ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুসরণ করার গুরুত্ব ও ফযীলত (২১)
, ১৮ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৭ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ২৫জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ১০ শ্রাবণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
শেষ পর্যন্ত ঘুরতে ঘুরতে হযরত ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফে আসল। সে বলেছে, আসমান এবং যমীনে যা কিছু আছে, তাই দেবে তার মেয়ের বিয়েতে। যদি সে তা দিতে না পারে, তার আহলিয়া (স্ত্রী) তালাক হয়ে যাবে। এখন আসমান এবং যমীনে যে কত কিছু রয়েছে, সে কি করে দেবে। কোন আলেম সে জাওয়াব দিতে পারলেন না।
হযরত ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে যখন সে আসলো, আসার পরে উনি বললেন যে- হ্যাঁ আমি তোমার মাসয়ালার জাওয়াব দিতে পারি, তবে এক হাজার দিরহাম লাগবে, এক হাজার দিরহাম। তোমার শরবতের যেমন মূল্য রয়েছে, আমার মাসয়ালারও তেমন কদর রয়েছে।
এক হাজার দিরহাম দিতে হবে। তারপরে তোমার মাসয়ালার জাওয়াব দেওয়া হবে। সে ব্যক্তি এক হাজার দিরহাম সংগ্রহ করলে উনি জাওয়াবে বললেন, তুমি তোমার মেয়ের বিয়েতে এক জিল্দ্ পবিত্র কুরআন শরীফ দিয়ে দিও। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
كُلٌّ فِي كِتَابٍ مُبِينٍ- مَا فَرَّطْنَا فِي الْكِتَابِ مِنْ شَيْءٍ
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কোন কিছুই তরক করা হয়নি, সবকিছু বরং আসমান এবং যমীনে যা রয়েছে, তার চেয়েও বেশী রয়েছে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই সেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল করা হয়েছে- আমাদের প্রতি। সবকিছু রয়েছে, অথচ তার হাক্বীক্বত আমরা বুঝি না। না বুঝার কারণেই আমাদের এই অবস্থা হয়েছে।
কাজেই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার হাক্বীক্বত আমাদেরকে বুঝতে হবে। সেটা বুঝলে সেই অনুযায়ী আমল করলে, আমরা হাক্বীক্বী মুসলমান হতে পারবো।
এজন্য বলা হয়েছে-
مسلمان هو كر وه زمانه ميس معجز ته
اور تم خار تارك قران هو كر
ঐ যামানার মুসলমানেরা সম্মানিত হয়েছিল, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে আঁকড়িয়ে ধরে থাকার কারণে। আর এখন লাঞ্ছনা-গঞ্ছনা, পদদলিত সবকিছু হচ্ছে তার একমাত্র কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইহানত।
কেন আমরা অপমানিত হচ্ছি লাঞ্ছিত হচ্ছি? একমাত্র পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার হুকুম আহকাম আমরা ছেড়ে দিয়েছি। তার জন্যেই আমাদের এ অবস্থা। আমরা যদি সেটা ধরে রাখতাম, তাহলে অবশ্যই আমরা কামিয়াব হতাম। আমরা অবশ্যই কামিয়াব হয়ে যেতাম।
কিন্তু অতীতের হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম, হযরত বুযুর্গানে দ্বীন, ইমাম, মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যথাযথ সেটা পালন করে গেছেন। যথাযথ পালন করে গেছেন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (১)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন-
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন খুলুকুন ‘আযীম উনার অধিকারী (৪)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রোযা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৯)
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৪)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৮)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












