মন্তব্য কলাম
সংস্কারের রূপকার অন্তর্বর্তী সরকার কারাগার সংস্কারের বিষয়ে চরম নির্বিকার অবর্ণনীয়, মানবেতর অবস্থায় এবং মারাত্মক ও ভয়াবহ সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশের কারাগারগুলো কারাগারে খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ মানবিক-মৌলিক প্রয়োজনীয় বিষয়াদীর ভয়াবহ বিপর্যয় ঔপনিবেশিক আইন বাদ দিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে কারাগার পরিচালনা করতে হবে ইনশাআল্লাহ
, ২রা রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৮ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ১২ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণের উদ্যোগ নিয়েছে কারা অধিদপ্তর। নাম পরিবর্তন করে ‘কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বকশীবাজারে কারা সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন।
প্রসঙ্গত ২৪শের গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্খা বিশেষত: জালিম হাসিনার আয়নাঘর তথা কারাগারের সংস্কার নিয়ে তৎপরতাহীণতা নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। অনেকেই পট পরিবর্তনের কথা বলে কিন্তু পট পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সেখানে দুই হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন। এটা কোন ক্ষমতার পালাবদল নয়। এটি একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান।
কারা সংস্কার প্রশ্নে এই বাংলাদেশের গণমানুষের আকাঙ্খার বাস্তবায়ন চাচ্ছে। কিন্তু সংস্কারবাদী অন্তর্বর্তী সরকার কারা সংস্কার করতে চাচ্ছে না, এটা এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন সেক্টরে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কারাগার সংস্কার নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হচ্ছে না। এখনো কারাগারগুলো চলছে আগের ধাঁচে। নানা অপরাধের শাস্তিস্বরূপ অপরাধীদের কারাগারে বন্দী করা হয়। কারাগারে তাদের নতুন সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়। কারা কর্তৃপক্ষের আইনই সেখানে শেষ কথা। একজন আসামি সরকার প্রদত্ত যে ধরনের সুযোগ পাওয়ার কথা, তার ছিটেফোঁটাও পায় না। এখানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকার কথা থাকলেও, তার কিছুই পায় না বন্দীরা।
বাংলাদেশে এখন মোট কারাগার ৬৮টি। এর মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার, বাকিগুলো জেলা কারাগার। এসব কারাগারে মোট বন্দী ধারণক্ষমতা ৪২ হাজার ৪৫০ জন, কিন্তু আছে তার প্রায় দ্বিগুণ। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের গত জানুয়ারির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তখন কারাগারে বন্দী ছিলো ৮২ হাজার ৬৫৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭৯ হাজার ৪৫৪ জন ও নারী ৩ হাজার ২০০ জন। বলা হয়ে থাকে, বন্দী যত বাড়ে কারাগারের অবস্থা তত কাহিল হয়। অব্যবস্থাপনার মাত্রা তত বাড়ে। সেই অনিয়ম অব্যবস্থাপনা দুর্নীতির জন্ম দেয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি তদন্ত কমিটি এক বছর আগে কারাগারে অনিয়ম ও দুর্নীতির যেসব খাত খুঁজে পেয়েছে, সেগুলো হলো ক্যানটিনের অনিয়ম, বন্দী বেচাকেনা, সাক্ষাৎ-বাণিজ্য, সিট-বাণিজ্য, খাবার-বাণিজ্য, চিকিৎসা, পদায়ন ও জামিন-বাণিজ্য। এসবের পাশাপাশি রয়েছে দিনের পর দিন বিনা বিচারে নিরপরাধ নারী-পুরুষের কারাবন্দী থাকার করুণ কাহিনি।
সংস্কার কার্যক্রমে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ আছে। উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রশিক্ষিত জনবল ও মনোবিজ্ঞানীর অভাব; বাজেট ঘাটতি ও সঠিক তদারকির অভাব।
কারগারে টাকা ছাড়া সেখানে কিছুই মেলে না। আমাদের দেশে কারাগারগুলোর বড় সমস্যা হলো, এখানে ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ বন্দীকে থাকতে হয়। ফলে আবাসন, টয়লেট, গোসলের সমস্যা থাকে। জানা গেছে, স্থান সংকুলানের অভাবে কোনো কোনো কারাগারে পালাক্রমে ঘুমাতে হয় বন্দীদের। যথাসময়ে মেলে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। কিন্তু ভিআইপিরা রোগে আক্রান্ত না হয়েও হাসপাতালে দেদার থাকতে পারে। সেটা কীভাবে হয়, তা নিয়েও আসলে আলোচনা হওয়া দরকার। কারাগারে খাবারের পরিমাণ ও মান নিয়েও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। আবার কারা অভ্যন্তরে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার নামে বন্দীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
কারাফেরত বন্দিদের অভিযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় কারাগারের নানা অনিয়ম নিয়ে অনেকবার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। বন্দিদের ভাষায়, কারাগারের ভিতরটা হলো একটি অবৈধ ব্যবসা কেন্দ্র। সেখানে কয়েদীদের রয়েছে নানা সিন্ডিকেট। আছে কারাগারের কিছু অসৎ কর্মকর্তা।
কারাগারের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ব্লক লিজ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কারাগারে যারা বন্দি হিসেবে যায়, তারা কোথায় থাকবে, কতটা ভালো থাকবে- তা নির্ভর করে তাদের উপর অর্থাৎ তাদের টাকার উপর কিংবা বাইরে থেকে প্রদর্শিত প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ প্রভাবের উপর। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই অপরাধ মোকাবিলার জন্য বন্দি অধিকার কমিশন (চৎরংড়হবৎং জরমযঃং ঈড়সসরংংরড়হ-চজঈ) প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে, যাতে দেশের সবগুলো কারাগার যে কোন সময় পরিদর্শন করার আইগত অধিকার ও সক্ষমতা থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করতে না পারলে একজন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে বিবেচনা করতে হবে। কেননা, চার্জশিট না আসা পর্যন্ত একজন অপরাধীর বিরুদ্ধে জুডিসিয়াল প্রসিডিং আরম্ভ হয় না এবং সে তখন পর্যন্ত নির্দোষও বটে এবং সাজাপ্রাপ্ত নয়। একজন অভিযুক্তকে তার মৌলিক অধিকার এবং তার পরিবারের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়। অথচ অনেক কোর্টে শুনানিকালে লক্ষ করলে দেখা যায়, উক্ত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয় না। এর অর্থ হলো এটাই যে, আমরা একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং তার জীবনের স্বর্ণালি সময়গুলোকে সম্মান করতে ব্যর্থ হচ্ছি এবং অবহেলা করছি। এর ফলশ্রুতিতে মানবতা হচ্ছে ভূলুন্ঠিত ও দলিত। রাষ্ট্রের একজন নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে কোনো অবস্থাতেই উন্নয়নশীল অথবা কল্যাণকামী রাষ্ট্র বলা যাবে না।
বাংলাদেশের কারা হাসপাতাল ও সেলবন্দি (বন্দিশালায় আটক) বন্দিদের উন্নত চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় বাংলাদেশের কারাগারগুলোর মধ্যে অনেক কারাগারেই নিজস্ব হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে, যেগুলোর দায়িত্ব সাধারণত কারা কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিচালিত হয়। তবে বেশিরভাগ কারা হাসপাতাল এখনো পর্যপ্ত চিকিৎসা সুবিধা, আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসাকর্মীর সংকটে ভুগছে। সাধারণ বন্দিদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা কিছুটা সহজলভ্য হলেও গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে সেলবন্দি বন্দিদের ক্ষেত্রে (যাদের বিচ্ছিন্নভাবে রাখা হয় বা হাই-প্রোফাইল বন্দি হিসেবে গণ্য করা হয়), চিকিৎসার প্রাপ্তি আরও সীমিত হয়ে পড়ে।
১৮৯৪ সালের পুরনো চৎরংড়হ অপঃ বা কারা আইন এখনও ব্যবহার হচ্ছে। এই আইনের আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী সংশোধনের মাধ্যমে বন্দিদের মানবাধিকার রক্ষার জন্য নতুন আইন প্রণয়নের দাবি উঠেছে।
দেশের ৬৮টি কারাগারে চিকিৎসকদের জন্য ১৪১টি অনুমোদিত পদ থাকলেও বাস্তবে চিকিৎসক আছে মাত্র ৬ জন। ফলে যক্ষ¥া, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভারসহ নানা জটিল রোগ তো বটেই, এমনকি জ্বর, কাশি, চুলকানিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা বন্দীরা বেশির ভাগ সময়ই পায় না। নারীদের চিকিৎসার জন্য কারাগারে গাইনি চিকিৎসক নেই, ফলে নারী বন্দীদের শরীরে নানা রোগ নিয়েই কারাগারে থাকতে হয়।
কারাবন্দীদের খাবার নিয়েও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় খাদ্য নির্দেশিকায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির খাবারে ৪৫০ গ্রাম সবজি ও ৫০ গ্রাম মাছ বা গোশতের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হলেও কারাবন্দীদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ গ্রাম সবজি ও ৩৬ দশমিক ৪৫ গ্রাম মাছ বা গোশত।
অভিযোগ হলো, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এই খাবারটুকুও জোটে না কারাবন্দীদের। কারাগারের বন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য পণ্য লোপাটের কারণে বন্দীদের তিন বেলা যে খাবার দেওয়া হয়, তা অত্যন্ত নিম্নমানের, পরিমাণেও থাকে কম। অবশ্য টাকা দিলে কিছুটা ভালো খাবার, ঘুমানোর জায়গা ও অপেক্ষাকৃত পরিষ্কার শৌচাগার পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের কারাগারগুলো যেন হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের হাতিয়ার। এখানে নাগরিকদের যেভাবে দিনের পর দিন বিনা বিচারে আটক রাখা হয়, গাদাগাদি করে রেখে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন মৌলিক মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, এই কারাব্যবস্থাকে আর যা-ই হোক, কোনো মানবিক সমাজের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না।
বাংলাদেশে কারাগারের বাইরে যেমন, কারাগারের ভেতরেও মানবিক ও নাগরিক অধিকারের কোনো নিশ্চয়তা নেই। এখানে পরিবার ও আত্মীয়স্বজন থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় কারাবন্দীরা আরও বিপন্ন অবস্থায় থাকে। অথচ কারাগারের কাজ শুধু শাস্তি দেওয়া নয়, সংশোধন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষকে স্বাভাবিক জীবনযাপনে পুনর্বাসিত করাও। কিন্তু বাংলাদেশের কারাগারগুলো যেন হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের হাতিয়ার।
প্রসঙ্গত, কারাগার প্রকৃত অর্থে কোনো শাস্তির জায়গা নয়। এটি একটি সংশোধনাগার। কিন্তু নানা জটিলতায় বাংলাদেশের কারাগারগুলো সংশোধনাগার হতে পারছেনা। যার মূখ্য কারণই হচ্ছে দুর্নীতি ও সরকারের চরম অবহেলামূলক আচরণ।
বলাবাহুল্য, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম রাষ্ট্র। আর কারাগারকে সংশোধনারে পরিণত করার এই তত্ত্ব সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার থেকেই উদ্ভব হয়েছে। বন্দি যেই হোক না কেন, তার জন্য উত্তম খাদ্যের ব্যবস্থা করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নির্দেশনা। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা খাবারের প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও অভাবগ্রস্ত, এতিম ও বন্দিদের আহার করায়। ’ (পবিত্র সূরা দাহর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ-৮)। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন “তোমরা বন্দিদের সাথে উত্তম আচরণ করো”। পাশাপাশি আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার শাসনের অন্যতম কৃতিত্ব ছিল কারাগার প্রতিষ্ঠা। কোনোও অপরাধী প্রাপ্যের অতিরিক্ত কষ্ট যাতে পেতে না হয় তার সব ব্যবস্থা রেখেছিলেন। অর্থাৎ কারাগারকে প্রকৃত অর্থে সংশোধনাগারে পরিণত করতে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শ গ্রহণ করার কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে সরকার যদি দেশের কারাগারগুলোকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কারানীতি অনুসারে পরিচালনা করে তাহলে দেখা যাবে কারাগার হয়ে উঠবে সত্যিকার অর্থে সংশোধনাগার। সমাজে অপরাধ কমে যাবে। নৈতিকতাবোধ বাড়বে এবং অপরাধমূলক আচরণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












