বিদ্যুৎখাতকে আইসিইউতে পাঠানোর জন্য- ইউনুসকে দায়ী করলো সরকার। প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের অরাজকতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু স্মরণকালের জনভোগান্তির উপশম তখনই হবে যখন-
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
বিশেষ করে বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় বিপর্যস্থ করার ফাঁদ তৈরীকারী কুখ্যাত ইউনুসের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
, ২৬ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১১ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গ্যাস সংকটের কারণে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে অবস্থিত আরপিসিএলের (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) ২১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। গত ২৬ দিন ধরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অচল থাকায় এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্য দুটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনও অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তবে এটিকে সাবেক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের দোষ বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ আরপিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএইচএম রাশেদ। শুধু ময়মনসিংহ নয়, সারাদেশের ঐতিহাসিক বিদ্যুৎ সংকটের জন্যই দায়ী করা হচ্ছে ইউনুসকে।
বেসরকারি উৎপাদনকারীরা বলছে, ইউনুস সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের পটভূমিকা তৈরি করে গেছে। অভিজ্ঞমহল মনে করেন, এই সন্দেহটা আকাশ থেকে পাড়েনি। জুলাইয়ের পর থেকে একটানা বিল বন্ধ, এলসি খুলতে বাধা, তেলের মজুদ কমতে থাকা, এগুলো একসাথে ঘটেছে। এই ঘটনাগুলোর সময়কাল এবং ধারা দেখলে অভিযোগটা শক্তভাবেই উঠে আসে।
ইউনুস সরকার পুরোপুরি জ্বালানি আমদানি করেনি, শিল্পের চাহিদার তোয়াক্কা করেনি। মানে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে সেটা না ভেবেই চলেছে তারা। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৮৫ শতাংশ সক্ষমতায় চলার কথা, চলেছে ৫৫ শতাংশে। বাকি ৩০ শতাংশ গেল কোথায়? গেছে পরিকল্পনার অভাবে, গেছে অর্থায়নের অনিচ্ছায়।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজের হিসাবেই দেশি বিদেশি কোম্পানির কাছে বকেয়া পড়ে আছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সাত আট মাস ধরে বিল পায়নি। মানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর থেকে একটা টাকাও পরিশোধ হয়নি। এই সময়টায় কী হচ্ছিল দেশে? ইউনুস সরকার তখন পুরোদমে ক্ষমতায়। সংস্কার সংস্কার বলে মাঠ গরম করছে। আর ভেতরে ভেতরে বিদ্যুৎ খাতের দেনার পাহাড় জমতে দিচ্ছে।
সঙ্গতকারণে প্রশ্ন প্রলম্ভিত হয়, এটা কি অক্ষমতা, নাকি উদাসীনতা, নাকি ইচ্ছাকৃত?
জ্বালানি সংকটে গত মাসে বিদ্যুৎ সংকট চরম আকার ধারণ করে। এ সময় গড়ে দুই থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।
রাতের পাশাপাশি দিনেও উচ্চহারে লোডশেডিং ছিল নিয়মিত ঘটনা। অথচ এ সময় সৌরবিদ্যুৎ থেকে খুব একটা সহায়তা পাওয়া যায়নি। জাতীয় গ্রিডে দিনে সর্বোচ্চ ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে এসেছে। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইসেন্স বাতিল করে গেছে।
২০২৪ সালের শেষদিকে অনুমোদিত অন্তত ৩৭টি সৌর, বায়ু ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করে দেয় ইউনূসের সরকার। প্রকল্পগুলো মূলত ২০১০ সালের ‘দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ (বিশেষ বিধান) আইন’-এর আওতায় প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এসব প্রকল্পের সম্মিলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল প্রায় ৫ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট,
কিন্তু বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় সাশ্রয় ও কাঠামোগত সংস্কারের উচ্চকণ্ঠ ঘোষণা দিয়ে দায়িত্ব নেওয়া ইউনূসের সরকার বাস্তবে জেনে শুনে ষড়যন্ত্র করে বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা ধ্বংস করে পরবর্তী সরকারের জন্য বিপর্যয়ের ফাদ তৈরি করে গেছে। বর্তমান সরকার সেটা প্রথম থেকে বুঝলেও দেরীতে হলেও মুখ খুলেছে।
ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আইসিইউতে পাঠিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আর সেই অবস্থা থেকে বাঁচতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাতিল হওয়া ৩১টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ প্রকল্পের লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বা সম্মতিপত্র পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সরকারের এই উদ্যোগ মুবারকবাদ পাওয়ার উপযুক্ত কি? প্রাসঙ্গিকভাবে এখানে একটু সংযুক্তি আছে।
সরকার নিজেই স্বীকার করেছে ইউনুস ইচ্ছে করেই বিদ্যুৎখাত প্রায় মৃত করেছে। এটা কি শুধুই ব্যক্তি হত্যা চেষ্টার অপরাধ?
না এটা গোটা দেশ-জাতি-অর্থনীতি তথা জনজীবন উত্তাল এমনকি সরকারের মসনদ টালমাটাল করে ফেলার তথা দেশকে ১০ বছর পিছিয়ে দেখার মত রাষ্ট্রদ্রোহী, গণবিরোধী, মানবতা বিরোধী অপরাধ।
প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ খাতের দুর্ভোগের জন্য জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এই কঠিন দুঃখের কিছুটা উপশম তখনই হবে যখন কুখ্যাত ইউনুসকে তার হাজারো কু কাজের জন্য কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে। এই নিকৃষ্ট ষড়যন্ত্রী ও দেশবিক্রিকারী ব্যক্তির ঐতিহাসিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে- এটাই জনপ্রত্যাশা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পরিবেশের তথাকথিত যুক্তিতেই বরং সেপ্টেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত নারিকেল দ্বীপ খোলা রাখলে জীবন-জীবিকা, পরিবেশ এবং সার্বভৌমত্ব সমুন্নত থাকে। নারিকেল দ্বীপ জনযোগাযোগ মুক্ত থাকায় আরাকান আর্মি নারিকেল দ্বীপ দখলের দুঃস্বপ্ন দেখে, এদেশের জেলেদের আটক করে।
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্কুল শিক্ষায় নতুন ৪ বই অনুমোদন হারাম খেলাধুলা, মেয়েদের খেলাধূলায় অগ্রনী হওয়া, নাচ-গান ইত্যাদি অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকে।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ আজ।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান মহাপবিত্র ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহাব্বুন নাসি ইলান নাবিয়্যি, সাইয়্যিদাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়্যাহ, রদ্বিয়্যাহ, মারদ্বিয়্যাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাবুল ইলম, কুতুবুল আলম, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চিনিকলগুলো থেকে বাণিজ্যিকভাবে ভিনেগার, জৈব দ্রাবক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সহ রাসায়নিক সামগ্রী সহ-উৎপাদক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া সম্ভব।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা, ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা সর্বোপরি উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সব নারীদের জন্য ফরয।
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তিউনিসিয়া এবং পেরু, পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনলেও বাংলাদেশ কেনো সক্ষম হচ্ছে না।
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাবেক সরকার নারিকেল দ্বীপে পর্যটক বন্ধ করে- দেশে নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার, জীবন জীবিকার অধিকার চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে।
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












