সম্পাদকীয়-২
মহা ভুল পরিকল্পনার এবং মহা বিড়ম্বনার উড়াল সেতু বা ফ্লাইওভার নির্মাণেরও বিচার করতে হবে এবং শাস্তি দিতে হবে। কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই সঠিক পরিকল্পনা সম্ভব। সে পথেই চলতে হবে ইনশাআল্লাহ
, ১৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে- ‘চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার থেকে নামতেই যানজট’
চট্টগ্রাম মহানগরীর ফ্লাইওভারগুলো থেকে নামার পথে দীর্ঘ যানজটে পড়তে হয়। ওপর ও নিচের গাড়ির স্রোত একই জায়গায় মিশে প্রতিটি ফ্লাইওভারের র্যাম্পের (ঢালের) নিচে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চলাচলকারীদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নকশা প্রণয়নে ভুলের কারণে এই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
জানা গেছে, লালখান বাজার ফ্লাইওভার থেকে র্যাম্প দিয়ে গাড়ি নামছে শুল্কবহরে, আবার একই ফ্লাইওভারের অন্য একটি র্যাম্প গিয়ে পড়ছে সিইসি ও ইস্পাহানি মোড়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গাড়ি নামছে ইস্পাহানি মোড়ে। এতে দেখা যাচ্ছে- ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে নিচের সড়কের একইমুখী গাড়ির স্রোত মিশে যাওয়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
রাজধানীর প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকার যানজট নিরসনে নির্মাণ করা হয় মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার। দুই হাজার একশ’ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত ফ্লাইওভারটি এখন নিজেই যানজটে কাবু। ফ্লাইওভারের উপর-নিচ সব জায়গায় যানজট। দিনের বেশির ভাগ সময়ই লেগে থাকা দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রীদের। টোল দিয়ে ফ্লাইওভার হয়ে ঢাকা প্রবেশ করা যানবাহন আটকা পড়ছে উড়াল সড়কে ওঠার পরই। পদ্মা সেতু ও এর সঙ্গে যুক্ত এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ার পর এই যানজট আরও প্রকট হয়েছে। এই উড়াল সড়কে চলাচল করা যাত্রীরা এখন প্রশ্ন তুলছেন, এত অর্থ খরচ করে এটি নির্মাণ করে কী লাভ হলো?
যান চলাচল সহজ করতে গত দেড় দশকে ঢাকায় সাতটি ফ্লাইওভার নির্মাণ হলেও যানজট নিরসনে সেগুলো কাক্সিক্ষত ফল দিচ্ছে না; বিপুল অর্থ খরচ করে এই অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্দেশ্য ছিল অসৎ।
প্রকৃত উন্নয়নের চেয়ে ‘অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে দৃশ্যমান উন্নয়নে’ নজর থাকায় একের পর এক ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে।
ঢাকার রাস্তায় নাগরিকদের ‘ট্রিপ’ হয় দিনে গড়ে সাড়ে তিন কোটি। এসব ‘ট্রিপের’ ৪৭ শতাংশের দূরত্ব দেড় থেকে দুই কিলোমিটার। এ ধরনের শহরে ফ্লাইওভার কখনোই উপযুক্ত প্রকল্প নয়।
ঢাকায় মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় রাস্তায় নামছে নিত্যনতুন প্রাইভেট কার। পরিসংখ্যান বলছে, গড়ে প্রতিদিন ৭২টি প্রাইভেট গাড়ি রাজধানীর সড়কে নামছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ফেলোদের গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকার ৭৬ শতাংশ প্রাইভেট কারের দখলে। কিন্তু প্রাইভেট কারের যাত্রী মাত্র মোট যাত্রী সংখ্যার ৬ শতাংশ। প্রতিদিনই ব্যক্তিগত গাড়ি এবং যাত্রী উভয়ই বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গণপরিবহনের গতি না বাড়িয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণের ফলে প্রাইভেট কার যাত্রীরা ফ্লাইওভার ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে নিচ্ছেন। যানজটের কোনো সুরাহা হচ্ছে না।
গবেষণা বলছে, রাস্তা যত বাড়বে এবং প্রশস্ত হবে, গাড়ির সংখ্যাও তত বাড়বে। সড়ক যত প্রশস্ত হোক, যানবাহনের বিশাল বহর চলতে গিয়ে দেখা দেবে যানজট। প্রায় তিন কোটি জনগোষ্ঠী রাজধানীতে এসে জমায়েত হয়েছে। ধারণ ক্ষমতার বহুগুণ জনতার ভারে ঢাকা আজ যানজটের শহর।
সঙ্গতকারণে আমরা মনে করি, অপ্রয়োজনীয় ফ্লাইওভার নির্মাণে যে ভূল এবং টাকা মারার পরিকল্পনা করা হয়েছে এরও বিচার এবং শাস্তি হওয়া উচিৎ। প্রসঙ্গত: তন্ত্র-মন্ত্রের সরকারের কর্তাব্যক্তিদের হৃদয়ে সঠিক ও দূরদর্শী পরিকল্পনার উদয় হবে না এটাই স্বাভাবিক। বিপরীতে রাজধানীর প্রতিষ্ঠান ও রাজধানীবাসীকে বিকেন্দ্রীকরণ করেই কেবল জনগণকে যানজটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
মূলত, সহীহ বিষয় বাস্তবায়নের অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবা এবং পরিক্রমা থেকে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












