গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ সংকটের সমাধান হতে পারে ছাদবিদ্যুৎ। তবে বাধা এনবিআরের দ্বিমুখী শর্ত।
ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বছরে সাশ্রয় করতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার।
সরকারের দ্বিচারিতা আত্মঘাতী। এর অবসান জরুরী।
, ০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশে বর্তমানে দৈনিক বিদ্যুতের ঘাটতি বা লোডশেডিং প্রায় ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াটের মতো। গ্যাসের সরবরাহ সংকট এবং জ্বালানি আমধানিতে বিঘœ ঘটায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে আমদানীকৃত গ্যাস সরবরাহ প্রায় অর্ধেক কমে যাওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫% হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিল্প ও জনপদে তীব্র জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। অথচ মাথার ওপর তপ্ত গনগনে সূর্য আমাদের বিশাল এক সম্ভাবনার কথাই মনে করিয়ে দেয়। গোটা বিশ্বই জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে। অথচ বাংলাদেশের সৌরবিদ্যুতের গতি কেন মন্থর, এ প্রশ্ন এখন ব্যাপক গুরুত্ব পাচ্ছে। কাগজে-কলমে কিংবা বিভিন্ন নথিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বাংলাদেশের উচ্চাভিলাষী কিছু লক্ষ্য আছে। অথচ বাস্তবে সৌরশক্তি এখনো ‘বিকল্প’ জ্বালানি হয়ে উঠতে পারেনি। এমনটি কেন?
দফায় দফায় দাম বাড়িয়েও বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতে। আবার চড়া দাম দিয়েও চাহিদার সময় পুরোপুরি বিদ্যুৎ পায় না গ্রাহক। বিদ্যুৎ খাতে চলমান এ সংকটের সহজ সমাধান হতে পারে সৌরবিদ্যুৎ। শুধু ভবনের অব্যবহৃত ছাদ ব্যবহার করেই কম খরচে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো সম্ভব। ছাদে ছাদে গড়ে উঠতে পারে নিজস্ব ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র’।
ঢাকা ও আশপাশের ছাদ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি সমীক্ষা চালিয়েছে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নিও বিভি। এতে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকাকে কেন্দ্র করে ঢাকা সেন্টার অঞ্চলে ৪ লাখ ২৫ হাজার ২৪৪ এবং বৃহত্তর ঢাকা এলাকায় ২ লাখ ১৪ হাজার ২৪২টি আবাসিক, বড় ও ছোট বাণিজ্যিক, শিল্পকারখানা ও সরকারি ভবন চিহ্নিত করা হয়। এসব ছাদ ব্যবহার করে ১০ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এসব ভবনের অর্ধেকের সক্ষমতা ধরলেও ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।
সম্প্রতি সরকার নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। এ সিদ্ধান্ত আমাদের মধ্যে কিছুটা আশা জাগিয়েছে। এ ১০ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে পাঁচ হাজারই রুফটপ সোলারের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব। এ লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে সোলার সরঞ্জামে ‘শূন্য শুল্ক’ সুবিধা ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বাস্তবতা হলো আমদানিকারকরা এ সুবিধা পাচ্ছেন না। সোলার প্যানেল ও ইনভার্টার আমদানিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দ্বিমুখী শর্ত জুড়ে দেয়ায় মাঠপর্যায়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। শুল্কহার শূন্য বলা হলেও এসআরওতে ভিন্ন অবস্থা দেখা গেছে। বড় মেগা প্রজেক্ট ও স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদকের (আইপিপি) নিয়মাবলি ছোট ছোট রুফটপ প্রজেক্টের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আইপিপি প্রকল্প বড় পরিসরে হয়। আর রুফটপ প্রকল্প ২০০ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার মেগাওয়াটের হয়। বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। আগে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াটের রুফটপ স্থাপন সম্ভব হলেও এ এসআরওর নির্দেশনায় বিনিয়োগ যে ব্যাহত হবে তা শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা যায়। দ্বিমুখী শর্তের জটে এনলিস্টমেন্ট ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। অথচ এখন ছোট প্রকল্পগুলো বেশি হচ্ছে। ছোট প্রকল্পের অনুমোদন নিতে গেলে দীর্ঘসূত্রতা বিনিয়োগ বাড়ায়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম প্রজেক্ট ভিত্তিতে আনা হয়। অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা বাড়লে তাই ব্যয় বাড়ে। সেজন্য এ খাতে এখন বিনিয়োগে ভালো ফল মিলবে এমন আশা বিনিয়োগকারীরা দেখতে পাচ্ছেন না। তারা উৎসাহ হারাচ্ছেন বলে কাক্সিক্ষত ‘নেট মিটারিং’ সুবিধার সঠিক বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে। এ জটিলতার দ্রুত নিরসন জরুরি।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“মুসলিম বিশ্ব যদি ডলারের পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামী দিনার’ চালু করে, তবে তা পশ্চিমাদের জন্য পারমাণবিক বোমার চেয়েও বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ খএইঞছ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমান মায়েরা কেন সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে গাফলতি করবে?
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট জনগণ উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, শুধুমাত্র মধ্যস্বত্য ভোগী, তথা সিন্ডিকেট নির্মূলেই দ্রব্যমূল্য সুলভ করা সম্ভব।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা লাখ লাখ শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থ-সামাজিক খাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্ত, লা’নতগ্রস্ত, বেকারত্বে জর্জরিত।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বাংলাদেশের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী, বাংলাদেশী এনায়েতুর রহমান এ শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীকে বিশেষ সহায়তা করতে চান।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












