নছীহতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই তোমাদেরকে কবর থেকে উঠানো হবে। অতঃপর তোমরা যা আমল করেছো সে বিষয়ে তোমাদেরকে অবহিত করা হবে।
নেককারদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ আর বদকারদের জন্য দুনিয়াতে লাঞ্চনা-গঞ্চনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি। তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হালাল ও নেক কাজে দায়েমীভাবে মশগুল হওয়া এবং সর্বপ্রকার হারাম ও বদ কাজ হতে সর্বদা বিরত থাকা।
, ৩০ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৬ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৫ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ১০ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পরকালে নেককার ও বদকারদের অবস্থা কিরূপ হবে সে সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের কথাগুলো গোপন রাখো বা প্রকাশ করো, নিশ্চয়ই তিনি অন্তরের অন্তঃস্থলের খবর জানেন। তিনি কি জানবেন না, যিনি সৃষ্টি করেছেন! তিনি সূক্ষ¥াতিসূক্ষ¥ বিষয়ের খবর রাখেন। তিনি যমীনকে তোমাদের বশীভূত করেছেন বা অধীন করেছেন। তোমরা এর উপর (ভূ-পৃষ্ঠে) চলো এবং তা থেকে উৎপন্ন রিযিক খাও আর যমীন থেকেই তোমাদের পুনরুত্থান। যিনি আসমানে আছেন, তোমরা কি উনার থেকে নিরাপদ? তিনি তোমাদের সহ যমীনকে দাবিয়ে দিবেন, তখন যমীন কাঁপতে থাকবে। ”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমরা আমাদের কথা-বার্তা, কাজ-কর্ম যা কিছু আছে, তা প্রকাশ করি বা গোপন রাখি যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তিনি অবশ্যই সে বিষয়ের খবর রাখেন। তিনি অন্তরের অন্তঃস্থলের খবর রাখেন। তিনি যমীনকে আমাদের অধীন করে দিয়েছেন, তাতে কাজ-কর্ম চলা-ফেরা করার জন্য এবং খাদ্য উৎপাদন করে খাওয়ার জন্য। যাতে উনার নিয়ামত ভোগ করে, মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করার মাধ্যমে শোকরগুজারী করতে পারি। আর এ বিষয়েই আমাদেরকে পরীক্ষা করা হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করবে না এবং আয়াত শরীফকে মিথ্যারোপ করবে তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর যারা কুফরী করবে এবং আমার আয়াত শরীফকে মিথ্যারোপ করবে তারাই জাহান্নামী হবে। তারা অনন্তকাল সেখানে থাকবে। আর এটা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল!” আর জাহান্নামের ভয়াবহতা সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে উল্লেখ আছে, “যখন তাদেরকে সেই জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা (আগুনের) গর্জন শুনতে পাবে এবং তা টগবগ করতে থাকবে। আগুন গোস্বায় ফেটে পড়ার উপক্রম হবে। যখনই কাউকে তাতে (জাহান্নামে) নিক্ষেপ করা হবে, তখন জাহান্নামের দায়িত্বে নিয়োজিত হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম জিজ্ঞেস করবেন, তোমাদের কাছে কি কোনো সতর্ককারী আসেননি? অর্থাৎ এই বিষয়ে কেউ কি তোমাদেরকে সতর্ক করেননি?”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “তখন অপরাধীরা বলবে, অবশ্যই আমাদের কাছে সতর্ককারী এসেছিলেন। অতঃপর আমরা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছি এবং আমরা বলেছি, মহান আল্লাহ পাক তিনি কিছুই নাযিল করেননি। (তখন সেই হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম তিনি বলবেন) তোমরা তো ভীষণ বিভ্রান্তির মধ্যে ছিলে! (অপরাধীরা আফসোস করে বলবে) যদি আমরা (সতর্ককারী) উনাদের কথা শুনতাম অথবা বুঝতাম অর্থাৎ বুঝার চেষ্টা করতাম, তাহলে তো আমরা জাহান্নামী হতাম না! তারা তাদের গুনাহর কথা স্বীকার করবে। তখন (হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম বলবেন) জাহান্নামীদেরকে, দূর হয়ে যা (হতভাগা জাহান্নামীর দল)! নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে না দেখে ভয় করবে অর্থাৎ ভয় করে গুনাহর কাজ থেকে বেঁচে থাকবে, তাদের জন্য থাকবে ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান। ”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি জাহান্নামের ভয়াবহ আযাবের বাস্তব রূপ বর্ণনা করে বান্দা-বান্দীদেরকে সতর্ক করেছেন। আর তা সহজে উপলব্ধির জন্য সতর্ককারীও পাঠিয়েছেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত পাঠাবেন। এই সতর্ককারীগণ উনাদের নছীহত মুবারক যারা গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকবেন, উনাদের জন্য মৃত্যুর পর আর কোনো আফসোস থাকবে না। উনারাই প্রকৃত ঈমানদার। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা ঈমান আনো মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার প্রতি এবং সেই নূর উনার প্রতি যা মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করেছেন। তোমরা যা আমল করো তা মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন। ”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ঈমানদার উনাদেরকে সুসংবাদ প্রদানের লক্ষ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “তিনি (মহান আল্লাহ পাক) সেই দিন তোমাদেরকে একত্রিত করবেন, একত্রিত করার দিনে। সেটা হচ্ছে লাভ-লোকসানের দিন। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনবেন, আমলে ছলেহ করবেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার গুনাহ-খতাগুলো ক্ষমা করবেন এবং উনাকে এমন জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করাবেন যার নিচ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়, অনন্তকাল সেখানে অবস্থান করবেন। আর এটাই উনার জন্য বিরাট সফলতা। ”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা ঈমান এনে আমলে ছলেহ করবেন উনারা লাভ-লোকসানের দিন বিরাট সফলতা অর্জন করবেন। সেদিনের অবস্থা সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে সেদিন তোমাদের কোনো গোপন বিষয় গোপন থাকবে না। অতঃপর যার আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে; তখন তিনি বলবেন, এই নাও, আমার আমলনামা পড়ো। ”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হলে দুনিয়াতে মানুষ একজন আরেকজনকে যেভাবে রেজাল্ট কার্ড দেখায়, ঠিক ক্বিয়ামতের দিন সেভাবে নেককার বান্দাগণ উনাদের আমলনামা একে অপরকে দেখাবেন। উনারা বলবেন, “নিশ্চয়ই আমার বিশ্বাস ছিলো যে, আমি এই হিসাবের সম্মুখীন হবো। অতঃপর তিনি সন্তুষ্টচিত্তে উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ জান্নাতে বসবাস করবেন। যার (জান্নাতের) ফলসমূহ নিকটেই থাকবে। (জান্নাতীদেরকে বলা হবে) বিগতদিনে যা আমল করেছেন তার প্রতিদান স্বরূপ তৃপ্তি সহকারে খান এবং পান করুন। ”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হাশরের ময়দানে বাম হাতে আমলনামা গ্রহণকারীদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর যার আমলনামা বাম হাতে দেওয়া হবে সে বলবে, হায় আফসোস! আমাকে যদি আমার আমলনামা দেওয়া না হতো! আমার হিসাব যদি জানতে না পারতাম! হায় আফসোস! যদি আমার (মৃত্যুর) ফায়ছালা হয়ে যেত। আমার মাল-সম্পদ তো আমার কোনো কাজে আসেনি। আমার কর্তৃত্বও আমার থেকে হালাক (ধ্বংস) হয়ে গিয়েছে! (ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে বলা হবে) তাকে পাকড়াও করো, গলায় বেড়ি পরাও। তারপর জাহান্নামে নিক্ষেপ করো। অতঃপর তাকে সত্তর হাত লম্বা শিকলে আবদ্ধ করো। নিশ্চয়ই সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে বিশ্বাস করেনি অর্থাৎ বিশ্বাস করে আমল করেনি। মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াতে উৎসাহিত করেনি। আর এখানে তার জন্য কোনো বন্ধু নেই। গিসলীন (শরীর থেকে নির্গত এক ধরনের পুঁজ) ব্যতীত কোনো খাদ্যও নেই। ইহা পাপীরা ব্যতীত অন্য কেউ খাবে না। নাঊযুবিল্লাহ!”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, অনেক পবিত্র আয়াত শরীফের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি নেককার বান্দা-বান্দীদেরকে সুসংবাদ মুবারক প্রদান করেছেন আর বদকারদেরকে সতর্ক করেছেন। কাজেই যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে উনার আদেশ-নিষেধ মুতাবিক আমল করবে, তাদেরকেই ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে এবং তারা বিরাট সফলতা লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- নেককারদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ আর বদকারদের জন্য দুনিয়াতে লাঞ্চনা-গঞ্চনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হালাল ও নেক কাজে দায়েমীভাবে মশগুল হওয়া এবং সর্বপ্রকার হারাম ও বদ কাজ হতে সর্বদা বিরত থাকা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র ঈদ ফ্যাশনের নামে ফ্যাশন হাউজগুলো কাফির-মুশরিক তথা বিজাতীয় অনুসরণে সম্মানিত শরীয়ত উনার খেলাফ পোশাকের অবাধ বিস্তার ঘটাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার এদেশে ফ্যাশন হাউজগুলো যে রকম ইচ্ছা সে রকমই পোশাক বাজারজাত করতে পারে না। আর মুসলমানরাও তা পরিধান করতে পারে না। তাই মুসলিম দ্বীনী অনুভূতিতে আঘাত হানে, পবিত্র ঈদের দিনের পবিত্রতা নষ্ট করে এবং বিধর্মীদের অনুসরণ হয় যে সমস্ত পোশাক পরিধান করলে, সেসমস্ত পোশাক বাজারজাতকরণ বন্ধ করতে হবে এবং মুসলমানদের তা পরিধান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী।
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা এবং ইখলাছের সাথে প্রতিটি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণই ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। একইভাবে ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলিম উম্মাহ সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করা। কেননা উনারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের মাক্বাম মুবারকে অনন্যা। যে বা যারা বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করে উনাদের যত বেশি তা’যীম-তাকরীম, সম্মান করবে এবং উনাদের অনুসরণ -অনুকরণ করার কোশেশ করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকেও ততখানি মর্যাদা দান করবেন অর্থাৎ সেও মর্যাদাবান হয়ে যাবে।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুকরণে নাম রাখা দুনিয়ায় যেমন রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ, তেমনি আখিরাতে ও শাফায়াত মুবারক, নাযাত ও ফযীলত লাভের উছীলা।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইলমে তাসাউফ অর্জন করা ব্যতীত ইবাদত মূল্যহীন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যামানার মুজাদ্দিদ ও কামিল শায়েখ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যমে ইলমে ফিকাহ্ ও ইলমে তাছাউফ উভয় প্রকার ইলম অর্জন করে মু’মিনে কামিল হওয়া।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনারা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন স্থান। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা সকলের জন্যই ফরয। সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- সর্বদা ও সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম- উনারা সারা কায়িনাতের মহাসম্মানিত মাতা। সুবহানাল্লাহ! উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারকই হচ্ছেন সম্মানিত ঈমান। আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী।
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নেককারদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ আর বদকারদের জন্য দুনিয়াতে লাঞ্চনা-গঞ্চনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি। তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হালাল ও নেক কাজে দায়েমীভাবে মশগুল হওয়া এবং সর্বপ্রকার হারাম ও বদ কাজ হতে সর্বদা বিরত থাকা।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












