মুশরিকরা জাতে মাতাল তালে বেঠিক- বলেই ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষে কমতি করেনা!
, ২১ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৯ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ০৪ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) আপনাদের মতামত
বিধর্মী বিজাতী ইহুদী মুশরিকরা কোন কালে কখনোই সভ্য মুসলমানদের বন্ধু ছিলো না, বন্ধু হতে পারে না। এই বিষয়টি পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের মাঝে বিশদভাবে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় বলে দেয়া হয়েছে। তারপরও দ্বীন ইসলাম হতে বিমুখ হয়ে পড়া মুসলমান নামধারীরা এই সকল বিধর্মী বিজাতী মুশরিকদেরকে ভালো মনে করে বন্ধুত্ব পেতে বার বার ধোকা প্রতারনার শিকার হয়েছে। ইতিহাসের পাতায় পাতায় এর নজির প্রচুর রয়েছে।
আজ এই প্রসঙ্গে নিকট ইতিহাসের বাংলা পুঁথিসাহিত্যের অন্যতম জনক, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের বক্তব্য শুনবো। তার জীবন চরিত এর মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, তিনি বলেছেন- “আলোক আঁধারে এই সংসার। আমার সাহিত্যিক জীবনের আধাঁর দিক আছে। মুসলমানের ঘরে জন্মিয়া সংস্কৃত পড়িতে গিয়াছিলাম বলিয়া কৈশোরে একদিন হিন্দু ছেলেদের কত টিটকারী আমাকে সহ্য করিতে হইয়াছিলো। আজ আবার মনে পড়িতেছে, মুসলমান হইয়া হিন্দুর পুথি দেখিতে গিয়াছিলাম বলিয়া কত হিন্দু তীব্র অবজ্ঞায় আমার প্রতি বঙ্কিম চাহনি নিক্ষেপ করিয়াছিলেন। খোদা’তায়ালা উনাকে ধন্যবাদ, তাহাদের সেই ঘৃনা ও শ্লেষদুষ্ট বক্র দৃষ্টিতে ব্যাহত না হইয়া আমার সাহিত্যানুরাগ বরং বাড়িয়াই চলিয়াছিলো। হিন্দু বাড়ি গিয়া এমনও দেখিয়াছি গোড়াঁ হিন্দু আমাকে পুথি ছুঁইতে দেয় নাই, সে পাতা মেলিয়া ধরিয়াছে আর আমি দুর থেকে দেখে দেখে নোট লিখিয়া লইয়াছি। ” (সুত্র: আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ জীবন চরিত )
পাঠক! এমন বক্তব্য শুধু আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের লেখায় নয় বরং বহু বহু কবি সাহিত্যিক মুসলিম বুদ্ধিজীবিদের জীবনী আলোচনায় ফুটে উঠেছে কিভাবে আর কতভাবে এই উপমহাদেশে মুশরিক যবনরা মুসলমানদেরকে ঘৃণা করতো, ধিক্কার দিতো, সর্বক্ষেত্রে বঞ্চিত করে রাখতো। অথচ, সেই মুসলমানরাই আজ মুশরিকদের তোয়াজ করে ভাই বন্ধু হিসেবে বরন করে নিচ্ছে। তাদেরকে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা সম্মানিত মুসলমানদের চেয়ে বহু বহুগুন বেশী দেয়া হচ্ছে। যার ফলে সেই মুশরিকদের এই যুগের বশংবধরা জাতে মাতাল তালে বেঠিক হয়ে ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যূষিত এই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের সামনে মুশরিকী দেবীর মুর্তি বসাচ্ছে। রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে রিট করেেছ। প্রকাশ্যে পত্র পত্রিকা অনলাইনে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত মুসলমানদেরকে কুটক্তি করে নানাপ্রকার সন্ত্রাসী মতবাদ প্রচার করছে।
এমতাবস্থায় সম্মানিত মুসলমানরা অবিলম্বে একজোট হয়ে এইসব মুশরিকদের অবৈধ কার্যকলাপকে বাধা না দিলে অচিরেই সোনার বাংলাকে তারা তাদের কল্পিত রামরাজত্বের ভুমি বানানোর অপচেষ্টা করতে এতটুকু ভুল করবেনা। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!
-শেখ জাসেদ সন্দিপন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












