আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম! হে আদম সন্তান তোমরা জেনে রাখ,
وَلَكُمْ فِي الْأَرْضِ مُسْتَقَرٌّ وَمَتَاعٌ إِلَى حِينٍ
তোমাদের জন্য রয়েছে, যমিনের মধ্যে একটা নির্দিষ্ট সময় অবস্থান এবং কিছু সম্পদ ভোগ, এ অবস্থান করে, সম্পদগুলো ভোগ করে তোমাদেরকে চলে আসতে হবে। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৬)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (১)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন-
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন খুলুকুন ‘আযীম উনার অধিকারী (৪)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রোযা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৯)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৪)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৮)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












