নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবে আসন পেতে বসে থাকে। যখন সে যিকির করে, তখন শয়তান পালিয়ে যায়। আর যখন সে যিকির থেকে গাফিল হয়, তখন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়।” মহান আল্লাহ পাক উনার যকিরি সমস্ত কামযি়াবীর সোপান।
তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
, ১৯ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৪ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৩ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার রব উনার নাম মুবারক স্মরণ করুন বা যিকির করুন এবং উনার দিকে মনোনিবেশ করুন। তিনি পশ্চিম-পূর্ব তথা সমস্ত কয়িনাতের রব, তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। উনাকে কার্য সম্পাদনকারী হিসেবে গ্রহণ করুন।” সুবহানাল্লাহ। পবিত্র আয়াত শরীফে বলা হয়েছে, বান্দা যেন মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক স্মরণ করে বা যিকির করে এবং উনার দিকে মনোনিবেশ করে অর্থাৎ একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে তাহলে তিনি তাকে স্মরণ করবেন অর্থাৎ রহমত নাযিল করবেন এবং তার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন। কেননা, রহমত-বরকত, সাকীনা সমস্ত কিছুই একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনিই দান করেন। তাই উনাকে স্মরণ করতে হবে বা উনার যিকির করতে হবে, গাইরুল্লাহর দিকে রুজু না হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই রুজু হতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিকির কীভাবে করতে হবে সেই বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “আপনি আপনার রব উনার যিকির করুন স্বীয় অন্তরে বিনয়ের সাথে, বিনীতভাবে, চুপে চুপে বা হালকা আওয়াজে, উচ্চস্বরে নয়; সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে। এবং আপনার উম্মত যেন গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত না হয়।” শুধু তাই নয়, বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করলে তিনি বান্দাকে স্মরণ করেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা বাক্বারা শরীফ-এর ১৫২ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার যিকির করো বা আমাকে স্মরণ করো। আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন। মহান আল্লাহ পাক বলেন, নিশ্চয়ই আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী। যখন সে আমাকে স্মরণ করে বা আমার যিকির করে তখন আমি তার সাথেই থাকি। যখন সে আমাকে একা স্মরণ করে বা আমার যিকির করে তখন আমিও তাকে একা স্মরণ করি। আর সে যদি আমাকে মজলিসে স্মরণ করে বা আমার যিকির করে আমি তাকে এর চেয়েও উত্তম মজলিসে স্মরণ করি।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি (মহান আল্লাহ পাক তিনি) মানুষের (ঘাড়ের) প্রাণ রগ অপেক্ষা অধিক নিকটে।” আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা যেখানেই থাকো না কেন মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের সাথেই রয়েছেন।” মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার সাথেই সবসময় রয়েছেন, কিন্তু বান্দা উপলব্ধি করতে পারে না। যখন বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করার দ্বারা উনার নৈকট্য লাভ করবে তখন তার পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার বিষয়টি অনুধাবন করা সম্ভব হবে। আর তখনই তার সমস্ত বিষয় কুদরতীভাবে ফায়সালা হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যিকিরকারীদের অনেক ফযীলত মুবারক দান করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহা প্রতিদান।” সুবহানাল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে সমস্ত লোক মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে বসেন, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা উনাদেরকে (যিকিরকারীদেরকে) পরিবেষ্টন করে নেন, রহমত মুবারক উনাদেরকে আচ্ছাদিত করেন, উনাদের উপর সাকীনা বা শান্তি বর্ষিত হয়, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার নিকটস্থ ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট যিকিরকারী উনাদের সম্পর্কে আলোচনা করতে থাকেন।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে জানতে চাওয়া হলো, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কোন বান্দা শ্রেষ্ঠ এবং অধিক উচ্চ মর্যাদাশীল? মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার অধিক যিকিরকারী পুরুষ-মহিলা (উনারাই সর্বশ্রেষ্ঠ এবং উচ্চ মর্যাদাবান)। জানতে আরজি পেশ করা হলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে জিহাদ করে গাজী হয়েছেন উনাদের থেকেও (শ্রেষ্ঠ এবং উচ্চ মর্যাদাবান)? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদিও সেই গাজী স্বীয় তরবারী দ্বারা কাফির, মুশরিকদের আঘাত করার ফলে তার তরবারী ভেঙ্গে যায় এবং নিজেও রক্তে রঞ্জিত হন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী, (সেই গাজী) উনার থেকেও মর্যাদার দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ দ্বারা যিকিরকারীর বেমেছাল সম্মান-মর্যাদার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। যদি বান্দা-বান্দী সবসময় যিকিরে মশগুল থাকে তবেই তাদের পক্ষে উপরোক্ত ফযীলত লাভ করা সম্ভব হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা বেশি বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করো, অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, সাবধান! নিশ্চয়ই দুনিয়া লা’নত প্রাপ্ত, লা’নত প্রাপ্ত যা কিছু তাতে (দুনিয়াতে) রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির, যিকিরকারী, আলিম, ত্বালিবে ইলম ব্যতীত।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবীর সোপান। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ) রাত্র মুবারক (এবং দিবস মুবারক) তথা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে সম্মান করবেন, আমি ক্বিয়ামতের দিন উনার জন্য শাফা‘য়াতকারী হবো।” সুবহানাল্লাহ!
১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই কামিল শায়েখ বা মুরশিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা ফরযে আইন। যার মাধ্যমে ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করে দুনিয়া হতে বিরাগ হয়ে পরকালের দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। উনাকে মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য জাহান্নাম। তাই সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে সবকিছু থেকে; এমনকি জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা এবং দায়িমীভাবে উনার ছানা-ছিফত মুবারক করা।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আমাকে মুহব্বত না করবে। আর তোমরা আমাকে মুহব্বত করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত না করবে।” মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ! যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার আরবিয়ায়িল আখির বা শেষ বুধবারকে আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ বলা হয়। যা মুসলিম উম্মাহর রহমত, বরকত হাছিলের এক সুমহান দিন। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করার জন্য এখন থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলিম উম্মাহ সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করা। কেননা উনারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের মাক্বাম মুবারকে অনন্যা। যে বা যারা বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করে উনাদের যত বেশি তা’যীম-তাকরীম, সম্মান করবে এবং উনাদের অনুসরণ -অনুকরণ করার কোশেশ করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকেও ততখানি মর্যাদা দান করবেন অর্থাৎ সেও মর্যাদাবান হয়ে যাবে।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ! যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুকরণে নাম রাখা দুনিয়ায় যেমন রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ, তেমনি আখিরাতে ও শাফায়াত মুবারক, নাযাত ও ফযীলত লাভের উছীলা।
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মূল্যহীন।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












