জাতিসংঘ তথা ইহুদীসংঘ এবং সন্ত্রাসী ইসরাইল চাচ্ছে বাংলাদেশে আল কায়েদা, আই.এস ইত্যাদির প্রসার দেখাতে
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
আমলাদের একটা অংশ, পুলিশের বিশেষ অংশ এবং মিডিয়ার বড় অংশ জামাতের সাথে আঁতাত করে সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য ‘জঙ্গী আটক’ নামে মিডিয়া কু করছে। এদের প্রতিহত করতে হবে।
, ১০ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’ এর ১০ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে মূলত বিশ্বজুড়ে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠনের বর্তমান অবস্থা, আর্থিক নেটওয়ার্ক এবং নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করা হয়। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা তথ্য, মাঠপর্যায়ের গবেষণা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবছর বা নির্দিষ্ট সময় পরপর এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
৩০ পৃষ্ঠা এই প্রতিবেদনের ১৮ নম্বর পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ‘‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস- যা কোনো তালিকাভুক্ত সংগঠন নয়) একটি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে; তারা বড় কোনো ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ‘সেল’ বা শাখার মাধ্যমে বিকেন্দ্রীভূতভাবে কাজ করার পাশাপাশি নিজস্ব লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লালকেল্লায় চালানো হামলার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে একিউআইএস-এর ওপরই বর্তানো হয়েছিল। বাংলাদেশে নিজেদের শাখা বা ‘সেল’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশটির পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর বিষয়ে একিউআইএস-এর তৎপরতা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগও দেখা দিয়েছিল।’’
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এই ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’ এর প্রতিবেদনে সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছে, ‘‘আমরা এটা আমলে নিচ্ছি না। ওখানে বলা হয়েছে তারা অনুমান করেছে যে, এ রকম হতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশে বর্তমানে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই। ‘ফ্যাসিবাদী আমলে’ রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এ ধরনের কোনো তৎপরতা নেই। তবে এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ (উগ্রবাদী গোষ্ঠী) থাকে। পৃথিবীর সব দেশেই এরা থাকে। কিছু কট্টরপন্থী গোষ্ঠী, বা মৌলবাদী রাজনৈতিক গোষ্ঠী থাকে-আমরা সেগুলোর সঙ্গে পরিচিত।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জঙ্গিবাদ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল। আগের সরকার এটিকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।’
প্রসঙ্গত, ভারতে পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন নীরব ছিলো। হঠাৎ করে সে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নবনীতার ইউটিউব চ্যানেলে ইদানিং সে ঘন ঘন সাক্ষাৎকার দিচ্ছে। তার বক্তব্য বাংলাদেশে জঙ্গীরা সক্রিয় হয়েছে। বিতর্কিত ও পতিত সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যের নির্যাস হলো ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশে জঙ্গীরা সক্রিয় হয়ে উঠবে। উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে জঙ্গী উত্থান ব্র্যান্ডিং করা। পুলিশ প্রশাসনকে কলঙ্কিত করা বিতর্কিত মনিরুলের এমন কথাবার্তার পর তার বক্তব্য সত্য প্রমাণে
বর্তমানে পুলিশে থাকা তার সহযোগী পুলিশ কর্মকর্তারা জঙ্গী থাকার প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। দাড়ি, টুপিওয়ালা কাউকে গ্রেফতার করলেই নিষিদ্ধ জঙ্গী গ্রেফতার করা হয়েছে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। অথচ পরে দেখা যায় তারা জঙ্গী নয়।
গত ১৮ই সেপ্টেম্বর সংবাদ শিরোনাম হয়- “তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জন আটক”। খবরে বলা হয়- শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর মসজিদের ভেতর গোপন বৈঠক করার সময় তাদের আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক ২৩ জনের মধ্যে ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায়া ছেড়ে দেয়া হয়।
বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার দেখানো হয়। কাউকে ধরে জঙ্গী ট্যাগ লাগিয়ে দেয়ার নেপথ্যের রহস্য কি? আইনশৃংখলা বাহিনীতে কর্মরতদের মধ্যে কি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও মনিরুল, ডিবি হারুনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে?
সম্প্রতি ক্যান্টনমেন্ট থানার একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্যের পরিষ্কার বার্তা এসেছে যে, তারা সরকারি চাকরি করলেও এখনো ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশে ফিরবে সেই পথপানে চেয়ে রয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে বছরের পর বছর ধরে জঙ্গী গ্রেফতারের নামে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন জঙ্গী গ্রেফতার নাটক বন্ধ ছিল। ফের যেন মনিরুল ইসলামের বক্তব্যের পর দেশে জঙ্গী গ্রেফতার নাটক শুরু হতে যাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। অনেকেই বলছে, সেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলের মতোই পুলিশ এখন নিরীহ লোকদের ধরে জঙ্গী ট্যাগ লাগিয়ে দিচ্ছে। তারা এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন। হঠাৎ করেই জঙ্গী সন্দেহে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার পেছনে রহস্য খুঁজে দেখছে অনেকেই।
পর্যবেক্ষকমহল মনে করে আমলাদের একটা অংশ, বা পুলিশ প্রশাসনের বিশেষ অংশই শুধু- নয় পাশাপাশি মিডিয়ার একটা বড় অংশ এখনও পতিত আওয়ামী সরকারের পক্ষেই কাজ করে। ‘জঙ্গী’ শিরোনাম দেয়া তাদের পূর্বের অভ্যাস। এখন সুযোগ পেলেই পূনরাবৃত্তি করছে। কাজেই এদের চিহ্নিত ও প্রতিহত করা দরকার।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












