২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী মাইক্রোচিপ বা সেমিকন্ডাক্টরের ট্রিলিয়ন, ট্রিলিয়ন ডলার বাজারের প্রায় ২০ ভাগ দখল করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী, বাংলাদেশী এনায়েতুর রহমান এ শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীকে বিশেষ সহায়তা করতে চান।
বাংলাদেশ সরকারের উচিত এ আহবানে যথাযথ সাড়া দিয়ে গার্মেন্টসের চেয়েও বেশি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করা ইনশাআল্লাহ।
, ১৩ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৯ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৮ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
তৈরি পোশাকশিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২০২৬ সালের মধ্যেই গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর বাজার ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে যাচ্ছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সুযোগ বিদ্যমান এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করতে পারে।
(২)
২০২৩ সালে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) পাঁচ বছরের মধ্যে ৩০০ কোটি ডলারের রপ্তানি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। আগের সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
বর্তমান সরকারসহ আগেও কয়েক দফায় এই শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথার ফুলঝুরি ছাড়া কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। এশিয়াজুড়ে যখন সেমিকন্ডাক্টর শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশ এ খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যর্থ হয়েছে।
গত অর্থবছরে সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে বাংলাদেশে মাত্র ৮ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব এসেছে, তাও মূলত ফ্রিল্যান্সার ও বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের ফল।
বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ মূলত প্রচলিত খাতগুলোতে সীমিত। গার্মেন্টসের চেয়ে সেমিকন্ডাক্টরে দেশে বিনিয়োগ বেশি প্রয়োজন। এতে একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে।
শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) ডিজাইন করে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে।
অথচ ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বিশ্বব্যাপী মাইক্রোচিপ বা সেমিকন্ডাক্টরের ট্রিলিয়ন ডলার বাজারের প্রায় ২০ ভাগ দখলের যোগ্যতা রয়েছে। তবে তা অর্জনে বেশকিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশে আরএমজি সেক্টরে ৪০ লাখ লোক যে আয় করে, সেমিকন্ডাক্টরে এক লাখের কম মানুষ তার চেয়ে বেশি আয় করতে পারবে।
অর্থাৎ অনেক বড় স্বপ্নই বাস্তবায়ন করতে পারে প্রযুক্তি খাতে আধিপত্য বিস্তারকারী সম্ভাবনাময় সেক্টর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প। এ সেক্টরকে পোশাক খাতের চেয়েও বড় রপ্তানিকারক শিল্পে পরিণত করতে হলে দরকার সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ।
প্রতিবছর ইলেকট্রিক্যাল-ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রিধারী প্রায় ২ লাখ প্রকৌশলী কর্মসংস্থানের সংকটে পড়েন। সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রোচিপ শিল্পের বিকাশে তাদের কর্মসংস্থানসহ দেশের বিশাল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
(৩)
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রথম উদ্যোক্তা প্রকৌশলী এনায়েতুর রহমান বুয়েট থেকে ১৯৭৭ সালে স্নাতক ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে তড়িৎ ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর শেষ করে বর্ণাঢ্যময় কর্মজীবনের পর বিশ্বখ্যাত চিপ নির্মাণ বিজ্ঞানী। তিনি নিজেই নকশা করার পাশাপাশি তৈরি করেছেন বেশ কিছু সেমিকন্ডাক্টর চিপ।
এনায়েতুর রহমান বলেন, “সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টরের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। তার নিজস্ব কোম্পানী উলকাসেমি ও বিভিন্ন সুযোগ, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশে মাইক্রোচিপ শিল্পের বিকাশে বিশেষ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।”
মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী বাংলাদেশী মুসলমান এনায়েতুর রহমান মনে করেন শিল্পটিতে বাংলাদেশ মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি সরকারের উচিত, মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী এনায়েতুর রহমানের এ আহবানের প্রতি বিশেষ সাড়া দেয়া। তার সদিচ্ছা, সক্ষমতা, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও পরামর্শকে কাজে লাগিয়ে মাইক্রোচিপ বাজার, গার্মেন্টস শিল্পের মত বা তার চেয়েও বেশী অংশে দখল করা ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“মুসলিম বিশ্ব যদি ডলারের পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামী দিনার’ চালু করে, তবে তা পশ্চিমাদের জন্য পারমাণবিক বোমার চেয়েও বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ খএইঞছ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমান মায়েরা কেন সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে গাফলতি করবে?
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট জনগণ উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, শুধুমাত্র মধ্যস্বত্য ভোগী, তথা সিন্ডিকেট নির্মূলেই দ্রব্যমূল্য সুলভ করা সম্ভব।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বছরে সাশ্রয় করতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা লাখ লাখ শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থ-সামাজিক খাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্ত, লা’নতগ্রস্ত, বেকারত্বে জর্জরিত।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বাংলাদেশের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












