মহাসাগরে তাপ শোষণে নতুন রেকর্ড, এক বছরে মানুষের ব্যবহৃত শক্তির ৪০ গুণ
, ২৫ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৮ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৭ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পাঁচ মিশালী
মহাসাগরে এ বিপুল তাপশক্তির সংযোজনের পরিমাণ ওই বছর মানবজাতি জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও তাপসহ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করেছে, তার প্রায় ৪০ গুণ। পৃথিবীতে প্রাণধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গভীর সমুদ্রের পানিতে ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্যেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
কোপের্নিকাসের সমুদ্র পরিস্থিতি প্রতিবেদনটির দশম সংস্করণে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বছরে গড়ে প্রায় ৩ দশমিক ৮ মিলিমিটার করে বেড়েছে। ২০১২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই বৃদ্ধির হার আরো বেড়ে বছরে ৪ দশমিক ২ মিলিমিটারে দাঁড়িয়েছে। গত ৪০ বছরে বৈশ্বিক মহাসাগরের অম্লতা বেড়েছে ১৭ শতাংশ।
মানবজাতির নিঃসৃত কার্বন ডাই-অক্সাইডের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং গ্রিনহাউজ গ্যাসের কারণে পৃথিবীর পানিবায়ু ব্যবস্থায় আটকে পড়া অতিরিক্ত তাপের প্রায় ৯০ শতাংশ শোষণ করেছে মহাসাগর।
প্রতিবেদনটি প্রকাশকারী মারকেটর ওশান ইন্টারন্যাশনালের মহাপরিচালক বলে, ‘আমাদের চোখের সামনেই মহাসাগর পরিবর্তিত হচ্ছে। উষ্ণতা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয়- এসব পরস্পর সংযুক্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি বড় ধরনের পরিবর্তনের লক্ষণ।’
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় ইউরোপের উষ্ণতা বৃদ্ধির হার দ্বিগুণ। সেখানে ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর রেকর্ড মাত্রার সামুদ্রিক তাপপ্রবাহে আক্রান্ত হয়েছে। এসব তাপপ্রবাহের সময় পানির উপরিভাগের অনেক নিচ পর্যন্ত তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশি ছিলো। পাশাপাশি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র তাপপ্রবাহও দেখা গেছে।
গবেষকরা পশ্চিম ভূমধ্যসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হার স্পষ্টভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। তবে পূর্ব অংশে এই বৃদ্ধি ছিল অসম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরো ভূমধ্যসাগরের তাপমাত্রা প্রতি দশকে শূন্য দশমিক ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে বেড়েছে। এর ফলে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহও বেড়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোয়।
তাপ পরিমাপের একক জুল। এক জুল হলো এক ওয়াট ক্ষমতার কোনো যন্ত্র এক সেকেন্ড চালাতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। এক জেটাজুল হলো এক বিলিয়ন ট্রিলিয়ন জুল।
প্রতিবেদনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সামুদ্রিক প্রাণবৈচিত্রের ব্যাপক ক্ষতির কথাও উঠে এসেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের ৮৪ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর এমন মাত্রার তাপীয় চাপের মুখে পড়েছে, যা প্রবাল বিবর্ণ হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
চোখের পাপড়ির কাজ কি?
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
কোন খাবার গ্যাসের সমস্যা বাড়ায়, কোনটা কমায়?
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মানচিত্রে দেশ নেই, আছে সেনা-সংসদ-মুদ্রা!
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শিয়ালের গোশত, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ডিসলেক্সিয়া সম্পর্কে জানেন, কেন হয়?
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
চাঁদের বুকে গড়ে উঠবে বসতি: কত দিন চলবে পানির ভা-ার?
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে?
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ ও বন্ড বাজারে ধস : চরম সংকটের মুখে বিশ্ব অর্থনীতি
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যে দেশগুলোতে রাতেও ঝলমল করে সূরে্যর আলো
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রথমবার ৬৩ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহ থেকে আসা তরঙ্গ শনাক্ত বিজ্ঞানীদের
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তু ছড়াচ্ছে তীব্র অতিবেগুনি রশ্মি
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর দিন-রাত সমান, কেন এমন হয়?
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












